নোয়াখালী প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসররা আবার তাদের চেহারা দেখাচ্ছে। তারা সমাজের মূল অংশের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে আশ্রয় নিচ্ছে। কিন্তু যে সকল রাজনৈতিক দল ওই সকল সন্ত্রাসীদের, সন্ত্রাসের ইন্ধনদাতাদের আশ্রয় দিচ্ছে, প্রশ্রয় দিচ্ছে, তাদের বলব, আপনাদের পরিণাম শেখ হাসিনার মতোই হবে।’
গতকাল শনিবার রাতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নে ওয়েস্টব্যাঙ্ক কলেজ আয়োজিত মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল হান্নান মাসউদ এসব কথা বলেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এই মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘এ দেশের মানুষ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য, তাদের নিজস্ব হিস্যার জন্য, তাদের অধিকারের জন্য, জাতীয় পতাকার সম্মান রক্ষার জন্য যেমন জীবন দিতে পারে, তেমনি জীবন কেড়েও নিতে পারে।’
হান্নান মাসউদ বলেন, ‘বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে সেই দেশের মানচিত্রকে ভেঙে খান খান করে দেওয়া হবে। এখনো ফ্যাসিস্টের দালালেরা দেশে বসে এবং দেশের বাইরে দিল্লিতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা এ দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে উসকানি দিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ যারা হিন্দু-মুসলমান একই সঙ্গে একই টেবিলে খাবার খায়, একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যায়, একই সঙ্গে কেনাকাটা করে, সেই সমাজে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা লাগানো সহজ নয়।’
এই ছাত্রনেতা বলেন, ‘এখন ভেবেছেন ক্ষমতায় চলে গিয়েছেন, যা ইচ্ছে তাই করছেন, আপনাদের বাধা দেওয়ার কেউ নেই। ৫ আগস্টের আগে ৩ আগস্ট, ৪ আগস্ট আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগও একই কথা ভেবেছে। তারা একই কথা ভেবে রাজপথে নেমে আমাদের ভাইবোনদের গুলি করেছিল, হামলা করেছিল। তারা কিন্তু টিকতে পারে নাই। দুই দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বায়তুল মোকাররম মসজিদের ইমাম, ওবায়দুল কাদের থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারকেও পালাতে হয়েছে। পরিণাম কত ভয়াবহ। তাদের পরিণামের দিকে খেয়াল রাখুন।’
হান্নান মাসউদ ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা দিল্লিতে বসে এ দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে তারা ভাবছে, এ দেশ শেখ হাসিনার, শেখ মুজিবের। কিন্তু তারা ভুলে যায় যে, এ দেশ শহীদ তিতুমীরের দেশ, এ দেশ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর দেশ, এ দেশ মেজর জিয়ার দেশ, এ দেশ আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর দেশ, এ দেশ জুনায়েদ বাবুনগরীর দেশ। তারা ভুলে যায় এ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য কতজন হাসিমুখে জীবন দিয়েছেন, ফাঁসির রশি গলায় পরেছেন। তারা ভুলে যায়, এ দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বেগম জিয়া থেকে শুরু করে মতিউর রহমান নিজামী পর্যন্ত অনেকেই দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন, অনেকে শহীদ হয়েছেন।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসররা আবার তাদের চেহারা দেখাচ্ছে। তারা সমাজের মূল অংশের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে আশ্রয় নিচ্ছে। কিন্তু যে সকল রাজনৈতিক দল ওই সকল সন্ত্রাসীদের, সন্ত্রাসের ইন্ধনদাতাদের আশ্রয় দিচ্ছে, প্রশ্রয় দিচ্ছে, তাদের বলব, আপনাদের পরিণাম শেখ হাসিনার মতোই হবে।’
গতকাল শনিবার রাতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নে ওয়েস্টব্যাঙ্ক কলেজ আয়োজিত মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল হান্নান মাসউদ এসব কথা বলেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এই মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘এ দেশের মানুষ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য, তাদের নিজস্ব হিস্যার জন্য, তাদের অধিকারের জন্য, জাতীয় পতাকার সম্মান রক্ষার জন্য যেমন জীবন দিতে পারে, তেমনি জীবন কেড়েও নিতে পারে।’
হান্নান মাসউদ বলেন, ‘বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে সেই দেশের মানচিত্রকে ভেঙে খান খান করে দেওয়া হবে। এখনো ফ্যাসিস্টের দালালেরা দেশে বসে এবং দেশের বাইরে দিল্লিতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা এ দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে উসকানি দিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এ দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ যারা হিন্দু-মুসলমান একই সঙ্গে একই টেবিলে খাবার খায়, একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যায়, একই সঙ্গে কেনাকাটা করে, সেই সমাজে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা লাগানো সহজ নয়।’
এই ছাত্রনেতা বলেন, ‘এখন ভেবেছেন ক্ষমতায় চলে গিয়েছেন, যা ইচ্ছে তাই করছেন, আপনাদের বাধা দেওয়ার কেউ নেই। ৫ আগস্টের আগে ৩ আগস্ট, ৪ আগস্ট আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগও একই কথা ভেবেছে। তারা একই কথা ভেবে রাজপথে নেমে আমাদের ভাইবোনদের গুলি করেছিল, হামলা করেছিল। তারা কিন্তু টিকতে পারে নাই। দুই দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বায়তুল মোকাররম মসজিদের ইমাম, ওবায়দুল কাদের থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারকেও পালাতে হয়েছে। পরিণাম কত ভয়াবহ। তাদের পরিণামের দিকে খেয়াল রাখুন।’
হান্নান মাসউদ ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা দিল্লিতে বসে এ দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে তারা ভাবছে, এ দেশ শেখ হাসিনার, শেখ মুজিবের। কিন্তু তারা ভুলে যায় যে, এ দেশ শহীদ তিতুমীরের দেশ, এ দেশ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর দেশ, এ দেশ মেজর জিয়ার দেশ, এ দেশ আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর দেশ, এ দেশ জুনায়েদ বাবুনগরীর দেশ। তারা ভুলে যায় এ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য কতজন হাসিমুখে জীবন দিয়েছেন, ফাঁসির রশি গলায় পরেছেন। তারা ভুলে যায়, এ দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বেগম জিয়া থেকে শুরু করে মতিউর রহমান নিজামী পর্যন্ত অনেকেই দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন, অনেকে শহীদ হয়েছেন।’

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
২ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
২ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
২ ঘণ্টা আগে