বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার চিহ্নিত মাদক কারবারি শামীম আহম্মেদ সবুজকে (৩০) হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা এলাকা থেকে বগুড়া ডিবি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তবে হেরোইনের পরিমাণ সম্পর্কে জানা যায়নি।
সবুজ শাজাহানপুর উপজেলার খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের জোকা গ্রামের রবিউল ইসলাম ভোটের ছেলে এবং খোট্টাপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
শাজাহানপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগেও সবুজ ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ র্যাব-১২ বগুড়ার হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তবে এর কিছুদিনের মধ্যেই জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন। এর আগেও পুলিশের হাতে কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন সবুজ। তবে প্রতিবারই গ্রেপ্তারের কিছুদিনের মধ্যেই জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও মাদকের কারবারে নামেন তিনি।
সবুজকে গ্রেপ্তার অভিযানে অংশ নেওয়া বগুড়া ডিবি পুলিশের এসআই আরিফ মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাজশাহীর গোদাগাড়ী থেকে হেরোইন নিয়ে বগুড়ায় ফেরার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নন্দীগ্রাম উপজেলা এলাকা থেকে সবুজকে গ্রেপ্তার করি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। আদালত থেকে কী করে জামিন পায় তা বলতে পারব না।’

পদ্মায় নতুন পানি আসায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় জেলেদের মধ্যেও। নদীতে জাল ফেলে চলছে মাছ ধরার ব্যস্ততা। বিভিন্ন ঘাটে বসেছে অস্থায়ী মাছের বাজার। নদী থেকে ধরে আনা তাজা মাছ কিনতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। চোখের সামনে নদী থেকে তুলে আনা জীবন্ত মাছ দরদাম করে কেনার মধ্যেও আলাদা আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে।
৩৫ মিনিট আগে
চাঁদপুরের আট উপজেলায় ৯২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাগজে-কলমে চিকিৎসক রয়েছেন। অথচ সেসব চিকিৎসক সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সামান্য সেবা পেতেও ছুটতে হচ্ছে উপজেলা কিংবা জেলা সদরে।
৬ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে অবৈধ ড্রেজার ও রুট পারমিটবিহীন বাল্কহেড দিয়ে ভূগর্ভ থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের জরিমানার পরেও উপজেলার ১০ থেকে ১২ জন চিহ্নিত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিক ভূগর্ভ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন ও পরিবহন করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভয়াল গ্রাসে প্রতিনিয়ত ঘরবাড়ি হারাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষেরা। গত ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর আকস্মিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ৮৩টি পরিবারের বসতভিটা। এর মধ্যে ১২টি পরিবারের অন্তত সাতটি টিনের ঘর পুরোপুরি নদীতে তলিয়ে গেছে এবং কয়েকটি ঘরের আংশিক নদীতে চলে গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে