তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

শীত সামনে রেখে আগাম শাক-সবজি চাষে ব্যস্ত কুমিল্লার তিতাস উপজেলার কৃষকেরা। ইতিমধ্যে উপজেলার বাজারগুলোতে উঠতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। তবে বাজারে শাক-সবজির দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষকেরা। ফলে চড়া দামে চারা কিনতে হলেও বেশি দাম পাওয়ার আশায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ৪৫০ হেক্টর জমিতে টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, পালংশাক, বেগুন, শিম, বরবটিসহ বিভিন্ন শাক-সবজির আবাদ হয়েছে।
উপজেলার ইউসুফপুর, গাজীপুর, ঐশারচর ও কদমতলী গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা শীতের সবজিখেতে কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন, কেউ কীটনাশক দিচ্ছেন। বেড়ে উঠছে শাক-সবজির চারা। অনেকেই ইতিমধ্যে মুলা, মুলা শাক, লাউ ও লালশাক বিক্রি শুরু করেছেন।
কদমতলী গ্রামের বাসিন্দা কৃষক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গত বছর ৪ হাজার ফুলকপির চারা কিনেছি ১ হাজার ৪০০ টাকায়। এ বছর এক হাজার চারার দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা। ৪ হাজার চারা কিনেছি ৭ হাজার ২০০ টাকা দিয়ে।’
আলমগীর আরও বলেন, ‘প্রতিবছর তিন-চার কানি জমিতে সবজি চাষ করতাম। এ বছর সার ও বীজের দাম বেশি হওয়ায় ৩১ শতক জমিতে ফুলকপি চাষ করেছি। তবে বাজারে এ বছর সবজির দাম অনেক বেশি। আশা করি চাষাবাদের খরচ উঠবে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন বলেন, এ বছর শীতের শাকসবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে টমেটো ৫৬ হেক্টর, লাউ ৪৬ হেক্টর, লালশাক ৪৬ হেক্টর, মুলা ৩৭ হেক্টর, বেগুন ২৮ হেক্টর ও শিম ৪৫ হেক্টর। এ ছাড়া ১৯২ হেক্টর জমিতে অন্যান্য শাকসবজির আবাদ করা হয়েছে।
‘তবে মাঠ পর্যায়ে শাক-সবজি চাষের ওপর কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আমরা সহযোগিতা করে আসছি। যাঁরা বসতবাড়িতে শাক-সবজি চাষ করেন, তাঁদের আমরা সার, বীজসহ আনুষঙ্গিক সহযোগিতা দিচ্ছি।’ যুক্ত করেন এই কর্মকর্তা।

শীত সামনে রেখে আগাম শাক-সবজি চাষে ব্যস্ত কুমিল্লার তিতাস উপজেলার কৃষকেরা। ইতিমধ্যে উপজেলার বাজারগুলোতে উঠতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। তবে বাজারে শাক-সবজির দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষকেরা। ফলে চড়া দামে চারা কিনতে হলেও বেশি দাম পাওয়ার আশায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ৪৫০ হেক্টর জমিতে টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, পালংশাক, বেগুন, শিম, বরবটিসহ বিভিন্ন শাক-সবজির আবাদ হয়েছে।
উপজেলার ইউসুফপুর, গাজীপুর, ঐশারচর ও কদমতলী গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা শীতের সবজিখেতে কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন, কেউ কীটনাশক দিচ্ছেন। বেড়ে উঠছে শাক-সবজির চারা। অনেকেই ইতিমধ্যে মুলা, মুলা শাক, লাউ ও লালশাক বিক্রি শুরু করেছেন।
কদমতলী গ্রামের বাসিন্দা কৃষক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গত বছর ৪ হাজার ফুলকপির চারা কিনেছি ১ হাজার ৪০০ টাকায়। এ বছর এক হাজার চারার দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা। ৪ হাজার চারা কিনেছি ৭ হাজার ২০০ টাকা দিয়ে।’
আলমগীর আরও বলেন, ‘প্রতিবছর তিন-চার কানি জমিতে সবজি চাষ করতাম। এ বছর সার ও বীজের দাম বেশি হওয়ায় ৩১ শতক জমিতে ফুলকপি চাষ করেছি। তবে বাজারে এ বছর সবজির দাম অনেক বেশি। আশা করি চাষাবাদের খরচ উঠবে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন বলেন, এ বছর শীতের শাকসবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে টমেটো ৫৬ হেক্টর, লাউ ৪৬ হেক্টর, লালশাক ৪৬ হেক্টর, মুলা ৩৭ হেক্টর, বেগুন ২৮ হেক্টর ও শিম ৪৫ হেক্টর। এ ছাড়া ১৯২ হেক্টর জমিতে অন্যান্য শাকসবজির আবাদ করা হয়েছে।
‘তবে মাঠ পর্যায়ে শাক-সবজি চাষের ওপর কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আমরা সহযোগিতা করে আসছি। যাঁরা বসতবাড়িতে শাক-সবজি চাষ করেন, তাঁদের আমরা সার, বীজসহ আনুষঙ্গিক সহযোগিতা দিচ্ছি।’ যুক্ত করেন এই কর্মকর্তা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৫ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে