বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ায় ঈদের দিন রাতে পুলিশের ওপর ককটেল হামলার ঘটনায় যুবদলের চার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে পাঁচজনের নামে মামলা করেন।
মামলায় গত শনি ও গতকাল রোববার বিভিন্ন স্থান থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে বগুড়া শহরের সুলতানগঞ্জ পাড়ায় (ঘোনপাড়া) এ ঘটনা ঘটে।
ককটেল হামলায় আহতরা হলেন বগুড়ার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রশিদ ও কনস্টেবল মাহবুব হোসেন। তাঁদের দুজনেরই পায়ে ও মুখে জখম হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সাজু হোসেন, রিকি রহমান রুকু, দুলাল হোসেন মন্ডল ও কবির আকন্দ। চারজনের মধ্যে কবির আকন্দ এজাহারভুক্ত এবং অন্য তিনজন সন্দেহভাজন।
বগুড়া শহর যুবদলের আহ্বায়ক আহসান হাবিব মমি জানান, গ্রেপ্তারকৃত চারজনের মধ্যে সাজু হোসেন বগুড়া শহর যুবদলের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যসচিব এবং অন্যরা যুবদলের কর্মী।
তিনি বলেন, সাজুসহ তিনজনের নাম এজাহারে নেই। তারপরও পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁদের এই মামলায় গ্রেপ্তার করেছে।
আহত কনস্টেবল মাহবুব হোসেন জানান, শহরের সুলতানগঞ্জপাড়ার (ঘোনপাড়া) একজন নারী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে জানান তাঁকে আটকে রেখে মারধর করা হচ্ছে। এ খবর পেয়ে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রশিদ তাঁকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় এক যুবক পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁকে আটক করতে গেলে ওই যুবকের সঙ্গে থাকা আরও দুই যুবক পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান।
তাঁদের নিক্ষেপ করা ককটেলের আঘাতে দুই পুলিশ পায়ে ও মুখে জখমপ্রাপ্ত হন। পরে তাঁদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরদিন শুক্রবার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে পাঁচজনের নামে থানায় মামলা করে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বগুড়ায় ঈদের দিন রাতে পুলিশের ওপর ককটেল হামলার ঘটনায় যুবদলের চার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে পাঁচজনের নামে মামলা করেন।
মামলায় গত শনি ও গতকাল রোববার বিভিন্ন স্থান থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে বগুড়া শহরের সুলতানগঞ্জ পাড়ায় (ঘোনপাড়া) এ ঘটনা ঘটে।
ককটেল হামলায় আহতরা হলেন বগুড়ার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রশিদ ও কনস্টেবল মাহবুব হোসেন। তাঁদের দুজনেরই পায়ে ও মুখে জখম হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সাজু হোসেন, রিকি রহমান রুকু, দুলাল হোসেন মন্ডল ও কবির আকন্দ। চারজনের মধ্যে কবির আকন্দ এজাহারভুক্ত এবং অন্য তিনজন সন্দেহভাজন।
বগুড়া শহর যুবদলের আহ্বায়ক আহসান হাবিব মমি জানান, গ্রেপ্তারকৃত চারজনের মধ্যে সাজু হোসেন বগুড়া শহর যুবদলের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যসচিব এবং অন্যরা যুবদলের কর্মী।
তিনি বলেন, সাজুসহ তিনজনের নাম এজাহারে নেই। তারপরও পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁদের এই মামলায় গ্রেপ্তার করেছে।
আহত কনস্টেবল মাহবুব হোসেন জানান, শহরের সুলতানগঞ্জপাড়ার (ঘোনপাড়া) একজন নারী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে জানান তাঁকে আটকে রেখে মারধর করা হচ্ছে। এ খবর পেয়ে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রশিদ তাঁকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় এক যুবক পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁকে আটক করতে গেলে ওই যুবকের সঙ্গে থাকা আরও দুই যুবক পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান।
তাঁদের নিক্ষেপ করা ককটেলের আঘাতে দুই পুলিশ পায়ে ও মুখে জখমপ্রাপ্ত হন। পরে তাঁদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরদিন শুক্রবার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে পাঁচজনের নামে থানায় মামলা করে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে