চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় পেট্রলপাম্প কর্তৃপক্ষ বাকিতে তেল দিচ্ছে না। তাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রায় তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। তাতে দুর্ভোগে পড়েছেন রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা।
এদিকে যাদের সামর্থ্য আছে, তারা বেশি টাকা খরচ করে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করছে। যাদের সামর্থ্য নেই, তারা গুরুতর হলেও এ হাসপাতালেই চিকিৎসা সেবা নিতে বাধ্য হচ্ছে।
এ এলাকার প্রায় ৭ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসা শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সব মিলিয়ে প্রতিদিন ৪৫০ থেকে ৫০০ রোগী এখানে চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। ১০০ শয্যার হাসপাতালটিতে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় প্রতিদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও ঢাকায় রোগী পাঠানো হয়।
হাসপাতালের চিকিৎসার মান নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনেরা। তাঁরা বলছেন হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দেওয়া হলেও অন্য কোনো ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে না। তা ছাড়া আউটডোরে চিকিৎসকের অভাবে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন গর্ভবতী নারী ও সাধারণ মানুষ।
সীমান্তবর্তী সাহাপাড়া এলাকার গর্ভবতী নারী ইয়াসমিন খাতুন বলেন, প্রায় ১৫ কিলোমিটার অটোরিকশায় হাসপাতালে এসে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যান তিনি। তাঁর অভিযোগ, লাইনে মাত্র ১০ রোগী থাকলেও চিকিৎসক সেবা না দিয়েই চেম্বার ত্যাগ করলেন। বারবার বলার পরও চিকিৎসা দিতে রাজি করানো গেল না।
স্থানীয় যুবক রনি মিয়া বলেন, প্রায় তিন মাস ধরে হাসপাতালের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটি বন্ধ রয়েছে। গ্যারেজবন্দী রাখা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স। তাতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের।
ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শাশুড়িকে নিয়ে দুদিন ধরে হাসপাতালে অবস্থান করছেন আমেনা খাতুন। তাঁর অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে স্যালাইন ছাড়া আর কোনো ওষুধ দেওয়া হয় না। সব ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়েছে।
চিকিৎসক সংকট ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা দ্রুত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানান হাসপাতালের এই কর্মকর্তা। তাঁর দাবি, দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়রা খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত ৪ নভেম্বর থেকে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ না পেলে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা সম্ভব হবে না। পর্যাপ্ত ওষুধসহ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন তাঁরা।

বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় পেট্রলপাম্প কর্তৃপক্ষ বাকিতে তেল দিচ্ছে না। তাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রায় তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। তাতে দুর্ভোগে পড়েছেন রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা।
এদিকে যাদের সামর্থ্য আছে, তারা বেশি টাকা খরচ করে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করছে। যাদের সামর্থ্য নেই, তারা গুরুতর হলেও এ হাসপাতালেই চিকিৎসা সেবা নিতে বাধ্য হচ্ছে।
এ এলাকার প্রায় ৭ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসা শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সব মিলিয়ে প্রতিদিন ৪৫০ থেকে ৫০০ রোগী এখানে চিকিৎসাসেবা নিতে আসে। ১০০ শয্যার হাসপাতালটিতে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় প্রতিদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও ঢাকায় রোগী পাঠানো হয়।
হাসপাতালের চিকিৎসার মান নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনেরা। তাঁরা বলছেন হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দেওয়া হলেও অন্য কোনো ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে না। তা ছাড়া আউটডোরে চিকিৎসকের অভাবে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন গর্ভবতী নারী ও সাধারণ মানুষ।
সীমান্তবর্তী সাহাপাড়া এলাকার গর্ভবতী নারী ইয়াসমিন খাতুন বলেন, প্রায় ১৫ কিলোমিটার অটোরিকশায় হাসপাতালে এসে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যান তিনি। তাঁর অভিযোগ, লাইনে মাত্র ১০ রোগী থাকলেও চিকিৎসক সেবা না দিয়েই চেম্বার ত্যাগ করলেন। বারবার বলার পরও চিকিৎসা দিতে রাজি করানো গেল না।
স্থানীয় যুবক রনি মিয়া বলেন, প্রায় তিন মাস ধরে হাসপাতালের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্সটি বন্ধ রয়েছে। গ্যারেজবন্দী রাখা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স। তাতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের।
ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শাশুড়িকে নিয়ে দুদিন ধরে হাসপাতালে অবস্থান করছেন আমেনা খাতুন। তাঁর অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে স্যালাইন ছাড়া আর কোনো ওষুধ দেওয়া হয় না। সব ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়েছে।
চিকিৎসক সংকট ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা দ্রুত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানান হাসপাতালের এই কর্মকর্তা। তাঁর দাবি, দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়রা খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত ৪ নভেম্বর থেকে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ না পেলে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা সম্ভব হবে না। পর্যাপ্ত ওষুধসহ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন তাঁরা।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৩৯ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে