চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর
আব্দুল বাশির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সরকারি দিঘির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু করে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত শহিদুল চেয়ারম্যান তাঁর ৩০ থেকে ৪০ জন লোক দিয়ে উপজেলার বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের কাজলদিঘিতে মাটি কেটে বিক্রি করছিলেন। সে সময় ইউএনও ও রহনপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র তারিক আহমদ বাধা দিলে মাটি কাটা বন্ধ হয়। তার কিছুদিন যেতে না যেতেই ৩ মে থেকে তিনি (শহিদুল ইসলাম) ও তাঁর ভাতিজা জুনায়েতুল ইসলাম জিম ভেকু দিয়ে মাটি কেটে বিক্রি করেন। এ ছাড়া গত শুক্রবার (৯ মে) রাত ৯টা থেকে আবার মাটি কাটা শুরু করেছেন। সহযোগী হিসেবে শ্রমিক লীগ ও যুবদলের নেতাও রয়েছেন। সরকারি দিঘিটির মাটি কাটা নিয়ে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে তাঁদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমি নিজেসহ আরও চার-পাঁচজন ইউএনওকে ফোন দিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করার জন্য বলি। তাতে কোনো কাজ হচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাঁরা টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেই সরকারি দিঘির মাটি কেটে বাইরে বিক্রি করছেন। এখানে দুটি ভেকুতে শহিদুল চেয়ারম্যান ও তাঁর ভাতিজা জুনায়েতুল ইসলাম জিম এবং বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি সাহেব আলী ও বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন মাটি কাটছেন। তাঁরা খুব ক্ষমতাশালী। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই হামলা-মামলার শিকার হতে হয়। এই মাটি মান্নান ঠিকাদারসহ বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। আগে দিনে কাটা হচ্ছিল। এখন রাতের আঁধারে কাটছেন।’
জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রহনপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র তারিক আহমদ বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি। এতে কিছুদিন মাটি কাটা বন্ধ ছিল, আবার তাঁরা মাটি কাটা শুরু করেছে।’
এ বিষয়ে কথা বলতে বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাঁর ভাতিজা জুনায়েতুল ইসলাম জিম বলেন, ‘আমি মাটি কাটছি না। এটা মান্নান ঠিকাদার কাটছে।’
জানতে চাইলে ঠিকাদার আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমি মাটি কাটছি—এটা যদি কেউ বলে থাকে, সেটা মিথ্যা বলেছে। আমি ৪০০ টাকা সিএফটি মাটি কিনে সরকারি রাস্তার কাজে লাগাচ্ছি। এ ছাড়া আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি বাইরে মাটি বিক্রি করে তার দায়ভার আমি নেব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এক সপ্তাহ থেকে আমার রাস্তার সাইটে তারা মাটি দিচ্ছে না। এখন তারা মাটি কাটছে কি-না তাও আমি জানি না।’
গোমস্তাপুরের ইউএনও জাকির মুন্সী বলেন, ‘এই উপজেলাতে যোগদান করা আমার এক দিন হলো। আমি মাটি কাটার বিষয়টি জানতাম না। এখনই চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ইকতেখারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সরকারি দিঘি থেকে মাটি কেটে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি খোঁজখবর করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সরকারি দিঘির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু করে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত শহিদুল চেয়ারম্যান তাঁর ৩০ থেকে ৪০ জন লোক দিয়ে উপজেলার বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের কাজলদিঘিতে মাটি কেটে বিক্রি করছিলেন। সে সময় ইউএনও ও রহনপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র তারিক আহমদ বাধা দিলে মাটি কাটা বন্ধ হয়। তার কিছুদিন যেতে না যেতেই ৩ মে থেকে তিনি (শহিদুল ইসলাম) ও তাঁর ভাতিজা জুনায়েতুল ইসলাম জিম ভেকু দিয়ে মাটি কেটে বিক্রি করেন। এ ছাড়া গত শুক্রবার (৯ মে) রাত ৯টা থেকে আবার মাটি কাটা শুরু করেছেন। সহযোগী হিসেবে শ্রমিক লীগ ও যুবদলের নেতাও রয়েছেন। সরকারি দিঘিটির মাটি কাটা নিয়ে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে তাঁদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমি নিজেসহ আরও চার-পাঁচজন ইউএনওকে ফোন দিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করার জন্য বলি। তাতে কোনো কাজ হচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাঁরা টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেই সরকারি দিঘির মাটি কেটে বাইরে বিক্রি করছেন। এখানে দুটি ভেকুতে শহিদুল চেয়ারম্যান ও তাঁর ভাতিজা জুনায়েতুল ইসলাম জিম এবং বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি সাহেব আলী ও বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন মাটি কাটছেন। তাঁরা খুব ক্ষমতাশালী। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই হামলা-মামলার শিকার হতে হয়। এই মাটি মান্নান ঠিকাদারসহ বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। আগে দিনে কাটা হচ্ছিল। এখন রাতের আঁধারে কাটছেন।’
জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রহনপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র তারিক আহমদ বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি। এতে কিছুদিন মাটি কাটা বন্ধ ছিল, আবার তাঁরা মাটি কাটা শুরু করেছে।’
এ বিষয়ে কথা বলতে বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাঁর ভাতিজা জুনায়েতুল ইসলাম জিম বলেন, ‘আমি মাটি কাটছি না। এটা মান্নান ঠিকাদার কাটছে।’
জানতে চাইলে ঠিকাদার আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমি মাটি কাটছি—এটা যদি কেউ বলে থাকে, সেটা মিথ্যা বলেছে। আমি ৪০০ টাকা সিএফটি মাটি কিনে সরকারি রাস্তার কাজে লাগাচ্ছি। এ ছাড়া আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি বাইরে মাটি বিক্রি করে তার দায়ভার আমি নেব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এক সপ্তাহ থেকে আমার রাস্তার সাইটে তারা মাটি দিচ্ছে না। এখন তারা মাটি কাটছে কি-না তাও আমি জানি না।’
গোমস্তাপুরের ইউএনও জাকির মুন্সী বলেন, ‘এই উপজেলাতে যোগদান করা আমার এক দিন হলো। আমি মাটি কাটার বিষয়টি জানতাম না। এখনই চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ইকতেখারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সরকারি দিঘি থেকে মাটি কেটে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি খোঁজখবর করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী রেলস্টেশনের আউটার দেউলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৪ মিনিট আগে
অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ২০২৬—২০৫০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
৯ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১ সালের ইতিহাস মুছে ফেলা হবে কিংবা ‘বিসমিল্লাহ’ বাদ দেওয়া হবে—এমন প্রচারণার কোনো ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোটসংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
১০ মিনিট আগে
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নে সড়কে গাছ ফেলে একটি ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোর পৌনে ৫টার দিকে ভবানীপুর এলাকার তেঁতুলতলা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
১৮ মিনিট আগে