জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম

টাকা পরিশোধ না করে সিআরবিতে সড়ক কেটে পাইপ লাইন বসানোর কাজ শেষ করেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এতে প্রায় আড়াই কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ঠিক করতে পারছে না রেলওয়ে।
পাইপলাইন বসানোর জন্য ২০২০ সালে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) নাসির উদ্দিন আহমেদের কাছে অনুমতি চেয়েও পায়নি চট্টগ্রাম ওয়াসা। তিনি অবসরে যাওয়ার পর অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়া সরদার সাদাত আলীও অনুমতি দেননি। বর্তমান জিএম জাহাঙ্গীর হোসেন শুধু অনুমতি নয়, সড়ক কাটার আগে টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা–ও নেননি। পাইপলাইন বসাতে প্রতিবছর রেলওয়েকে ভাড়া দিতে হবে, প্রস্তাব দিয়েছিলেন জিএম নাসির উদ্দিন ও সরদার সাদাত আলী। ওয়াসা প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সড়ক কাটার অনুমতি দেননি তাঁরা।
সরদার সাদাত আলী এখন রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের (অপারেশন) দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, রেলওয়ের জায়গা ব্যবহার করলে লাইসেন্স নিয়ে প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয়। ওয়াসা আমাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তখন অনুমতি দিইনি।
বর্তমান জিএম জাহাঙ্গীর হোসেন সড়ক কাটার অনুমতি দেওয়ার পর ওয়াসা পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু করে চলতি বছরের ১৪ মে, কাজ শেষ হয় ১৮ জুলাই। অথচ নিয়মানুযায়ী কাজ শুরুর আগে প্রতি বর্গমিটার সড়ক কাটা বাবদ ৩ হাজার ৩২৫ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা রেলওয়েকে। কাজ শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস হতে চললেও সড়ক কাটার ক্ষতিপূরণ বাবদ মোট ২৬ লাখ ৩ হাজার ৪৭৫ টাকা পরিশোধ করেনি ওয়াসা। এতে রেলওয়ের ২ দশমিক ৪৭ কিলোমিটার সড়ক এবড়োখেবড়ো হয়ে আছে।
ওয়াসা থেকে পাওয়া কাগজ ঘেঁটে দেখা গেছে, কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের (২য় পর্যায়) অংশ হিসেবে সিআরবি এলাকায় বসানো হয় পাইপলাইন। সিআরবি থেকে শুরু করে ২ দশমিক ৪৭ কিলোমিটার এলাকায় পাইপলাইন বসানো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওয়াসার এক কর্মকর্তা জানান, সিআরবি দিয়ে সোজা লাইন নিতে পারায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান লাভবান হয়েছেন। না হলে তাদের পাইপলাইন লালখানবাজার দিয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে যেতে হতো। এ ছাড়া কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের মেয়াদের মাত্র চার মাস বাকি আছে। তাই ওয়াসা চেয়েছে সিআরবি দিয়ে যাতে পাইপলাইন নেওয়া যায়।
চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, ‘আমাদের কাজের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে হওয়ায় জিএমের সঙ্গে বৈঠক করে অনুমোদন পাই। আমরা এখনো সড়ক কাটার টাকা পরিশোধ করিনি। কারণ বাজেট নেই। সামনে পরিশোধ করব।’ তিনি বলেন, ‘আগের জিএমরা পাইপলাইন বসানো বাবদ প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে বলেছিলেন। আমরা রাজি না হওয়ায় তাঁরা অনুমোদন দেননি।’
সিআরবিতে বাসাবাড়ি ও বাংলোতে পানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ পাওয়ার জন্য ওয়াসাকে অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানান জিএম জাহাঙ্গীর হোসেন। রেলওয়ের তো নিজস্ব পানি সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি কম পাওয়া যাচ্ছে। তাই বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ওয়াসাকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বিষয়টি রেলওয়ের প্রকৌশল দপ্তর দেখছে বলে জানান জিএম।
প্রধান প্রকৌশলী মো. সুবক্তগীন বলেন, সড়ক কাটা বাবদ টাকা পরে পরিশোধ করবে বলে জানিয়েছে ওয়াসা।

টাকা পরিশোধ না করে সিআরবিতে সড়ক কেটে পাইপ লাইন বসানোর কাজ শেষ করেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এতে প্রায় আড়াই কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ঠিক করতে পারছে না রেলওয়ে।
পাইপলাইন বসানোর জন্য ২০২০ সালে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) নাসির উদ্দিন আহমেদের কাছে অনুমতি চেয়েও পায়নি চট্টগ্রাম ওয়াসা। তিনি অবসরে যাওয়ার পর অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়া সরদার সাদাত আলীও অনুমতি দেননি। বর্তমান জিএম জাহাঙ্গীর হোসেন শুধু অনুমতি নয়, সড়ক কাটার আগে টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও তা–ও নেননি। পাইপলাইন বসাতে প্রতিবছর রেলওয়েকে ভাড়া দিতে হবে, প্রস্তাব দিয়েছিলেন জিএম নাসির উদ্দিন ও সরদার সাদাত আলী। ওয়াসা প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সড়ক কাটার অনুমতি দেননি তাঁরা।
সরদার সাদাত আলী এখন রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের (অপারেশন) দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, রেলওয়ের জায়গা ব্যবহার করলে লাইসেন্স নিয়ে প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয়। ওয়াসা আমাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তখন অনুমতি দিইনি।
বর্তমান জিএম জাহাঙ্গীর হোসেন সড়ক কাটার অনুমতি দেওয়ার পর ওয়াসা পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু করে চলতি বছরের ১৪ মে, কাজ শেষ হয় ১৮ জুলাই। অথচ নিয়মানুযায়ী কাজ শুরুর আগে প্রতি বর্গমিটার সড়ক কাটা বাবদ ৩ হাজার ৩২৫ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা রেলওয়েকে। কাজ শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস হতে চললেও সড়ক কাটার ক্ষতিপূরণ বাবদ মোট ২৬ লাখ ৩ হাজার ৪৭৫ টাকা পরিশোধ করেনি ওয়াসা। এতে রেলওয়ের ২ দশমিক ৪৭ কিলোমিটার সড়ক এবড়োখেবড়ো হয়ে আছে।
ওয়াসা থেকে পাওয়া কাগজ ঘেঁটে দেখা গেছে, কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের (২য় পর্যায়) অংশ হিসেবে সিআরবি এলাকায় বসানো হয় পাইপলাইন। সিআরবি থেকে শুরু করে ২ দশমিক ৪৭ কিলোমিটার এলাকায় পাইপলাইন বসানো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওয়াসার এক কর্মকর্তা জানান, সিআরবি দিয়ে সোজা লাইন নিতে পারায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান লাভবান হয়েছেন। না হলে তাদের পাইপলাইন লালখানবাজার দিয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে যেতে হতো। এ ছাড়া কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের মেয়াদের মাত্র চার মাস বাকি আছে। তাই ওয়াসা চেয়েছে সিআরবি দিয়ে যাতে পাইপলাইন নেওয়া যায়।
চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, ‘আমাদের কাজের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে হওয়ায় জিএমের সঙ্গে বৈঠক করে অনুমোদন পাই। আমরা এখনো সড়ক কাটার টাকা পরিশোধ করিনি। কারণ বাজেট নেই। সামনে পরিশোধ করব।’ তিনি বলেন, ‘আগের জিএমরা পাইপলাইন বসানো বাবদ প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে বলেছিলেন। আমরা রাজি না হওয়ায় তাঁরা অনুমোদন দেননি।’
সিআরবিতে বাসাবাড়ি ও বাংলোতে পানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ পাওয়ার জন্য ওয়াসাকে অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানান জিএম জাহাঙ্গীর হোসেন। রেলওয়ের তো নিজস্ব পানি সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি কম পাওয়া যাচ্ছে। তাই বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ওয়াসাকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বিষয়টি রেলওয়ের প্রকৌশল দপ্তর দেখছে বলে জানান জিএম।
প্রধান প্রকৌশলী মো. সুবক্তগীন বলেন, সড়ক কাটা বাবদ টাকা পরে পরিশোধ করবে বলে জানিয়েছে ওয়াসা।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে