ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি

মাদক মামলায় সাজা পাওয়ায় বগুড়ার ধুনট উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ হিমেলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পাঁচ বছরের সাজা পাওয়া আসামি। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা কারাগারে রয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ধুনট উপজেলার কৃষক লীগের সভাপতি সাচ্চু মল্লিক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গত ২৯ জুলাই বগুড়া জেলা কৃষক লীগের সভাপতি আলমগীর বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ফারুককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। আরেক চিঠিতে উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূরকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ফারুক আহম্মেদ হিমেল ধুনট পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হেলাল হোসেনের ছেলে। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারটি মামলা হয়। পুলিশ বেশ কয়েকবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। ২০২১ সালের ১৬ মার্চ তিনি ধুনট পৌর কৃষক লীগের আহ্বায়কের পদ বাগিয়ে নেন।
২০২২ সালের ১২ মার্চ তিনি উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হন। ২০১৫ সালের ৩ জুন বগুড়া সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা একটি মামলায় প্রায় ছয় মাস আগে ফারুকের বিরুদ্ধে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। এ কারণে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
গত ১৭ জুলাই স্বেচ্ছায় বগুড়া আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক ফারুক আহম্মেদ হিমেলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা কারাগারে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক মঞ্জু আজকের পত্রিকাকে বলেন, দলীয় শৃঙ্খল ভঙ্গ করে বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকায় ধুনট উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহম্মেদকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মাদক মামলায় সাজা পাওয়ায় বগুড়ার ধুনট উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ হিমেলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পাঁচ বছরের সাজা পাওয়া আসামি। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা কারাগারে রয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ধুনট উপজেলার কৃষক লীগের সভাপতি সাচ্চু মল্লিক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গত ২৯ জুলাই বগুড়া জেলা কৃষক লীগের সভাপতি আলমগীর বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ফারুককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। আরেক চিঠিতে উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূরকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ফারুক আহম্মেদ হিমেল ধুনট পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হেলাল হোসেনের ছেলে। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারটি মামলা হয়। পুলিশ বেশ কয়েকবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। ২০২১ সালের ১৬ মার্চ তিনি ধুনট পৌর কৃষক লীগের আহ্বায়কের পদ বাগিয়ে নেন।
২০২২ সালের ১২ মার্চ তিনি উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হন। ২০১৫ সালের ৩ জুন বগুড়া সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা একটি মামলায় প্রায় ছয় মাস আগে ফারুকের বিরুদ্ধে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। এ কারণে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
গত ১৭ জুলাই স্বেচ্ছায় বগুড়া আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক ফারুক আহম্মেদ হিমেলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা কারাগারে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক মঞ্জু আজকের পত্রিকাকে বলেন, দলীয় শৃঙ্খল ভঙ্গ করে বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকায় ধুনট উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহম্মেদকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে