নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতিসহ ৯ পদে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত ঐক্য পরিষদ এবং সাধারণ সম্পাদকসহ ১২টি পদে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ। ভোট গ্রহণ শেষে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হয় গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে। এর আগে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল ৪টায়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রতন কুমার রায় জানান, নির্বাচনে এবার ৫ হাজার ৩০৯ জন ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ১৪৫ জন ভোট দিয়েছেন। সভাপতি পদে ঐক্য পরিষদের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ২ হাজার ৬৮২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সমন্বয় পরিষদের মনতোষ বড়ুয়া পান ১ হাজার ৩৯৬ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে সমন্বয় পরিষদের এ এস এম বজলুর রশিদ ২ হাজার ২৮০ ভোট নিয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রার্থী ঐক্য পরিষদের মো. হাসান আলী চৌধুরী পেয়েছেন ১ হাজার ৮২৪ ভোট।
সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন সমন্বয় পরিষদের মো. সেকান্দর চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৫১৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্য পরিষদের মো. আবদুল কাদের পেয়েছেন ১ হাজার ৫৫৭ ভোট। সহসভাপতি পদে সমন্বয় পরিষদের আবদুল হক ২ হাজার ৭৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। একই পদে ঐক্য পরিষদের মুহাম্মদ কামরুল হাসান নাজিম পেয়েছেন ২ হাজার ১৯ ভোট।
সহসাধারণ সম্পাদক পদে সমন্বয় পরিষদের মোহাম্মদ ইমরান ২ হাজার ১৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্য পরিষদের মোহাম্মদ কাশেম কামাল পেয়েছেন ১ হাজার ৮৭১ ভোট। সমন্বয় পরিষদের মোশারফ হোছাইন ২ হাজার ৪১৭ ভোট পেয়ে অর্থ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন। একই পদে ঐক্য পরিষদের কাজী মো. আশরাফুল হক আনসারী পেয়েছেন ১ হাজার ৬৯৬ ভোট।
সমন্বয় পরিষদের মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়ে পাঠাগার সম্পাদক পদে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্য পরিষদের আহমেদ কবির পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৬ ভোট। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ঐক্য পরিষদের মো. খোরশেদ আলম ২ হাজার ২৬২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। একই পদে সমন্বয় পরিষদের প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস পেয়েছেন ১ হাজার ৮০০ ভোট। ক্রীড়া সম্পাদক পদে ঐক্য পরিষদের মো. ওমর ফারুক ২ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। একই পদে সমন্বয় পরিষদের পিটু কুমার শীল পেয়েছেন ১ হাজার ৮৬৩ ভোট। তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ঐক্য পরিষদের অলি আহমদ ২ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। একই পদে সমন্বয় পরিষদের অভিজিত ঘোষ পেয়েছেন ১ হাজার ৮৬০ ভোট।
এ ছাড়া নির্বাহী সদস্যের ১১টি পদের মধ্যে সমন্বয় পরিষদের ৬ জয়ী প্রার্থী হলেন জামশেদ আলম, মনজুর আলম, সাজেদা বেগম সাজু, ইসরাত জাহান মুকুল, রানা মিত্র ও ফারজানা হাকিম চৌধুরী। একই পদে ঐক্য পরিষদের প্রার্থীরা হলেন মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন, মো. ইকবাল হোসাইন, মো. সাদ্দাম হোসেন, মিনহাজ উদ্দিন ও আবিদা সুলতানা শারমিন।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি (ঐক্য পরিষদ) এনামুল হক বলেন, ‘সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে আইনজীবীরা তাঁদের নেতৃত্ব বেছে নিয়েছেন।’
সমিতির সদ্য বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক (সমন্বয় পরিষদ) এ এইচ এম জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছি।’
নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ২১টি পদে নির্বাচন হয়। এর মধ্যে সম্পাদকীয় পদ ১০টি, নির্বাহী সদস্য পদ ১১টি। নির্বাচনে দুই প্যানেলে মোট প্রার্থী ছিলেন ৪২ জন।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতিসহ ৯ পদে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত ঐক্য পরিষদ এবং সাধারণ সম্পাদকসহ ১২টি পদে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ। ভোট গ্রহণ শেষে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হয় গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে। এর আগে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল ৪টায়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রতন কুমার রায় জানান, নির্বাচনে এবার ৫ হাজার ৩০৯ জন ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ১৪৫ জন ভোট দিয়েছেন। সভাপতি পদে ঐক্য পরিষদের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ২ হাজার ৬৮২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সমন্বয় পরিষদের মনতোষ বড়ুয়া পান ১ হাজার ৩৯৬ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে সমন্বয় পরিষদের এ এস এম বজলুর রশিদ ২ হাজার ২৮০ ভোট নিয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রার্থী ঐক্য পরিষদের মো. হাসান আলী চৌধুরী পেয়েছেন ১ হাজার ৮২৪ ভোট।
সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন সমন্বয় পরিষদের মো. সেকান্দর চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৫১৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্য পরিষদের মো. আবদুল কাদের পেয়েছেন ১ হাজার ৫৫৭ ভোট। সহসভাপতি পদে সমন্বয় পরিষদের আবদুল হক ২ হাজার ৭৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। একই পদে ঐক্য পরিষদের মুহাম্মদ কামরুল হাসান নাজিম পেয়েছেন ২ হাজার ১৯ ভোট।
সহসাধারণ সম্পাদক পদে সমন্বয় পরিষদের মোহাম্মদ ইমরান ২ হাজার ১৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্য পরিষদের মোহাম্মদ কাশেম কামাল পেয়েছেন ১ হাজার ৮৭১ ভোট। সমন্বয় পরিষদের মোশারফ হোছাইন ২ হাজার ৪১৭ ভোট পেয়ে অর্থ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন। একই পদে ঐক্য পরিষদের কাজী মো. আশরাফুল হক আনসারী পেয়েছেন ১ হাজার ৬৯৬ ভোট।
সমন্বয় পরিষদের মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়ে পাঠাগার সম্পাদক পদে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্য পরিষদের আহমেদ কবির পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৬ ভোট। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ঐক্য পরিষদের মো. খোরশেদ আলম ২ হাজার ২৬২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। একই পদে সমন্বয় পরিষদের প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস পেয়েছেন ১ হাজার ৮০০ ভোট। ক্রীড়া সম্পাদক পদে ঐক্য পরিষদের মো. ওমর ফারুক ২ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। একই পদে সমন্বয় পরিষদের পিটু কুমার শীল পেয়েছেন ১ হাজার ৮৬৩ ভোট। তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ঐক্য পরিষদের অলি আহমদ ২ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। একই পদে সমন্বয় পরিষদের অভিজিত ঘোষ পেয়েছেন ১ হাজার ৮৬০ ভোট।
এ ছাড়া নির্বাহী সদস্যের ১১টি পদের মধ্যে সমন্বয় পরিষদের ৬ জয়ী প্রার্থী হলেন জামশেদ আলম, মনজুর আলম, সাজেদা বেগম সাজু, ইসরাত জাহান মুকুল, রানা মিত্র ও ফারজানা হাকিম চৌধুরী। একই পদে ঐক্য পরিষদের প্রার্থীরা হলেন মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন, মো. ইকবাল হোসাইন, মো. সাদ্দাম হোসেন, মিনহাজ উদ্দিন ও আবিদা সুলতানা শারমিন।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি (ঐক্য পরিষদ) এনামুল হক বলেন, ‘সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে আইনজীবীরা তাঁদের নেতৃত্ব বেছে নিয়েছেন।’
সমিতির সদ্য বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক (সমন্বয় পরিষদ) এ এইচ এম জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছি।’
নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ২১টি পদে নির্বাচন হয়। এর মধ্যে সম্পাদকীয় পদ ১০টি, নির্বাহী সদস্য পদ ১১টি। নির্বাচনে দুই প্যানেলে মোট প্রার্থী ছিলেন ৪২ জন।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩১ মিনিট আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
১ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
২ ঘণ্টা আগে