
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান গতকাল রোববার বগুড়া বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী বিমানবাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল এ এস এম ফখরুল ইসলাম ও বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া।
পরিদর্শনের সময় প্রথমে বিমানবাহিনী প্রধান দুস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন। এরপর তিনি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, এই বিমানবন্দরটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত ছিল, তবে বর্তমানে এর সার্বিক অবস্থা সন্তোষজনক।
হাসান মাহমুদ বলেন, বগুড়া অঞ্চলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এই বিমানবন্দর চালু হলে স্থানীয় অর্থনীতি, পর্যটন, পরিবহনব্যবস্থা এবং বিনিয়োগের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
হাসান মাহমুদ জানান, বিমানবন্দরের রানওয়ে ভিভিআইপি ফ্লাইটের বিকল্প। জরুরি অবতরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারযোগ্য, যা উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে বন্যার সময় ত্রাণকার্যক্রম এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করতে এটি একটি কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
বিমানবাহিনী প্রধান আরও জানান, রানওয়ের প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের বিষয়ে চেয়ারম্যান বেবিচকের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা হয়েছে এবং বেবিচক চেয়ারম্যান একমত পোষণ করেছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে রানওয়ের উন্নতি সাধন এবং অভ্যন্তরীণ বিমান উড্ডয়নের জন্য পরবর্তী সময়ে রানওয়ে বর্ধিতকরণের ব্যাপারে বেবিচক ব্যবস্থা নেবে। অতঃপর তিনি বিমানবন্দর এলাকা ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বিমানবাহিনী এবং বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অন্য কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান গতকাল রোববার বগুড়া বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী বিমানবাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল এ এস এম ফখরুল ইসলাম ও বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া।
পরিদর্শনের সময় প্রথমে বিমানবাহিনী প্রধান দুস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন। এরপর তিনি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, এই বিমানবন্দরটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত ছিল, তবে বর্তমানে এর সার্বিক অবস্থা সন্তোষজনক।
হাসান মাহমুদ বলেন, বগুড়া অঞ্চলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এই বিমানবন্দর চালু হলে স্থানীয় অর্থনীতি, পর্যটন, পরিবহনব্যবস্থা এবং বিনিয়োগের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
হাসান মাহমুদ জানান, বিমানবন্দরের রানওয়ে ভিভিআইপি ফ্লাইটের বিকল্প। জরুরি অবতরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারযোগ্য, যা উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে বন্যার সময় ত্রাণকার্যক্রম এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করতে এটি একটি কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
বিমানবাহিনী প্রধান আরও জানান, রানওয়ের প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের বিষয়ে চেয়ারম্যান বেবিচকের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা হয়েছে এবং বেবিচক চেয়ারম্যান একমত পোষণ করেছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে রানওয়ের উন্নতি সাধন এবং অভ্যন্তরীণ বিমান উড্ডয়নের জন্য পরবর্তী সময়ে রানওয়ে বর্ধিতকরণের ব্যাপারে বেবিচক ব্যবস্থা নেবে। অতঃপর তিনি বিমানবন্দর এলাকা ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বিমানবাহিনী এবং বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অন্য কর্মকর্তারা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে