চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরে কোহিনুর বেগম হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নাজমা আক্তারসহ দুইজনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার চাঁদপুরের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মো. মহসিনুল হক এই রায় দেন। একই সঙ্গে উভয়কে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভিকটিম শহরের রহমতপুর আবাসিক এলাকার প্রবাসী আব্দুল মান্নান খানের স্ত্রী। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নাজমা আক্তার নয়ন (৪২) ওই এলাকার ভুঁইয়া বাড়ির আলমগীর হোসেন ফারুকের স্ত্রী এবং অপর আসামি রফিক ওরফে (দেন্ধা রফিক) একই বাড়ির আবদুর রশিদের ছেলে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রণজিৎ রায় চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মামলাটি আদালতে চলমান অবস্থায় ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আসামিদের অপরাধ স্বীকার, সাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালতে এই রায় দেন। আসামিরা পলাতক ছিলেন। তাদের অনুপস্থিতিতে আদালত এই রায় দেন।’
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, প্রধান আসামি নাজমা আক্তারের কাছ থেকে ভিকটিম কোহিনুর বেগম নগদ পাঁচ লাখ টাকা পাওনা ছিলেন। এই টাকা দীর্ঘদিন না পেয়ে ঘটনার দিন ২০১৫ সালের ২২ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে কোহিনুর টাকার জন্য গেলে নাজমা ও সহযোগী রফিক তাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে এবং হাতুড়ি দিয়ে ফিটিয়ে হত্যা করে।
এই ঘটনায় পরদিন ২৩ আগস্ট চাঁদপুর সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে কোহিনুর বেগমের ভাই আবদুল মালেক মোহন। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ রানা শামীম। তিনি এই ঘটনায় জড়িত আসামি নাজমা আক্তার নয়ন ও রফিককে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেন এবং ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. রফিকুল ইসলাম।
কোহিনুর বেগমের বোন বিউটি বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বোনকে তো আর ফিরে পাওয়া যাবে না। কিন্তু আদালত যে রায় দিয়েছে, তাতে আমার পরিবার ও বোনের স্বামী–সন্তানরা সন্তুষ্ট।’

চাঁদপুরে কোহিনুর বেগম হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নাজমা আক্তারসহ দুইজনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার চাঁদপুরের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মো. মহসিনুল হক এই রায় দেন। একই সঙ্গে উভয়কে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভিকটিম শহরের রহমতপুর আবাসিক এলাকার প্রবাসী আব্দুল মান্নান খানের স্ত্রী। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নাজমা আক্তার নয়ন (৪২) ওই এলাকার ভুঁইয়া বাড়ির আলমগীর হোসেন ফারুকের স্ত্রী এবং অপর আসামি রফিক ওরফে (দেন্ধা রফিক) একই বাড়ির আবদুর রশিদের ছেলে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রণজিৎ রায় চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মামলাটি আদালতে চলমান অবস্থায় ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আসামিদের অপরাধ স্বীকার, সাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালতে এই রায় দেন। আসামিরা পলাতক ছিলেন। তাদের অনুপস্থিতিতে আদালত এই রায় দেন।’
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, প্রধান আসামি নাজমা আক্তারের কাছ থেকে ভিকটিম কোহিনুর বেগম নগদ পাঁচ লাখ টাকা পাওনা ছিলেন। এই টাকা দীর্ঘদিন না পেয়ে ঘটনার দিন ২০১৫ সালের ২২ আগস্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে কোহিনুর টাকার জন্য গেলে নাজমা ও সহযোগী রফিক তাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে এবং হাতুড়ি দিয়ে ফিটিয়ে হত্যা করে।
এই ঘটনায় পরদিন ২৩ আগস্ট চাঁদপুর সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে কোহিনুর বেগমের ভাই আবদুল মালেক মোহন। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ রানা শামীম। তিনি এই ঘটনায় জড়িত আসামি নাজমা আক্তার নয়ন ও রফিককে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেন এবং ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. রফিকুল ইসলাম।
কোহিনুর বেগমের বোন বিউটি বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বোনকে তো আর ফিরে পাওয়া যাবে না। কিন্তু আদালত যে রায় দিয়েছে, তাতে আমার পরিবার ও বোনের স্বামী–সন্তানরা সন্তুষ্ট।’

পুরান ঢাকার ভাটিখানা এলাকা থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে একটি মেস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
মাদারীপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস একটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের ঘটকচর এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
একের পর এক বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের। এবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এক শিক্ষকের টাঙানো ব্যানার খুলে নিজের ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেন রাকসুর এই নেতা।
২ ঘণ্টা আগে
রংপুরের বদরগঞ্জে তিন দিন আগে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দী নারীর লাশের পরিচয় মিলেছে। নিহত নারীর নাম মোছা. রিয়া। তিনি একজন পোশাককর্মী বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। আজ রোববার দুপুরে পুলিশ তাঁর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে