নোয়াখালী ও সুবর্ণচর প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে ঢুকে মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আবুল খায়ের মুন্সিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে সদর উপজেলার কাদির হানিফ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুন্সি মেম্বারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের একটি দল।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী (৩০) বাদী হয়ে গ্রেপ্তার আবুল খায়ের মুন্সিকে প্রধান আসামি, আরও একজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয়া সেন বলেন, গ্রেপ্তারের পর তাঁকে (আবুল খায়ের মুন্সি) সদর থেকে চরজব্বার থানায় আনা হবে এবং পরবর্তীতে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
এদিকে সংগঠনবিরোধী কাজে জড়িত হওয়ায় সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আবুল খায়ের মুন্সির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হানিফ চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ব্যক্তিগত কাজে দেশের বাইরে রয়েছেন। সংগঠনের অন্য নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। যেহেতু মুন্সি মেম্বার সংগঠনবিরোধী কাজ করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে, সেহেতু আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম থেকে তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সংগঠন থেকে তা কার্যকর করা হবে।
মামলার বাদী ওই নারী অভিযোগ করেন, রাতে ঘরে হঠাৎ করে আলো জ্বলে উঠলে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। তিনি কে-কে বলে উঠলে তাঁর মুখ চেপে ধরে ওড়না দিয়ে মুখ, হাত-পা বেঁধে ফেলেন মুন্সি মেম্বার ও তাঁর এক সহযোগী। পরে তাঁরা পায়ের বাঁধন খুলে দিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় অপর একজন পাশের কক্ষে গিয়ে তাঁর বড় মেয়েকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর তাঁরা বেরিয়ে যাওয়ার সময় স্বর্ণ ও নগদ টাকা নিয়ে যান।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে ঢুকে মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আবুল খায়ের মুন্সিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে সদর উপজেলার কাদির হানিফ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুন্সি মেম্বারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের একটি দল।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী (৩০) বাদী হয়ে গ্রেপ্তার আবুল খায়ের মুন্সিকে প্রধান আসামি, আরও একজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয়া সেন বলেন, গ্রেপ্তারের পর তাঁকে (আবুল খায়ের মুন্সি) সদর থেকে চরজব্বার থানায় আনা হবে এবং পরবর্তীতে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
এদিকে সংগঠনবিরোধী কাজে জড়িত হওয়ায় সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আবুল খায়ের মুন্সির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হানিফ চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ব্যক্তিগত কাজে দেশের বাইরে রয়েছেন। সংগঠনের অন্য নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। যেহেতু মুন্সি মেম্বার সংগঠনবিরোধী কাজ করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে, সেহেতু আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম থেকে তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সংগঠন থেকে তা কার্যকর করা হবে।
মামলার বাদী ওই নারী অভিযোগ করেন, রাতে ঘরে হঠাৎ করে আলো জ্বলে উঠলে তাঁর ঘুম ভেঙে যায়। তিনি কে-কে বলে উঠলে তাঁর মুখ চেপে ধরে ওড়না দিয়ে মুখ, হাত-পা বেঁধে ফেলেন মুন্সি মেম্বার ও তাঁর এক সহযোগী। পরে তাঁরা পায়ের বাঁধন খুলে দিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় অপর একজন পাশের কক্ষে গিয়ে তাঁর বড় মেয়েকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর তাঁরা বেরিয়ে যাওয়ার সময় স্বর্ণ ও নগদ টাকা নিয়ে যান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে