চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম-১৪ আসনের চন্দনাইশে নির্বাচনী সহিংসতায় পৃথক ঘটনায় ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, এক কনস্টেবল আহতসহ ৪ জন ভোটার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিরা হলেন চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন মুছা (৫৬), কনস্টেবল মো. আরফাত হোসেন (২৫), পুলিশের গাড়িচালক যথাক্রমে নুর হোসেন (৩৮), বাপ্পি দাশ (২১), গুলিবিদ্ধ গাছবাড়িয়ার আমিনুল হক (২৩), আমিনুল্লাহ মেজবাহ (২৮), মধ্যম চন্দনাইশের মো. নোমান (২১), পৌরসভার সিকদারপাড়ার আতিকুর রহমান (১৯), মোহাম্মদপুরের আমিনুল ইসলাম চৌধুরী কায়সার (৪০), দক্ষিণ হারলার সাইমন ইসলাম (২০), হারলার মো. তানজীদ (১৯), হাশিমপুরের চেয়ারম্যান খোরশেদ বিন ইসহাক (৫২), মো. আসিফ (২৪), জোয়ারার জুয়েল সরকার (২৮), পাঠানদন্ডির শরফুদ্দীন চৌধুরী কাজল (৩৫), আলাউদ্দীন (৩৫), চন্দনাইশ চৌধুরী পাড়ার গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি শেখ টিপু চৌধুরী (৬০), মো. জলিস (২৫), দোহাজারীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর আলী হিরু (৭৫), মাহাবুব আলম (২৮), আরিফুল ইসলাম (২০), ভুট্টো খান (৫০), রাজিব নাথ (৩২), কালিয়াইশের নজরুল ইসলাম মুন্না (২৬), মো. মিজান (৩৩), নারায়ণ চৌধুরী (৫৪), সাতবাড়িয়া হাজিরপাড়ার মো. মিজানুল করিম (২৮), মোহাম্মদখালীর আবদুল্লাহ আল নোমান (২৪), খাগরিয়ার মো. পারভেজ (২৪) এবং মোহাম্মদ মুন্না (৩২)।
আহতদেরকে চন্দনাইশ ও দোহাজারী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুলিবিদ্ধ আতিকুর রহমান ও নজরুল ইসলাম মুন্নাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম বলেছেন, বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনের চন্দনাইশে নির্বাচনী সহিংসতায় পৃথক ঘটনায় ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, এক কনস্টেবল আহতসহ ৪ জন ভোটার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিরা হলেন চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন মুছা (৫৬), কনস্টেবল মো. আরফাত হোসেন (২৫), পুলিশের গাড়িচালক যথাক্রমে নুর হোসেন (৩৮), বাপ্পি দাশ (২১), গুলিবিদ্ধ গাছবাড়িয়ার আমিনুল হক (২৩), আমিনুল্লাহ মেজবাহ (২৮), মধ্যম চন্দনাইশের মো. নোমান (২১), পৌরসভার সিকদারপাড়ার আতিকুর রহমান (১৯), মোহাম্মদপুরের আমিনুল ইসলাম চৌধুরী কায়সার (৪০), দক্ষিণ হারলার সাইমন ইসলাম (২০), হারলার মো. তানজীদ (১৯), হাশিমপুরের চেয়ারম্যান খোরশেদ বিন ইসহাক (৫২), মো. আসিফ (২৪), জোয়ারার জুয়েল সরকার (২৮), পাঠানদন্ডির শরফুদ্দীন চৌধুরী কাজল (৩৫), আলাউদ্দীন (৩৫), চন্দনাইশ চৌধুরী পাড়ার গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি শেখ টিপু চৌধুরী (৬০), মো. জলিস (২৫), দোহাজারীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর আলী হিরু (৭৫), মাহাবুব আলম (২৮), আরিফুল ইসলাম (২০), ভুট্টো খান (৫০), রাজিব নাথ (৩২), কালিয়াইশের নজরুল ইসলাম মুন্না (২৬), মো. মিজান (৩৩), নারায়ণ চৌধুরী (৫৪), সাতবাড়িয়া হাজিরপাড়ার মো. মিজানুল করিম (২৮), মোহাম্মদখালীর আবদুল্লাহ আল নোমান (২৪), খাগরিয়ার মো. পারভেজ (২৪) এবং মোহাম্মদ মুন্না (৩২)।
আহতদেরকে চন্দনাইশ ও দোহাজারী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুলিবিদ্ধ আতিকুর রহমান ও নজরুল ইসলাম মুন্নাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম বলেছেন, বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে