কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার নিচে চাপা পড়ে সাইমন মিয়া (১২) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার কসবা-নয়নপুর সড়কের কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সে পৌর এলাকার কৃষ্ণপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। সাইমন পৌর এলাকার কালিকাপুর নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিলে।
ঘটনার পর সিএনজি চালক পালিয়ে গেলেও সিএনজিটিকে জব্দ করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাইমনের দাদি লাইলী বেগম জানান, আজ বুধবার সকালে মাদ্রাসা থেকে ছুটি পায় সাইমন। দুপুরে পাশের বাড়ির একটি সমবয়সী এক ছেলের সঙ্গে পাশের আকছিনা গ্রামে যাওয়ার উদ্দেশ্য রওনা হয়। কসবা-নয়নপুর সড়ক পাড় হওয়ার সময় নয়নপুরগামী একটি দ্রুতগামী সিএনজি চালিত অটোরিকশা এসে সাইমনকে চাপা দিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।
এ সময় সিএনজি নীচে চাপা পড়ে সাইমনের মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে সঙ্গে ছেলেটি দৌড়ে এসে সাইমনের বাড়িতে খবর দেয়। খবর পেয়ে বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় সাইমনের মস্তিষ্ক বিকৃত নিথর দেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় সাইমনের মা বাদী হয়ে সিএনজি চালকের বিরুদ্ধে কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান।
কসবা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, এ ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার নিচে চাপা পড়ে সাইমন মিয়া (১২) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার কসবা-নয়নপুর সড়কের কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সে পৌর এলাকার কৃষ্ণপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। সাইমন পৌর এলাকার কালিকাপুর নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিলে।
ঘটনার পর সিএনজি চালক পালিয়ে গেলেও সিএনজিটিকে জব্দ করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাইমনের দাদি লাইলী বেগম জানান, আজ বুধবার সকালে মাদ্রাসা থেকে ছুটি পায় সাইমন। দুপুরে পাশের বাড়ির একটি সমবয়সী এক ছেলের সঙ্গে পাশের আকছিনা গ্রামে যাওয়ার উদ্দেশ্য রওনা হয়। কসবা-নয়নপুর সড়ক পাড় হওয়ার সময় নয়নপুরগামী একটি দ্রুতগামী সিএনজি চালিত অটোরিকশা এসে সাইমনকে চাপা দিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।
এ সময় সিএনজি নীচে চাপা পড়ে সাইমনের মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে সঙ্গে ছেলেটি দৌড়ে এসে সাইমনের বাড়িতে খবর দেয়। খবর পেয়ে বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় সাইমনের মস্তিষ্ক বিকৃত নিথর দেহ পড়ে আছে। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় সাইমনের মা বাদী হয়ে সিএনজি চালকের বিরুদ্ধে কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান।
কসবা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, এ ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৮ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪০ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে