নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে টানা ১৬ বছর ধরে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে রয়েছেন প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ। তাঁকে ঘিরে নানা আলোচনা সমালোচনা রয়েছে। তাঁর পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী সাধারণ নাগরিক সমাজ ব্যানারে একদল নগরবাসী। পদত্যাগ না করলে হেনস্তার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার বেলা ১২টায় নগরীর চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি কার্যালয়ে বিক্ষোভ করা হয়। বিক্ষোভ থেকে পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পদত্যাগের পাশাপাশি ১৭ দফা দাবিও উত্থাপন করা হয়েছে।
ভোক্তাদের জাতীয় সংগঠন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন এবং চট্টগ্রাম নগর কমিটির নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘স্বৈরশাসক খুনি হাসিনা সরকারের খুব আপনজনদের একজন আপনি। সুতরাং আমরা চাই স্বৈরশাসকের অনুসারীরা এ রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকবে না। তাই অতিসত্বর চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি থেকে পদত্যাগ করুন। এ স্বৈরশাসকের শাসনামলে নানা লুটপাট থেকে শুরু করে নৈরাজ্যের মাধ্যমে...এটা জাতির কাছে স্পষ্ট এবং দৃশ্যমান। স্বৈরশাসকের কোনো দোসরকে এ পদে রাখব না।’
এমডি প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ দাবি করে বলেন, ‘আমি কোনো স্বৈরশাসকের দোসর না। তাঁদের কারও সঙ্গে আমার যোগাযোগও ছিল না।’
এ সময় বিক্ষোভকারীদের একজন বলেন, ‘তাহলে আপনার বিগত ১৬ বছর ধরে এ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কে দিয়েছে?’ তখন এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেন, ‘বোর্ড থেকে দেওয়া হয়েছে।’ তখন আবারও তাঁরা স্বৈরশাসকের দোসর বলে স্লোগান দিতে থাকে ‘দফা এক দাবি এক; এমডির পদত্যাগ’।
ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেন, ‘আমি সরকার নিযুক্ত লোক; কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব না। আজকে মানুষদের কথায় চলে গেলাম। তখন সরকার আমার থেকে জানতে চাইবে আমি গেলাম কেন?’ পরে বিক্ষোভকারীরা এমডিকে তাঁর পদ থেকে নিজ উদ্যোগে সরে যেতে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন।
বিক্ষোভকারীরা বৈষম্যবিরোধী সাধারণ নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এমডি ফজলুল্লাহ’র আয়কর বিবরণী ২০০৯-২০২৪ এবং সম্পদ বিবরণী জনসম্মুখে প্রকাশ, ফজলুল্লাহর ভ্রমণ বিল (২০০৯-২০২৪) এর পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা ও অবিলম্বে স্বৈরচারী সরকারের পোষ্যদের নিয়ে গঠিত বোর্ড বাতিল করাসহ ১৭ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
তথ্যমতে, ২০০৯ সালের ওয়াসার বোর্ড চেয়ারম্যান হিসাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান। এরপর ২০১১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবে খাঁটিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ড গঠন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদ তৈরি হলে প্রথম দফায় তিন মাসের জন্য এমডির দায়িত্ব পান তিনি। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন একটানা।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে টানা ১৬ বছর ধরে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে রয়েছেন প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ। তাঁকে ঘিরে নানা আলোচনা সমালোচনা রয়েছে। তাঁর পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী সাধারণ নাগরিক সমাজ ব্যানারে একদল নগরবাসী। পদত্যাগ না করলে হেনস্তার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার বেলা ১২টায় নগরীর চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি কার্যালয়ে বিক্ষোভ করা হয়। বিক্ষোভ থেকে পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পদত্যাগের পাশাপাশি ১৭ দফা দাবিও উত্থাপন করা হয়েছে।
ভোক্তাদের জাতীয় সংগঠন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন এবং চট্টগ্রাম নগর কমিটির নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘স্বৈরশাসক খুনি হাসিনা সরকারের খুব আপনজনদের একজন আপনি। সুতরাং আমরা চাই স্বৈরশাসকের অনুসারীরা এ রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকবে না। তাই অতিসত্বর চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি থেকে পদত্যাগ করুন। এ স্বৈরশাসকের শাসনামলে নানা লুটপাট থেকে শুরু করে নৈরাজ্যের মাধ্যমে...এটা জাতির কাছে স্পষ্ট এবং দৃশ্যমান। স্বৈরশাসকের কোনো দোসরকে এ পদে রাখব না।’
এমডি প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ দাবি করে বলেন, ‘আমি কোনো স্বৈরশাসকের দোসর না। তাঁদের কারও সঙ্গে আমার যোগাযোগও ছিল না।’
এ সময় বিক্ষোভকারীদের একজন বলেন, ‘তাহলে আপনার বিগত ১৬ বছর ধরে এ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কে দিয়েছে?’ তখন এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেন, ‘বোর্ড থেকে দেওয়া হয়েছে।’ তখন আবারও তাঁরা স্বৈরশাসকের দোসর বলে স্লোগান দিতে থাকে ‘দফা এক দাবি এক; এমডির পদত্যাগ’।
ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেন, ‘আমি সরকার নিযুক্ত লোক; কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব না। আজকে মানুষদের কথায় চলে গেলাম। তখন সরকার আমার থেকে জানতে চাইবে আমি গেলাম কেন?’ পরে বিক্ষোভকারীরা এমডিকে তাঁর পদ থেকে নিজ উদ্যোগে সরে যেতে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন।
বিক্ষোভকারীরা বৈষম্যবিরোধী সাধারণ নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এমডি ফজলুল্লাহ’র আয়কর বিবরণী ২০০৯-২০২৪ এবং সম্পদ বিবরণী জনসম্মুখে প্রকাশ, ফজলুল্লাহর ভ্রমণ বিল (২০০৯-২০২৪) এর পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা ও অবিলম্বে স্বৈরচারী সরকারের পোষ্যদের নিয়ে গঠিত বোর্ড বাতিল করাসহ ১৭ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
তথ্যমতে, ২০০৯ সালের ওয়াসার বোর্ড চেয়ারম্যান হিসাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান। এরপর ২০১১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবে খাঁটিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ড গঠন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদ তৈরি হলে প্রথম দফায় তিন মাসের জন্য এমডির দায়িত্ব পান তিনি। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন একটানা।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
৫ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
৭ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
৯ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
৪৩ মিনিট আগে