নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের যাত্রীবাহী ট্রেন সোনার বাংলার সংঘর্ষের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেন।
জাহাঙ্গীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কারও গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্টেশনমাস্টার ও সোনার বাংলা ট্রেনের চালকের ভুলের কারণে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে সোনার বাংলা ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের তিন কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন। এদিকে এই ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে যাওয়া ওই তিন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের পত্রিকাকে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে মালবাহী ট্রেনটি কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে হাসানপুর রেলস্টেশনে পৌঁছালে স্টেশন মাস্টার মো. সোহাগ লুপ লাইনে (চার নম্বর লাইন) ট্রেনটিকে দাঁড় করান। স্টেশন মাস্টারের উচিত ছিল যেহেতু ট্রেনটিকে লুপ লাইনে দাঁড় করিয়েছেন, সেহেতু পয়েন্ট মেশিন প্রধান লাইনের সঙ্গে যুক্ত করা। কিন্তু তিনি তা করেননি।
ওই সময় দীর্ঘক্ষণ স্টেশন এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। সিগন্যাল সিস্টেমের ব্যাকআপ ব্যাটারিরও চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ায় পুরো সিগন্যাল সিস্টেম অকার্যকর হয়ে পড়ে। চট্টগ্রাম থেকে সোনার বাংলা ট্রেনটিও ওই সময় হাসানপুর রেলস্টেশনে ঢুকছিল। তখন স্টেশন মাস্টার পয়েন্টম্যান বা স্টেশনে দায়িত্বরত কর্মচারী দিয়ে সোনার বাংলা ট্রেনটিকে স্টেশনে না ঢুকতে সংকেত দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পারত। কিন্তু তিনি তাও করেননি।
অন্যদিকে সোনার বাংলা ট্রেনের চালক স্টেশনে ঢোকার যেহেতু কোনো সংকেত পাননি বা স্টেশনের সিগন্যাল সিস্টেম বন্ধ দেখেছেন তখন তিনি নিজ উদ্যোগে চলন্ত ট্রেনটি থামাতে পারতেন। কিন্তু ট্রেনচালক পুরো স্টেশন অন্ধকার দেখেও ট্রেন চালিয়ে যাওয়ার কারণে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
যান্ত্রিক প্রকৌশলী বিভাগের এক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, চালু স্টেশন এলাকায় সাধারণত ট্রেনের স্পিড কমাতে হয়। কিন্তু সোনার বাংলা ট্রেনের চালক স্টেশন অতিক্রম করার সময় ৭০-৭১ স্পিডে ট্রেনটি নিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি একটু ধীরে ট্রেন চালালে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণটা আরও কম হতো।
সূত্র জানিয়েছে, ওই সময় মালবাহী ট্রেনের গার্ড ব্রেক বগিতে পাঁচজন লোক ছিল। তারা সোনার বাংলা ট্রেনটি আসতে দেখে দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে পড়ে। এতে তাদের জীবন রক্ষা পায়।
এদিকে সোনার বাংলা ট্রেন ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাঁদের তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটিতে থাকা চার সদস্য হলেন বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) মো. জাহিদ হাসান, বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা তারেক মো. ইমরান, বিভাগীয় সংকেত প্রকৌশলী জাহেদ আরেফিন পাটোয়ারি তন্ময় ও বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ এম এ হাসান মুকুল।

গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাসানপুর রেলস্টেশনে এই দুর্ঘটনায় সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। ঘটনার পর থেকে হাসানপুর স্টেশন মাস্টার মো. সোহাগ পলাতক রয়েছেন।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের যাত্রীবাহী ট্রেন সোনার বাংলার সংঘর্ষের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেন।
জাহাঙ্গীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কারও গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্টেশনমাস্টার ও সোনার বাংলা ট্রেনের চালকের ভুলের কারণে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে সোনার বাংলা ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের তিন কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন। এদিকে এই ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে যাওয়া ওই তিন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের পত্রিকাকে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে মালবাহী ট্রেনটি কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে হাসানপুর রেলস্টেশনে পৌঁছালে স্টেশন মাস্টার মো. সোহাগ লুপ লাইনে (চার নম্বর লাইন) ট্রেনটিকে দাঁড় করান। স্টেশন মাস্টারের উচিত ছিল যেহেতু ট্রেনটিকে লুপ লাইনে দাঁড় করিয়েছেন, সেহেতু পয়েন্ট মেশিন প্রধান লাইনের সঙ্গে যুক্ত করা। কিন্তু তিনি তা করেননি।
ওই সময় দীর্ঘক্ষণ স্টেশন এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। সিগন্যাল সিস্টেমের ব্যাকআপ ব্যাটারিরও চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ায় পুরো সিগন্যাল সিস্টেম অকার্যকর হয়ে পড়ে। চট্টগ্রাম থেকে সোনার বাংলা ট্রেনটিও ওই সময় হাসানপুর রেলস্টেশনে ঢুকছিল। তখন স্টেশন মাস্টার পয়েন্টম্যান বা স্টেশনে দায়িত্বরত কর্মচারী দিয়ে সোনার বাংলা ট্রেনটিকে স্টেশনে না ঢুকতে সংকেত দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পারত। কিন্তু তিনি তাও করেননি।
অন্যদিকে সোনার বাংলা ট্রেনের চালক স্টেশনে ঢোকার যেহেতু কোনো সংকেত পাননি বা স্টেশনের সিগন্যাল সিস্টেম বন্ধ দেখেছেন তখন তিনি নিজ উদ্যোগে চলন্ত ট্রেনটি থামাতে পারতেন। কিন্তু ট্রেনচালক পুরো স্টেশন অন্ধকার দেখেও ট্রেন চালিয়ে যাওয়ার কারণে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
যান্ত্রিক প্রকৌশলী বিভাগের এক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, চালু স্টেশন এলাকায় সাধারণত ট্রেনের স্পিড কমাতে হয়। কিন্তু সোনার বাংলা ট্রেনের চালক স্টেশন অতিক্রম করার সময় ৭০-৭১ স্পিডে ট্রেনটি নিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি একটু ধীরে ট্রেন চালালে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণটা আরও কম হতো।
সূত্র জানিয়েছে, ওই সময় মালবাহী ট্রেনের গার্ড ব্রেক বগিতে পাঁচজন লোক ছিল। তারা সোনার বাংলা ট্রেনটি আসতে দেখে দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে পড়ে। এতে তাদের জীবন রক্ষা পায়।
এদিকে সোনার বাংলা ট্রেন ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাঁদের তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটিতে থাকা চার সদস্য হলেন বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) মো. জাহিদ হাসান, বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা তারেক মো. ইমরান, বিভাগীয় সংকেত প্রকৌশলী জাহেদ আরেফিন পাটোয়ারি তন্ময় ও বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ এম এ হাসান মুকুল।

গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাসানপুর রেলস্টেশনে এই দুর্ঘটনায় সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। ঘটনার পর থেকে হাসানপুর স্টেশন মাস্টার মো. সোহাগ পলাতক রয়েছেন।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৭ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৭ ঘণ্টা আগে