মতলব দক্ষিণ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে টমেটোর দাম ভালো পাওয়ায় কৃষক মো. হারুন মিয়ার মুখে হাসি ফুটেছে। তাঁর মতো ওই গ্রামের শতাধিক কৃষক কয়েক দফা বৃষ্টির কারণে হওয়া ক্ষতি পুষিয়ে ভালো দামে বিষমুক্ত টমেটো বিক্রি করে স্বস্তি পেয়েছেন।
হারুন মিয়া উপাদী উত্তর ইউনিয়নের উপাদী গ্রামের বাসিন্দা। গত অক্টোবরে পৈতৃক দুই একর জমিতে টমেটোর আবাদ করেন। এরপর তিন দফা বৃষ্টিতে টমেটো গাছ, কুঁড়ি ও ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবু ভেঙে পড়েননি। নিয়মিত খেতের পরিচর্যা করেন। এতে টমেটোর ফলন ভালো হয়। গত জানুয়ারি থেকে খেত পাকা ও আধা পাকা টমেটোতে ভরে যায়। টমেটো বিক্রি করে ধারকর্জও শোধ করেছেন। এবার পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে লাভের আশা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার ছয় ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ২৭০ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ করা হয়। টমেটোর আবাদ করা হয় ৫০ হেক্টর জমিতে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৫০০ টন।
সরেজমিনে উপজেলার উপাদী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে মাঠজুড়ে রয়েছে টমেটো খেত। গোটা বিলজুড়েই কাঁচা-পাকা টমেটোর ছড়াছড়ি। পাকা ও আধা পাকা হাজারো টমেটো উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে পুরো খেতে। নিজের টমেটো খেতের পরিচর্যা করছেন কৃষক। কেউ কেউ বিক্রির জন্য পাকা ও আধা পাকা টমেটো তুলছেন। তাঁদের চোখেমুখে স্বস্তি ও তৃপ্তির হাসি।
কৃষক হারুন মিয়া বলেন, ‘কয়েক বছর আগে বিদেশ থেকে দেশে ফিরি। এরপর টমেটোর আবাদে লেগে যাই। এবার কুমিল্লা থেকে চারা এনে পৈতৃক দুই একর জমিতে টমেটোর আবাদ করি। তিন দফা বৃষ্টিতে বেশ কিছু টমেটোখেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবু হাল ছাড়িনি। খেতের পরিচর্যা চালিয়ে যাই। এতে ফলও পাওয়া যায়। এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় টমেটোর বাম্পার ফলন হয়েছে। আমি ছাড়াও আমার গ্রামের শতাধিক কৃষক টমেটোর আবাদ করেছেন।’
হারুন মিয়া আরও বলেন, ‘পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে গত জানুয়ারি থেকে পাকা ও আধা পাকা টমেটো বিক্রি শুরু করেছি। পাইকারি ১৫ টাকা এবং খুচরা ২০ টাকায় প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি করছি। বিষমুক্ত হওয়ায় এবং রং ভালো থাকায় দামও পাওয়া যাচ্ছে ভালো। পরিবহন ও শ্রমিক খরচও তুলনামূলক কম। ক্ষতি পুষিয়ে এখন লাভের আশা করছি।’
কৃষক হান্নান কবিরাজ, শামীম কবিরাজ, ফোরকান মিয়াজী ও বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘টমেটোর ফলন ও রং খুব ভালা অইছে এবার। খেতে ও বাজারে নিয়া বেঁচতাছি। প্রতি মণ টমেটো হাজার টেয়ায় বেঁচতাছি। নিজেরা খাইয়া আত্মীয়-স্বজনগোও দিতাছি। মনডাত খুব শান্তি লাগতাছে। মনে অয়, এইবার সব ঋণ শোধ দিতে পারুম। অভাবও ঘুচব।’
উপাদী গ্রামের দায়িত্বে থাকা উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আয়েত আলীর বলেন, এবার মতলব দক্ষিণ উপজেলায় টমেটোর আশানুরূপ ফলন হয়েছে। টমেটো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দাম ভালো হওয়ায় কৃষকেরাও লাভবান হচ্ছেন। এতে টমেটো চাষে কৃষকদের আগ্রহও বাড়ছে।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে টমেটোর দাম ভালো পাওয়ায় কৃষক মো. হারুন মিয়ার মুখে হাসি ফুটেছে। তাঁর মতো ওই গ্রামের শতাধিক কৃষক কয়েক দফা বৃষ্টির কারণে হওয়া ক্ষতি পুষিয়ে ভালো দামে বিষমুক্ত টমেটো বিক্রি করে স্বস্তি পেয়েছেন।
হারুন মিয়া উপাদী উত্তর ইউনিয়নের উপাদী গ্রামের বাসিন্দা। গত অক্টোবরে পৈতৃক দুই একর জমিতে টমেটোর আবাদ করেন। এরপর তিন দফা বৃষ্টিতে টমেটো গাছ, কুঁড়ি ও ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবু ভেঙে পড়েননি। নিয়মিত খেতের পরিচর্যা করেন। এতে টমেটোর ফলন ভালো হয়। গত জানুয়ারি থেকে খেত পাকা ও আধা পাকা টমেটোতে ভরে যায়। টমেটো বিক্রি করে ধারকর্জও শোধ করেছেন। এবার পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে লাভের আশা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার ছয় ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ২৭০ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ করা হয়। টমেটোর আবাদ করা হয় ৫০ হেক্টর জমিতে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৫০০ টন।
সরেজমিনে উপজেলার উপাদী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে মাঠজুড়ে রয়েছে টমেটো খেত। গোটা বিলজুড়েই কাঁচা-পাকা টমেটোর ছড়াছড়ি। পাকা ও আধা পাকা হাজারো টমেটো উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে পুরো খেতে। নিজের টমেটো খেতের পরিচর্যা করছেন কৃষক। কেউ কেউ বিক্রির জন্য পাকা ও আধা পাকা টমেটো তুলছেন। তাঁদের চোখেমুখে স্বস্তি ও তৃপ্তির হাসি।
কৃষক হারুন মিয়া বলেন, ‘কয়েক বছর আগে বিদেশ থেকে দেশে ফিরি। এরপর টমেটোর আবাদে লেগে যাই। এবার কুমিল্লা থেকে চারা এনে পৈতৃক দুই একর জমিতে টমেটোর আবাদ করি। তিন দফা বৃষ্টিতে বেশ কিছু টমেটোখেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবু হাল ছাড়িনি। খেতের পরিচর্যা চালিয়ে যাই। এতে ফলও পাওয়া যায়। এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় টমেটোর বাম্পার ফলন হয়েছে। আমি ছাড়াও আমার গ্রামের শতাধিক কৃষক টমেটোর আবাদ করেছেন।’
হারুন মিয়া আরও বলেন, ‘পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে গত জানুয়ারি থেকে পাকা ও আধা পাকা টমেটো বিক্রি শুরু করেছি। পাইকারি ১৫ টাকা এবং খুচরা ২০ টাকায় প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি করছি। বিষমুক্ত হওয়ায় এবং রং ভালো থাকায় দামও পাওয়া যাচ্ছে ভালো। পরিবহন ও শ্রমিক খরচও তুলনামূলক কম। ক্ষতি পুষিয়ে এখন লাভের আশা করছি।’
কৃষক হান্নান কবিরাজ, শামীম কবিরাজ, ফোরকান মিয়াজী ও বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘টমেটোর ফলন ও রং খুব ভালা অইছে এবার। খেতে ও বাজারে নিয়া বেঁচতাছি। প্রতি মণ টমেটো হাজার টেয়ায় বেঁচতাছি। নিজেরা খাইয়া আত্মীয়-স্বজনগোও দিতাছি। মনডাত খুব শান্তি লাগতাছে। মনে অয়, এইবার সব ঋণ শোধ দিতে পারুম। অভাবও ঘুচব।’
উপাদী গ্রামের দায়িত্বে থাকা উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আয়েত আলীর বলেন, এবার মতলব দক্ষিণ উপজেলায় টমেটোর আশানুরূপ ফলন হয়েছে। টমেটো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দাম ভালো হওয়ায় কৃষকেরাও লাভবান হচ্ছেন। এতে টমেটো চাষে কৃষকদের আগ্রহও বাড়ছে।

এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
২৪ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে