
চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি মডেল মাদ্রাসায় ৯ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে সাকির আলী (২৩) নামের এক শিক্ষককে। সাকির আলী জেলার আল হিদায়াত হিফজুল কুরআন মডেল মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার দুধাই নন্দীপুকুর গ্রামের সেরাজুল ইসলামের ছেলে।
গতকাল বুধবার (১৩ মে) সকালে মাদ্রাসায় এক শিশু শিক্ষার্থীর ওপর ভয়াবহ নির্যাতন চালান তিনি। ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অন্য শিক্ষার্থীদের সামনে শিশুটিকে প্রথমে একটি লাঠি বা স্কেল-জাতীয় বস্তু দিয়ে আঘাত করেন শিক্ষক সাকির আলী। একপর্যায়ে তিনি শিশুটির গলা চেপে ধরে ওপরে তুলে মাটিতে ফেলে দেন। এ সময় শিশুটি কান্না করলেও নির্যাতন চালিয়ে যান শিক্ষক। ভয়ে পাশে থাকা অন্য শিক্ষার্থীরাও এগিয়ে আসতে পারেনি।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও শিক্ষার্থীদের মারধর ও কঠোর আচরণের অভিযোগ ছিল।
এদিকে শিশুটির পরিবার এই ঘটনায় গতকাল রাতে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি একরামুল হোসাইন জানান, মামলা দায়েরের পর পুলিশ রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

ঢাকা ও মানিকগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় খাসজমি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন প্রায় ২৩ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে রয়েছে। এসব জমি উদ্ধারে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েব হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
দাবি করা চাঁদা না দেওয়ায় রফিকুল ইসলাম মানিক (৪০) নামের এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৮ জুন) রাত ১০টার দিকে নগরীর গল্লামারী আইডিয়াল নার্সিং হোম ক্লিনিকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। রাতে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আহত ব্যবসায়ী এম এ বারি সড়কের বাসিন্দা রুস্তম মাঝির ছেল
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ সীমান্তজুড়ে শকুনের মতো ওত পেতে বসে আছে ভারতীয় বিএসএফ। কিছুতেই থামছে না তাদের পুশ ইনের অপচেষ্টা। কিছুদিন ধরে দিনে ও রাতে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার পাল্লাতল, নিউ পাল্লাতল, লাতু, গান্দাইল, বোবারতল ও উত্তর ষাইটঘর সীমান্ত দিয়ে ৩০-৪০ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে বিএসএফ।
৮ ঘণ্টা আগে
তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের গঠিত তদন্ত কমিটি। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সাত দফা সুপারিশও করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যায়
৮ ঘণ্টা আগে