রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় আলোচিত জিল্লুর রহমান ভান্ডারি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. কামালকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বুধবার ভোররাতে র্যাব-৭-এর একটি দল খাগড়াছড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে রাঙ্গুনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আটক কামাল উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গোদারপাড় এলাকার আমিনুল হকের ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, আসামি মো. কামাল পেশায় একজন গাড়িচালক। জিল্লুর ভান্ডারি হত্যা মামলায় কারাগারে গিয়ে ২০১৭ সালে জামিনে আসেন। জামিন নিয়ে এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা চালানো শুরু করলেও মামলার রায় ঘোষণার পর অন্যত্র পালিয়ে যান। পালিয়ে থাকাকালীন তিনি নিজেকে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত করেন। সর্বশেষ তিনি সাজেকের একটি রেস্তোরাঁয় ওয়েটারের কাজ নেন। সেখান থেকে অন্য একটি কাজের সন্ধানে খাগড়াছড়ি এলাকায় অবস্থান করলে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজার পরোয়ানা, ডাকাতি, অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা, চুরিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া কামালের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানা, পার্বত্য জেলা রাঙামাটির কাউখালী থানায় মাদক মামলাসহ একাধিক বন মামলা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি রাঙ্গুনিয়ার রাণীরহাট প্রাথমিক বিদ্যালয় গেটের সামনে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী জিল্লুর ভান্ডারিকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় জিল্লুর ভান্ডারির ছোট ভাই মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও চার-পাঁচজন অজ্ঞাতের বিরুদ্ধে রাঙ্গুনিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সেই মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে দুজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব মিলকী বলেন, র্যাব-৭ তাঁকে গ্রেপ্তার করে বুধবার বিকেলের দিকে রাঙ্গুনিয়া থানায় হস্তান্তর করে। তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় আলোচিত জিল্লুর রহমান ভান্ডারি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. কামালকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বুধবার ভোররাতে র্যাব-৭-এর একটি দল খাগড়াছড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে রাঙ্গুনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আটক কামাল উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গোদারপাড় এলাকার আমিনুল হকের ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, আসামি মো. কামাল পেশায় একজন গাড়িচালক। জিল্লুর ভান্ডারি হত্যা মামলায় কারাগারে গিয়ে ২০১৭ সালে জামিনে আসেন। জামিন নিয়ে এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা চালানো শুরু করলেও মামলার রায় ঘোষণার পর অন্যত্র পালিয়ে যান। পালিয়ে থাকাকালীন তিনি নিজেকে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত করেন। সর্বশেষ তিনি সাজেকের একটি রেস্তোরাঁয় ওয়েটারের কাজ নেন। সেখান থেকে অন্য একটি কাজের সন্ধানে খাগড়াছড়ি এলাকায় অবস্থান করলে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজার পরোয়ানা, ডাকাতি, অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা, চুরিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া কামালের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানা, পার্বত্য জেলা রাঙামাটির কাউখালী থানায় মাদক মামলাসহ একাধিক বন মামলা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি রাঙ্গুনিয়ার রাণীরহাট প্রাথমিক বিদ্যালয় গেটের সামনে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী জিল্লুর ভান্ডারিকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় জিল্লুর ভান্ডারির ছোট ভাই মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও চার-পাঁচজন অজ্ঞাতের বিরুদ্ধে রাঙ্গুনিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সেই মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে দুজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
এ বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব মিলকী বলেন, র্যাব-৭ তাঁকে গ্রেপ্তার করে বুধবার বিকেলের দিকে রাঙ্গুনিয়া থানায় হস্তান্তর করে। তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে