বগুড়া প্রতিনিধি

বন্ধ হচ্ছে বগুড়ার তাঁতবস্ত্র ও কুটিরশিল্প পণ্যমেলা। আগামী শনিবারের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ মেলা গুটিয়ে নেবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আজকের পত্রিকাকে এ কথা নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় কমিশনার।
বিভাগীয় কমিশনার জাফরউল্লাহ্ বলেন, ‘বগুড়ায় একটি মেলা হচ্ছে জানতে পেরেছি। আমি বগুড়ার ডিসির সঙ্গে কথা বলেছি। আগামী শুক্র বা শনিবারের মধ্যেই মেলা বন্ধ করে চলে যাবে ওরা (আয়োজকেরা)।’
গত ২৩ মে মণিপুরী জামদানি, বেনারসি তাঁতী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং বগুড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন, বগুড়া কালেক্টরেট সমবায় সমিতি লিমিটেড ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী পরিষদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বগুড়ার আয়োজনে বগুড়ায় শুরু হয় মাসব্যাপী তাঁত ও কুটিরশিল্প পণ্যমেলা।
বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল মাঠে আয়োজিত এ মেলায় ২০ টাকা মূল্যের প্রবেশ টিকিটের নাম করে চলে লটারির আয়োজন। বগুড়া শহরজুড়ে বিভিন্ন স্থানে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে লটারি বিক্রি চলে। একই সঙ্গে অটোরিকশাযোগে বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাইকিং করে চলে লটারির টিকিট বিক্রি। মোটরসাইকেল, সোনার চেইন, টিভি, ফ্রিজসহ লোভনীয় পুরস্কার পাওয়ার আশায় লটারি কিনতে থাকেন শ্রমজীবী মানুষ ৷ শিক্ষার্থীরাও তাদের টিফিনের টাকা দিয়ে লটারি কিনে ভাগ্য পরীক্ষা করতে শুরু করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবে জেলায় প্রতিদিন প্রায় অর্ধকোটি টাকা লটারি থেকে হাতিয়ে নিচ্ছিলেন মেলার ব্যবস্থাপক-আয়োজকেরা। কিন্তু সব দেখেও নীরব ভূমিকায় থাকতে দেখা যায় বগুড়া জেলা প্রশাসনকে।
এ নিয়ে গত ৫ জুন ‘তাঁত ও কুটিরশিল্প মেলা যেমন-তেমন, লটারিই মূল আকর্ষণ’ শিরোনামে প্রতিবেদন ছাপা হয় ‘আজকের পত্রিকা’য়। এরপর আজ মেলা বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার।

বন্ধ হচ্ছে বগুড়ার তাঁতবস্ত্র ও কুটিরশিল্প পণ্যমেলা। আগামী শনিবারের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ মেলা গুটিয়ে নেবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আজকের পত্রিকাকে এ কথা নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় কমিশনার।
বিভাগীয় কমিশনার জাফরউল্লাহ্ বলেন, ‘বগুড়ায় একটি মেলা হচ্ছে জানতে পেরেছি। আমি বগুড়ার ডিসির সঙ্গে কথা বলেছি। আগামী শুক্র বা শনিবারের মধ্যেই মেলা বন্ধ করে চলে যাবে ওরা (আয়োজকেরা)।’
গত ২৩ মে মণিপুরী জামদানি, বেনারসি তাঁতী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং বগুড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন, বগুড়া কালেক্টরেট সমবায় সমিতি লিমিটেড ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী পরিষদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বগুড়ার আয়োজনে বগুড়ায় শুরু হয় মাসব্যাপী তাঁত ও কুটিরশিল্প পণ্যমেলা।
বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল মাঠে আয়োজিত এ মেলায় ২০ টাকা মূল্যের প্রবেশ টিকিটের নাম করে চলে লটারির আয়োজন। বগুড়া শহরজুড়ে বিভিন্ন স্থানে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে লটারি বিক্রি চলে। একই সঙ্গে অটোরিকশাযোগে বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাইকিং করে চলে লটারির টিকিট বিক্রি। মোটরসাইকেল, সোনার চেইন, টিভি, ফ্রিজসহ লোভনীয় পুরস্কার পাওয়ার আশায় লটারি কিনতে থাকেন শ্রমজীবী মানুষ ৷ শিক্ষার্থীরাও তাদের টিফিনের টাকা দিয়ে লটারি কিনে ভাগ্য পরীক্ষা করতে শুরু করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবে জেলায় প্রতিদিন প্রায় অর্ধকোটি টাকা লটারি থেকে হাতিয়ে নিচ্ছিলেন মেলার ব্যবস্থাপক-আয়োজকেরা। কিন্তু সব দেখেও নীরব ভূমিকায় থাকতে দেখা যায় বগুড়া জেলা প্রশাসনকে।
এ নিয়ে গত ৫ জুন ‘তাঁত ও কুটিরশিল্প মেলা যেমন-তেমন, লটারিই মূল আকর্ষণ’ শিরোনামে প্রতিবেদন ছাপা হয় ‘আজকের পত্রিকা’য়। এরপর আজ মেলা বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে