চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষে গুরুতর আহত বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ সায়েমের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। সাত দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর আজ শনিবার মা-বাবা বলে ডাক দিয়েছেন সায়েম।
আজ শনিবার নগরীর পার্কভিউ হাসপাতালের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আজকে সোয়া ১১টা থেকে ১২টা ৪৫ পর্যন্ত দেড় ঘণ্টা ধরে স্যাররা রিসার্চ করেছেন। রোগী আগের চেয়ে ইম্প্রুভ করেছে। আজকে তার সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। এটাও আগের চেয়ে ভালো আছে। সিদ্ধান্ত নিয়ে স্যাররা উপস্থিত থেকে লাইফ সাপোর্ট খুলে দিয়েছেন। এটি খোলার পর সে ভালোই রেসপন্স করছে, নিজে নিজে শ্বাসপ্রশ্বাস নিচ্ছে। লাইফ সাপোর্ট খোলার আগে জ্ঞানের লেভেল ছিল ৮। এখন এটা আরও বাড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সে তার মা-বাবার সঙ্গে মোটামুটি হালকা-পাতলা কথাবার্তা বলতে পারছে। সে তার মা-বাবা, ভাইকে ডেকেছে। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত হলো, তারা আরও ২৪ ঘণ্টা অবজারভেশন করবে এবং আগামীকাল বিকেলে আবার সিদ্ধান্ত নেবে যে আর কিছু করার আছে কি না।’
জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে সায়েমের মাথায় আঘাত করা হয়। শিক্ষার্থীরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে এলে উন্নত চিকিৎসার জন্য নগরীর পার্কভিউ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সাত দিন ধরে অচেতন থাকার পর আজ কথা বলেছেন সায়েম। ডাক্তাররা জানান, শুরু থেকেই সায়েমের জ্ঞানের লেবেল ছিল ৫-৬। আজ তা উন্নতি হয়ে ৮-এর বেশি হয়েছে।
অন্যদিকে গুরুতর আহত আরও দুজন শিক্ষার্থী হলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মামুন মিয়া ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে মামুন মিয়া পার্কভিউ হাসপাতাল ও নাইমুল ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সায়েমের সঙ্গে হাসপাতালে থাকা সহপাঠী আশিকুর রহমান বলেন, ‘সায়েমের অবস্থা আগের থেকে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়েছে। যন্ত্রণায় সে মা-বাবা বলে ডেকেছে, তবে চোখ খোলেনি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘সায়েমের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে, শুনে অনেক ভালো লাগছে। মেডিকেল বোর্ড থেকে আমাকে জানানো হয়েছে। দোয়া করি, আহত সবাই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় একজন ছাত্রী ভাড়া বাসায় দেরিতে ঢুকতে চাইলে দারোয়ান তাঁর গায়ে হাত তোলেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন। তখন গ্রামবাসীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ আহত হন ৪২১ জন। গুরুতর আহত হয় ছয় শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে সবার অবস্থা উন্নতি হলেও স্থির ছিল সায়েমের অবস্থা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষে গুরুতর আহত বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ সায়েমের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। সাত দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর আজ শনিবার মা-বাবা বলে ডাক দিয়েছেন সায়েম।
আজ শনিবার নগরীর পার্কভিউ হাসপাতালের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আজকে সোয়া ১১টা থেকে ১২টা ৪৫ পর্যন্ত দেড় ঘণ্টা ধরে স্যাররা রিসার্চ করেছেন। রোগী আগের চেয়ে ইম্প্রুভ করেছে। আজকে তার সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। এটাও আগের চেয়ে ভালো আছে। সিদ্ধান্ত নিয়ে স্যাররা উপস্থিত থেকে লাইফ সাপোর্ট খুলে দিয়েছেন। এটি খোলার পর সে ভালোই রেসপন্স করছে, নিজে নিজে শ্বাসপ্রশ্বাস নিচ্ছে। লাইফ সাপোর্ট খোলার আগে জ্ঞানের লেভেল ছিল ৮। এখন এটা আরও বাড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সে তার মা-বাবার সঙ্গে মোটামুটি হালকা-পাতলা কথাবার্তা বলতে পারছে। সে তার মা-বাবা, ভাইকে ডেকেছে। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত হলো, তারা আরও ২৪ ঘণ্টা অবজারভেশন করবে এবং আগামীকাল বিকেলে আবার সিদ্ধান্ত নেবে যে আর কিছু করার আছে কি না।’
জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে সায়েমের মাথায় আঘাত করা হয়। শিক্ষার্থীরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে এলে উন্নত চিকিৎসার জন্য নগরীর পার্কভিউ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সাত দিন ধরে অচেতন থাকার পর আজ কথা বলেছেন সায়েম। ডাক্তাররা জানান, শুরু থেকেই সায়েমের জ্ঞানের লেবেল ছিল ৫-৬। আজ তা উন্নতি হয়ে ৮-এর বেশি হয়েছে।
অন্যদিকে গুরুতর আহত আরও দুজন শিক্ষার্থী হলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মামুন মিয়া ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে মামুন মিয়া পার্কভিউ হাসপাতাল ও নাইমুল ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সায়েমের সঙ্গে হাসপাতালে থাকা সহপাঠী আশিকুর রহমান বলেন, ‘সায়েমের অবস্থা আগের থেকে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়েছে। যন্ত্রণায় সে মা-বাবা বলে ডেকেছে, তবে চোখ খোলেনি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘সায়েমের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে, শুনে অনেক ভালো লাগছে। মেডিকেল বোর্ড থেকে আমাকে জানানো হয়েছে। দোয়া করি, আহত সবাই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় একজন ছাত্রী ভাড়া বাসায় দেরিতে ঢুকতে চাইলে দারোয়ান তাঁর গায়ে হাত তোলেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন। তখন গ্রামবাসীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ আহত হন ৪২১ জন। গুরুতর আহত হয় ছয় শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে সবার অবস্থা উন্নতি হলেও স্থির ছিল সায়েমের অবস্থা।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
২ মিনিট আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
৬ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৭ মিনিট আগে
সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
২৯ মিনিট আগে