চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আজ বৃহস্পতিবার একটি জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে নাচোল রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মে ৭ নং বিট পুলিশিং এ সভার আয়োজন করে। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাচোল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব আবু তাহের খোকন। গত ২০ নভেম্বর পুলিশের ওপর ককটেল হামলার অভিযোগে পুলিশের করা মামলার আসামি তিনি।
এ নিয়ে উপজেলাজুড়ে চলছে সমালোচনার ঝড়। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, একটি গোষ্ঠী সরকার ও পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই পুলিশের ওপর হামলা মামলার এজাহারনামীয় আসামিকে অতিথি করেছে। তবে এর দায় নিচ্ছেন না কেউই। পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ নেতারা একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ৭ নং বিট পুলিশিংয়ের কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আতোয়ার রহমান বলেন, ‘অনুষ্ঠানটি আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয় নাচোল পৌর কর্তৃপক্ষকে। তারাই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। সেখানে পৌরসভার কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। আবু তাহের খোকন পুলিশের ওপর হামলার মামলার আসামি, এটা আমাদের জানা ছিল না।’
তবে বিএনপি নেতা খোকনকে অতিথি করার কথা অস্বীকার করেছেন নাচোল পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রশিদ খান ঝালু। তিনি বলেন, ‘বিট পুলিশিংয়ের কর্মকর্তা একটি সভা করার জন্য আয়োজন করতে পৌর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলেন। সেখানে আমার কাউন্সিলরেরা উপস্থিত ছিলেন। খোকন উপস্থিত ছিলেন কি না জানা নেই। যদি উপস্থিত থেকে থাকে তাহলে এটি পুলিশের বিষয়।’
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাচোল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদের বলেন, ‘নাচোলে সভা করার জন্য নানা শ্রেণি–পেশার মানুষ আছে। সেখানে বিএনপি নেতা একজন আসামিকে নিয়ে কেন পুলিশের অনুষ্ঠান করতে হবে। তিনি আবার পুলিশের দায়ের করা পুলিশের ওপরই ককটেল হামলার আসামি।’ তিনি বলেন, ‘সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই আবু তাহের খোকনকে অতিথি করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোপাল কুমার। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী থেকে নাচোল গিয়ে আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয় যে, কে আসামি আর কে সুধীজন। স্থানীয় পুলিশ ভালো বলতে পারবে।’
নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমানের কাছে জানতে চাইলে বলেন, ‘আবু তাহের খোকন পুলিশের ওপর ককটেল হামলা মামলার একজন এজাহারনামীয় আসামি। তবে তিনি আদালত থেকে জামিনে আছেন।’
জামিনে থেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা আবু তাহের খোকন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আজ বৃহস্পতিবার একটি জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে নাচোল রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মে ৭ নং বিট পুলিশিং এ সভার আয়োজন করে। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাচোল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব আবু তাহের খোকন। গত ২০ নভেম্বর পুলিশের ওপর ককটেল হামলার অভিযোগে পুলিশের করা মামলার আসামি তিনি।
এ নিয়ে উপজেলাজুড়ে চলছে সমালোচনার ঝড়। আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, একটি গোষ্ঠী সরকার ও পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই পুলিশের ওপর হামলা মামলার এজাহারনামীয় আসামিকে অতিথি করেছে। তবে এর দায় নিচ্ছেন না কেউই। পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ নেতারা একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ৭ নং বিট পুলিশিংয়ের কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আতোয়ার রহমান বলেন, ‘অনুষ্ঠানটি আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয় নাচোল পৌর কর্তৃপক্ষকে। তারাই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। সেখানে পৌরসভার কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। আবু তাহের খোকন পুলিশের ওপর হামলার মামলার আসামি, এটা আমাদের জানা ছিল না।’
তবে বিএনপি নেতা খোকনকে অতিথি করার কথা অস্বীকার করেছেন নাচোল পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রশিদ খান ঝালু। তিনি বলেন, ‘বিট পুলিশিংয়ের কর্মকর্তা একটি সভা করার জন্য আয়োজন করতে পৌর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলেন। সেখানে আমার কাউন্সিলরেরা উপস্থিত ছিলেন। খোকন উপস্থিত ছিলেন কি না জানা নেই। যদি উপস্থিত থেকে থাকে তাহলে এটি পুলিশের বিষয়।’
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাচোল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদের বলেন, ‘নাচোলে সভা করার জন্য নানা শ্রেণি–পেশার মানুষ আছে। সেখানে বিএনপি নেতা একজন আসামিকে নিয়ে কেন পুলিশের অনুষ্ঠান করতে হবে। তিনি আবার পুলিশের দায়ের করা পুলিশের ওপরই ককটেল হামলার আসামি।’ তিনি বলেন, ‘সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই আবু তাহের খোকনকে অতিথি করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোপাল কুমার। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী থেকে নাচোল গিয়ে আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয় যে, কে আসামি আর কে সুধীজন। স্থানীয় পুলিশ ভালো বলতে পারবে।’
নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমানের কাছে জানতে চাইলে বলেন, ‘আবু তাহের খোকন পুলিশের ওপর ককটেল হামলা মামলার একজন এজাহারনামীয় আসামি। তবে তিনি আদালত থেকে জামিনে আছেন।’
জামিনে থেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা আবু তাহের খোকন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে