শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুরে নিখোঁজের ৯ দিন পর অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার শেরপুর-নন্দীগ্রাম আঞ্চলিক সড়কের পাশের বাগড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক (৩৭) উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের গোসাইবাড়ি কলোনি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী মোছা. ফুলমালা বেগম জানান, অটোরিকশা চালিয়ে যা আয় করতেন, তা দিয়েই স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে সংসার চালাতেন আবু বক্কর সিদ্দিক। ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান আবু বক্কর সিদ্দিক, এরপর আর ফেরেননি। পরে তিনি শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
ওই দিন রাতেই উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ঘোগা বটতলা এলাকা থকে পরিত্যক্ত অবস্থায় তাঁর অটোরিকশাটি উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু তাতে ব্যাটারি ছিল না।
শেরপুর থানার এসআই তোফাজ্জল হোসেন স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, আজ মঙ্গলবার সকালে গ্রামের কয়েকটি শিশু বাগড়া এলাকার একটি পুকুর পারে তাল কুড়াতে যায়। তারা পুকুরে একটি লাশ ভাসতে দেখে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন ভিড় জমায়।
সংবাদ পেয়ে শেরপুর থানা-পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। নিহতের স্ত্রী, মামাতো ভাই আবু সাঈদ ও চাচাতো ভাই জাহিদ হোসেন লাশটি শনাক্ত করেন। সব প্রক্রিয়া শেষে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো অপরাধী চক্র অটোরিকশার ব্যাটারি ছিনতাইয়ের জন্য চালককে হত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনাটির সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।’

বগুড়ার শেরপুরে নিখোঁজের ৯ দিন পর অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার শেরপুর-নন্দীগ্রাম আঞ্চলিক সড়কের পাশের বাগড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক (৩৭) উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের গোসাইবাড়ি কলোনি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী মোছা. ফুলমালা বেগম জানান, অটোরিকশা চালিয়ে যা আয় করতেন, তা দিয়েই স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে সংসার চালাতেন আবু বক্কর সিদ্দিক। ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান আবু বক্কর সিদ্দিক, এরপর আর ফেরেননি। পরে তিনি শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
ওই দিন রাতেই উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ঘোগা বটতলা এলাকা থকে পরিত্যক্ত অবস্থায় তাঁর অটোরিকশাটি উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু তাতে ব্যাটারি ছিল না।
শেরপুর থানার এসআই তোফাজ্জল হোসেন স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, আজ মঙ্গলবার সকালে গ্রামের কয়েকটি শিশু বাগড়া এলাকার একটি পুকুর পারে তাল কুড়াতে যায়। তারা পুকুরে একটি লাশ ভাসতে দেখে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন ভিড় জমায়।
সংবাদ পেয়ে শেরপুর থানা-পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। নিহতের স্ত্রী, মামাতো ভাই আবু সাঈদ ও চাচাতো ভাই জাহিদ হোসেন লাশটি শনাক্ত করেন। সব প্রক্রিয়া শেষে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো অপরাধী চক্র অটোরিকশার ব্যাটারি ছিনতাইয়ের জন্য চালককে হত্যা করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনাটির সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে