নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় খালে মাছ ধরার জাল পাতা নিয়ে বিরোধের জেরে আবদুর শুক্কুর হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোজিনা খান মামলার এ রায় দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী হাফেজ আহম্মদ রায়ের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নুরুল আবছার, মো. রফিক, মো. সোলায়মান, আহাম্মদ ও মো. ইলিয়াস। মামলা থেকে খালাস পাওয়া তিনজন হলেন আব্দুল কুদ্দুস, মো. এনাম ও মো. আনোয়ার। তাঁরা আনোয়ারা উপজেলার চাতরি ইউনিয়নের বাসিন্দা। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রফিক পলাতক। অন্য চারজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে পলাতক রফিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।
জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৯ আগস্ট রাতে আনোয়ারার চাতরি ইউনিয়নের পশ্চিম সিংহরা গ্রামের বাসিন্দা আবদুর শুক্কুরকে (৫৫) খুন করা হয়। দুই দিন পর তাঁর লাশ বাড়ির কাছে মুরগির খামারের পাশে ধানখেতে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাঁর ছেলে মিজান বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বাড়ির কাছে খালে মাছের জাল পাতা নিয়ে প্রতিবেশী কয়েকজনের সঙ্গে আবদুর শুক্কুরের ঝগড়া হয়। এরপর তিনি বাড়িতে ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত দেড়টার দিকে অজ্ঞাতনামা একটি নম্বর থেকে ফোনকল পেয়ে তিনি বাইরে বের হন। পরে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার পর লাশ অদূরে ধানের জমিতে ফেলে দেওয়া হয়। দুই দিন পর ধানের জমি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে আটজনকে আসামি করা হয়।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় খালে মাছ ধরার জাল পাতা নিয়ে বিরোধের জেরে আবদুর শুক্কুর হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোজিনা খান মামলার এ রায় দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী হাফেজ আহম্মদ রায়ের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নুরুল আবছার, মো. রফিক, মো. সোলায়মান, আহাম্মদ ও মো. ইলিয়াস। মামলা থেকে খালাস পাওয়া তিনজন হলেন আব্দুল কুদ্দুস, মো. এনাম ও মো. আনোয়ার। তাঁরা আনোয়ারা উপজেলার চাতরি ইউনিয়নের বাসিন্দা। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রফিক পলাতক। অন্য চারজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে পলাতক রফিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।
জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৯ আগস্ট রাতে আনোয়ারার চাতরি ইউনিয়নের পশ্চিম সিংহরা গ্রামের বাসিন্দা আবদুর শুক্কুরকে (৫৫) খুন করা হয়। দুই দিন পর তাঁর লাশ বাড়ির কাছে মুরগির খামারের পাশে ধানখেতে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাঁর ছেলে মিজান বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বাড়ির কাছে খালে মাছের জাল পাতা নিয়ে প্রতিবেশী কয়েকজনের সঙ্গে আবদুর শুক্কুরের ঝগড়া হয়। এরপর তিনি বাড়িতে ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত দেড়টার দিকে অজ্ঞাতনামা একটি নম্বর থেকে ফোনকল পেয়ে তিনি বাইরে বের হন। পরে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার পর লাশ অদূরে ধানের জমিতে ফেলে দেওয়া হয়। দুই দিন পর ধানের জমি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে আটজনকে আসামি করা হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে