ফেনী প্রতিনিধি

ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের পূর্ব কচুয়া গ্রামে নিজাম উদ্দিন (৪০) হত্যা মামলার আসামি নিহতের বড় ভাই নুরুল আলমকে (৫৫) ধরে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। গতকাল রোববার সন্ধ্যার দিকে ফেনী মডেল থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিজাম উদ্দিন হত্যার ঘটনায় তাঁর স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, গত ২২ জুন রাতে ফেনী থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন পূর্ব কচুয়া গ্রামের মৃত আহছান উল্যার ছেলে নিজাম উদ্দিন। বাড়ির কাছাকাছি এলে আলম তাঁর ছোট ভাই নিজামের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যার পর তাঁকে সেখানে ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে রাখেন। খবর পেয়ে পরদিন ভোরে ঘটনাস্থল থেকে নিজামের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে বড় ভাই নুরুল আলম আত্মগোপনে চলে যান। গতকাল তাঁকে এলাকায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ সময় ভাইকে হত্যার কথা স্বীকার করেন নুরুল আলম।
মোটবী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কামাল উদ্দিন বলেন, নিহত নিজাম উদ্দিনের সঙ্গে বড় ভাই নুরুল আলমের পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দুই মাস আগেও একটি সালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসা করা হয়েছিল। কিন্তু নুরুল আলম মন থেকে তা মেনে নিতে পারেননি।

ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের পূর্ব কচুয়া গ্রামে নিজাম উদ্দিন (৪০) হত্যা মামলার আসামি নিহতের বড় ভাই নুরুল আলমকে (৫৫) ধরে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। গতকাল রোববার সন্ধ্যার দিকে ফেনী মডেল থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিজাম উদ্দিন হত্যার ঘটনায় তাঁর স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, গত ২২ জুন রাতে ফেনী থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন পূর্ব কচুয়া গ্রামের মৃত আহছান উল্যার ছেলে নিজাম উদ্দিন। বাড়ির কাছাকাছি এলে আলম তাঁর ছোট ভাই নিজামের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যার পর তাঁকে সেখানে ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে রাখেন। খবর পেয়ে পরদিন ভোরে ঘটনাস্থল থেকে নিজামের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে বড় ভাই নুরুল আলম আত্মগোপনে চলে যান। গতকাল তাঁকে এলাকায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ সময় ভাইকে হত্যার কথা স্বীকার করেন নুরুল আলম।
মোটবী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কামাল উদ্দিন বলেন, নিহত নিজাম উদ্দিনের সঙ্গে বড় ভাই নুরুল আলমের পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দুই মাস আগেও একটি সালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসা করা হয়েছিল। কিন্তু নুরুল আলম মন থেকে তা মেনে নিতে পারেননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে