চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার একটি আমবাগানে পিকনিক পার্টিতে হামলা হয়েছে। পিকনিক পার্টির সদস্যদের দাবি, জামায়াত-সমর্থিত কিছু লোক আওয়ামী লীগের সমর্থক ভেবে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার (১৬ মে) রাতে উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের বারোমাসি বাজারের একটি আমবাগানে এ ঘটনা ঘটে। শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন কারিমুল ইসলাম (৩০), সেলিম রেজা (২১), রাসেল (৩৫), মাসুদ রানা (২৫) ও শান্তেজুল ইসলাম (৩৪)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার স্থানীয় একটি বাগানের মালিক মাসুদ তাঁর বন্ধুদের নিয়ে রাতে পিকনিক করছিলেন। রান্না শেষে খাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ঝড়বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়। এ সময় মোটরসাইকেলে এসে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে পাঁচজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘হামলাকারীরা জামায়াতের অনুসারী। আমরা পিকনিক করার জন্য বাগানে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এমন সময় আবহাওয়া খারাপ হলে অন্য একটি নিরাপদ স্থানে পিকনিকের আয়োজন করি। এর আগে আওয়ামী লীগের লোকজন কয়েক দফা ওই স্থানে পিকনিক করেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, আমাদের আওয়ামী লীগের লোক ভেবে হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু আমরা রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নই।’
হামলার শিকার মো. রাসেল আলীর ভাই মো. মিঠুন বলেন, ‘আমার ভাইয়ের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। দেহের বিভিন্ন স্থানে চাকুর আঘাত রয়েছে। এতে দুই জায়গায় ৮টি সেলাই পড়েছে।’ তিনি আরও বলেন, হামলাকারীদের হাতে চায়নিজ কুড়াল, চাকু, লাঠিসোঁটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘হামলার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ওই জায়গায় বেশ কিছুদিন ধরে আওয়ামী লীগের লোকজন পিকনিক করছিল। গতকাল ব্যবসায়ী মাসুদ নামের এক বাগানমালিক রাস্তার পাশের একটি বাগানে পিকনিক করছিলেন। বিদেশ থেকে ফেরত আসায় শ্রমিকেরা তাঁর কাছে পিকনিকের আবদার করেছিল। বৃষ্টির কারণে সেখানে গিয়ে ফাঁকা জায়গায় পিকনিক করে। রান্নাবান্না করে খাওয়ার মুহূর্তে জামায়াতের লোকজন আওয়ামী লীগের লোকজন ভেবে হামলা করেছে। কিন্তু তাঁরা সাধারণ মানুষ। তাঁরা রাজনীতি করেন না। ওই জায়গার লোকজনদের আগে থেকেই তাঁদের টার্গেট ছিল। হামলাকারী তিনজনকে চিনতে পেরেছি। তাঁদের বাড়ি কৃষ্ণানপুর, হারিপাড়া স্কুল, চৌদ্দ মাথা খেঁজুরগাছসহ বিভিন্ন এলাকায়।’
এদিকে চককীর্তি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির রবিউল ইসলাম বলেন, হামলাকারীরা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তাঁর দলের কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ কিংবা মামলা হয়নি বলে শিবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. সাকিল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার একটি আমবাগানে পিকনিক পার্টিতে হামলা হয়েছে। পিকনিক পার্টির সদস্যদের দাবি, জামায়াত-সমর্থিত কিছু লোক আওয়ামী লীগের সমর্থক ভেবে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার (১৬ মে) রাতে উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের বারোমাসি বাজারের একটি আমবাগানে এ ঘটনা ঘটে। শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন কারিমুল ইসলাম (৩০), সেলিম রেজা (২১), রাসেল (৩৫), মাসুদ রানা (২৫) ও শান্তেজুল ইসলাম (৩৪)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার স্থানীয় একটি বাগানের মালিক মাসুদ তাঁর বন্ধুদের নিয়ে রাতে পিকনিক করছিলেন। রান্না শেষে খাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ঝড়বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়। এ সময় মোটরসাইকেলে এসে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে পাঁচজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘হামলাকারীরা জামায়াতের অনুসারী। আমরা পিকনিক করার জন্য বাগানে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এমন সময় আবহাওয়া খারাপ হলে অন্য একটি নিরাপদ স্থানে পিকনিকের আয়োজন করি। এর আগে আওয়ামী লীগের লোকজন কয়েক দফা ওই স্থানে পিকনিক করেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, আমাদের আওয়ামী লীগের লোক ভেবে হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু আমরা রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নই।’
হামলার শিকার মো. রাসেল আলীর ভাই মো. মিঠুন বলেন, ‘আমার ভাইয়ের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। দেহের বিভিন্ন স্থানে চাকুর আঘাত রয়েছে। এতে দুই জায়গায় ৮টি সেলাই পড়েছে।’ তিনি আরও বলেন, হামলাকারীদের হাতে চায়নিজ কুড়াল, চাকু, লাঠিসোঁটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘হামলার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ওই জায়গায় বেশ কিছুদিন ধরে আওয়ামী লীগের লোকজন পিকনিক করছিল। গতকাল ব্যবসায়ী মাসুদ নামের এক বাগানমালিক রাস্তার পাশের একটি বাগানে পিকনিক করছিলেন। বিদেশ থেকে ফেরত আসায় শ্রমিকেরা তাঁর কাছে পিকনিকের আবদার করেছিল। বৃষ্টির কারণে সেখানে গিয়ে ফাঁকা জায়গায় পিকনিক করে। রান্নাবান্না করে খাওয়ার মুহূর্তে জামায়াতের লোকজন আওয়ামী লীগের লোকজন ভেবে হামলা করেছে। কিন্তু তাঁরা সাধারণ মানুষ। তাঁরা রাজনীতি করেন না। ওই জায়গার লোকজনদের আগে থেকেই তাঁদের টার্গেট ছিল। হামলাকারী তিনজনকে চিনতে পেরেছি। তাঁদের বাড়ি কৃষ্ণানপুর, হারিপাড়া স্কুল, চৌদ্দ মাথা খেঁজুরগাছসহ বিভিন্ন এলাকায়।’
এদিকে চককীর্তি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির রবিউল ইসলাম বলেন, হামলাকারীরা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তাঁর দলের কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ কিংবা মামলা হয়নি বলে শিবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. সাকিল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৬ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে