কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তাকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা পরিষদ গেটে এ মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ম. রাশিদুল হক।
ভুক্তভোগী হলেন—উপজেলা মেরিন ফিসারিজ কর্মকর্তা মো. হোজ্জাতুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হলেন—উপজেলার পরৈকোডা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল শুক্কুর।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মুদি দোকানি আবদুল আজিজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সোমবার বিকেলে মৎস্য কর্মকর্তা উপজেলা গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় ইউপি সদস্য তাঁকে থামায়। পরে হঠাৎ চড়-থাপ্পড় মারা শুরু করে। পরে লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় ইউপি সদস্য অশ্লীল ভাষায় গালমন্দও করে।’
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মৎস্য কর্মকর্তা মো. হোজ্জাতুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইউপি সদস্য আবদুল শুক্কুর কিছুদিন আগে কয়েকজন লোক নিয়ে আমার কাছে আসে তাদেরকে মৎস্যজীবী কার্ড করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তারা পেশায় কেউ মৎস্যজীবী নয়, সবাই সিএনজি অটোরিকশা চালক। তাই আমি তাদেরকে মৎস্যজীবী কার্ড দিতে অপারগতা জানালে, ইউপি সদস্য আবদুল শুক্কুর আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সোমবার আমি অফিস থেকে বের হওয়ার পর উপজেলা গেটে আমার ওপর হামলা করে। এ ঘটনায় আমি আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আবদুল শুক্কুর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার এলাকার কিছু মৎস্যজীবীকে সহায়তা দেওয়ার জন্য মৎস্য কর্মকর্তাকে বলি। তখন তিনি আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। ওই ঘটনা নিয়ে সোমবার উভয়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়।’
এ বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইশতিয়াক ইমন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলা কখনো কাম্য নয়। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তাকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা পরিষদ গেটে এ মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ম. রাশিদুল হক।
ভুক্তভোগী হলেন—উপজেলা মেরিন ফিসারিজ কর্মকর্তা মো. হোজ্জাতুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হলেন—উপজেলার পরৈকোডা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল শুক্কুর।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মুদি দোকানি আবদুল আজিজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সোমবার বিকেলে মৎস্য কর্মকর্তা উপজেলা গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় ইউপি সদস্য তাঁকে থামায়। পরে হঠাৎ চড়-থাপ্পড় মারা শুরু করে। পরে লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় ইউপি সদস্য অশ্লীল ভাষায় গালমন্দও করে।’
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মৎস্য কর্মকর্তা মো. হোজ্জাতুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ইউপি সদস্য আবদুল শুক্কুর কিছুদিন আগে কয়েকজন লোক নিয়ে আমার কাছে আসে তাদেরকে মৎস্যজীবী কার্ড করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তারা পেশায় কেউ মৎস্যজীবী নয়, সবাই সিএনজি অটোরিকশা চালক। তাই আমি তাদেরকে মৎস্যজীবী কার্ড দিতে অপারগতা জানালে, ইউপি সদস্য আবদুল শুক্কুর আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সোমবার আমি অফিস থেকে বের হওয়ার পর উপজেলা গেটে আমার ওপর হামলা করে। এ ঘটনায় আমি আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আবদুল শুক্কুর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার এলাকার কিছু মৎস্যজীবীকে সহায়তা দেওয়ার জন্য মৎস্য কর্মকর্তাকে বলি। তখন তিনি আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন। ওই ঘটনা নিয়ে সোমবার উভয়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়।’
এ বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইশতিয়াক ইমন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলা কখনো কাম্য নয়। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
৬ মিনিট আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
১০ মিনিট আগে
কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে