
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। এরপর শিগগির মন্ত্রিপরিষদ গঠন করার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনা চলছে নতুন সরকার গঠন ও সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে।
ভোলা জেলা বিএনপি ও বিজেপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বলছেন, ইতিমধ্যে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, তা নিয়েও জল্পনাকল্পনা চলছে। জোর গুঞ্জন চলছে, নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন ভোলার দুজন হেভিওয়েট নেতা। তাঁরা হলেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২০০১ সালে জোট সরকারের আমলেও মন্ত্রী হয়েছিলেন। আর বিএনপির দুর্দিনের জোটসঙ্গী বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ ভোলা-১ (সদর) আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অভিজ্ঞ ও জাতীয়ভাবে পরিচিত হেভিওয়েট এই দুই নেতার মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা নিশ্চিত বলে দলীয় নেতা-কর্মীরা দাবি করছেন। এই দুজনের সম্ভাব্য মন্ত্রণালয় কী হতে পারে, সেটা নিয়েও দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনার শেষ নেই। তাঁরা বলছেন, হাফিজ উদ্দিন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় কিংবা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। আর আন্দালিভ রহমান পার্থ পেতে পারেন কৃষি মন্ত্রণালয় অথবা আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজেপির ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম রতন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ যেহেতু আমাদের দলের চেয়ারম্যান, সেহেতু তিনি মন্ত্রী হন, এটা আমি তো চাইবই। এ ছাড়া ভোলাবাসীরও দাবি, এই জেলার সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থর মন্ত্রী হওয়া দরকার। তিনি এই দায়িত্ব পাওয়ার যোগ্য।’
আজ রোববার সকালে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর বলেন, ‘হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হলে তাঁদের মাধ্যমে ভোলার বিভিন্ন উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এলাকার মানুষের ভালো-মন্দ এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা থাকবে। এতে উপকূলীয় জেলার উন্নয়নে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলেও আমি মনে করছি। আমি তাঁদেরকে সাধুবাদ জানাই।’

মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
৪৪ মিনিট আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে তীব্র ওষুধসংকট, জনবল ঘাটতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১১ লাখ মানুষ এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
২ ঘণ্টা আগে
আড়াই বছর ধরে থমকে রয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কৃষি যান্ত্রিকীকরণের প্রকল্প। গত ১১ মাস বেতন পাচ্ছেন না প্রকল্পটির ৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্পটির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণে টাকা থাকা সত্ত্বেও সারা দেশে এর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে