আব্দুল বাশির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

ভারতের সঙ্গে সীমানা ঘেঁষা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদ। সম্প্রতি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ভারতে ছড়িয়ে পড়ায় সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবু সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে নেই কার্যকর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা—এমন অভিযোগ তুলেছেন সচেতন নাগরিকেরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইমিগ্রেশনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি মেডিকেল টিম থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তেমন কিছু দেখা যায়নি। দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অবস্থান করেও সেখানে কোনো চিকিৎসাকর্মীকে পাওয়া যায়নি। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, একজন সদস্য প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
সেখানে দুটি হেলথ স্ক্রিনিং ডেস্ক থাকলেও তা ছিল কার্যত খালি। ইমিগ্রেশন পুলিশও জানিয়েছে, মেডিকেল টিমের সদস্য দুপুর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন, এরপর চলে যান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সম্প্রতি করোনাভাইরাসের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট—ওমিক্রন এলএফ.৭, এক্সএফজি, জেএন–১ এবং এনবি ১.৮.১—দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এসব ভ্যারিয়েন্ট আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশেও ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাজশাহীতেও করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রয়োজন ছাড়া বিদেশভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে এবং দেশের বিমান ও স্থলবন্দরগুলোতে সতর্কতা বাড়াতে বলেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন বলেন, ‘ঈদের পর থেকে সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে একজন সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল টিম বসানো হয়েছে। তাঁরা ভারতফেরত যাত্রী ও ট্রাকচালকদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করছেন। তবে সেখানে করোনার কিট দিয়ে পরীক্ষার কোনো সুযোগ নেই।’
সরেজমিনে গিয়ে মেডিকেল টিমের কাউকে না পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। রোস্টার অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একজন সদস্য থাকার কথা। কিন্তু কী কারণে ছিল না, সেটা সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘আজ বুধবার দুপুরে সিভিল সার্জন অফিসে সিদ্ধান্ত হলো আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে ভারতফেরত যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে তা রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করতে হবে। সেই তথ্য ই-মেইলের মাধ্যমে প্রতিদিন সিভিল সার্জন অফিসে পাঠানো হবে।

তিনি আরও জানান, গাফিলতি রোধে মেডিকেল টিমে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একজন এবং দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আরেকজন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
সেখানে মনিটরিং না থাকায় অনেক সময় দায়িত্বপ্রাপ্তরা দায়িত্বে অবহেলা করছেন বলেও তিনি স্বীকার করেন।

সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ২৫০–৩০০ পণ্যবাহী ট্রাক যাতায়াত করে। এসব ট্রাকের চালক, সহকারী, খালাসিসহ ৪০০–৫০০ জনের যাতায়াত হয়। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
ভারতের মালদা জেলার চাচোল থানার বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছি, কোনো করোনা পরীক্ষা হয়নি। এখন আবার নিজ দেশে ফিরছি, তবু কোনো পরীক্ষা হচ্ছে না। এটা খুবই উদ্বেগজনক।’
ভারতীয় নাগরিক ঝুমা রানী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইমিগ্রেশনে স্বাস্থ্যবিষয়ক স্ক্রিনিং ডেস্ক আছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে কেউ নেই। মাস্ক বা স্যানিটাইজার ব্যবহার নিয়েও কিছু বলা হচ্ছে না।’
বাংলাদেশি ব্যবসায়ী আব্দুল বাতেন বলেন, ‘সোনামসজিদে স্বাস্থ্য টিম থাকলেও তারা দায়সারা কাজ করছে। ভ্রমণকারী যাত্রী ও ট্রাকচালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।’
সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘ভারতফেরত যাত্রীদের স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে এবং মাস্ক পরার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধি প্রতিদিন সকালে আসেন এবং তাপমাত্রা পরীক্ষা করেন।’

ভারতের সঙ্গে সীমানা ঘেঁষা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদ। সম্প্রতি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ভারতে ছড়িয়ে পড়ায় সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবু সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে নেই কার্যকর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা—এমন অভিযোগ তুলেছেন সচেতন নাগরিকেরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইমিগ্রেশনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি মেডিকেল টিম থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তেমন কিছু দেখা যায়নি। দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অবস্থান করেও সেখানে কোনো চিকিৎসাকর্মীকে পাওয়া যায়নি। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, একজন সদস্য প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
সেখানে দুটি হেলথ স্ক্রিনিং ডেস্ক থাকলেও তা ছিল কার্যত খালি। ইমিগ্রেশন পুলিশও জানিয়েছে, মেডিকেল টিমের সদস্য দুপুর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন, এরপর চলে যান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সম্প্রতি করোনাভাইরাসের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট—ওমিক্রন এলএফ.৭, এক্সএফজি, জেএন–১ এবং এনবি ১.৮.১—দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এসব ভ্যারিয়েন্ট আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশেও ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাজশাহীতেও করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রয়োজন ছাড়া বিদেশভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে এবং দেশের বিমান ও স্থলবন্দরগুলোতে সতর্কতা বাড়াতে বলেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন বলেন, ‘ঈদের পর থেকে সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে একজন সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল টিম বসানো হয়েছে। তাঁরা ভারতফেরত যাত্রী ও ট্রাকচালকদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করছেন। তবে সেখানে করোনার কিট দিয়ে পরীক্ষার কোনো সুযোগ নেই।’
সরেজমিনে গিয়ে মেডিকেল টিমের কাউকে না পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। রোস্টার অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একজন সদস্য থাকার কথা। কিন্তু কী কারণে ছিল না, সেটা সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘আজ বুধবার দুপুরে সিভিল সার্জন অফিসে সিদ্ধান্ত হলো আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে ভারতফেরত যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে তা রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করতে হবে। সেই তথ্য ই-মেইলের মাধ্যমে প্রতিদিন সিভিল সার্জন অফিসে পাঠানো হবে।

তিনি আরও জানান, গাফিলতি রোধে মেডিকেল টিমে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একজন এবং দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আরেকজন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
সেখানে মনিটরিং না থাকায় অনেক সময় দায়িত্বপ্রাপ্তরা দায়িত্বে অবহেলা করছেন বলেও তিনি স্বীকার করেন।

সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ২৫০–৩০০ পণ্যবাহী ট্রাক যাতায়াত করে। এসব ট্রাকের চালক, সহকারী, খালাসিসহ ৪০০–৫০০ জনের যাতায়াত হয়। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
ভারতের মালদা জেলার চাচোল থানার বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছি, কোনো করোনা পরীক্ষা হয়নি। এখন আবার নিজ দেশে ফিরছি, তবু কোনো পরীক্ষা হচ্ছে না। এটা খুবই উদ্বেগজনক।’
ভারতীয় নাগরিক ঝুমা রানী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইমিগ্রেশনে স্বাস্থ্যবিষয়ক স্ক্রিনিং ডেস্ক আছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে কেউ নেই। মাস্ক বা স্যানিটাইজার ব্যবহার নিয়েও কিছু বলা হচ্ছে না।’
বাংলাদেশি ব্যবসায়ী আব্দুল বাতেন বলেন, ‘সোনামসজিদে স্বাস্থ্য টিম থাকলেও তারা দায়সারা কাজ করছে। ভ্রমণকারী যাত্রী ও ট্রাকচালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।’
সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘ভারতফেরত যাত্রীদের স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে এবং মাস্ক পরার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন প্রতিনিধি প্রতিদিন সকালে আসেন এবং তাপমাত্রা পরীক্ষা করেন।’

২১ জানুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপরই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। ফলে সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে ২২ জানুয়ারি সিলেট সফরে আসছেন তারেক রহমান।
৭ মিনিট আগে
ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা ওসমান হাদির হত্যাকারীদের বিচারসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ নিয়ে পঞ্চগড়ে শিক্ষার্থী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৬ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে দাবি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের।
৯ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১ ঘণ্টা আগে