ভোলা প্রতিনিধি

শীতকাল আসতে এখনো মাস দেড়েক সময় বাকি। পুরোপুরি শীত শুরু না হলেও উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার বাজারে এ সময়ে উঠতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। তবে অধিকাংশ বাজারে শীতকালীন সবজির দাম অনেক বেশি। ফলে সবজি কিনতে পারছেন না সাধারণ ক্রেতারা। শীতকালীন সবজির পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় নাভিশ্বাস উঠেছে নিম্ন আয়ের মানুষের।
এ বিষয়ে বিক্রেতারা বলেন, বর্তমানে বাজারে আগাম শীতকালীন সবজি উঠেছে। তাই দামও একটু বেশি। তবে শীত শুরু হয়ে গেলে এ দাম কমবে বলেও জানান তারা।
ভোলা সদর উপজেলার যুগিরঘোল এলাকার সবজি বিক্রেতা মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. রুবেল বলেন, 'বাজারে আগাম শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও তারা বেশি দামে সবজি কিনে আনছেন, তাই বেশি দামে বিক্রি করছেন।'
আজ সোমবার ভোলা সদর উপজেলার কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, আকার ও জাত ভেদে লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পিস, ঝিঙার কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা কেজি, বরবটি ৮০ টাকা কেজি, করলা ৯০ টাকা কেজি, পটল ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা কেজি, বেগুনের আকার ও জাত ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে। ক্যাপসিকাম ২২০ টাকা কেজি, শিম ১০০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি, ফুলকপির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা দরে, বাঁধাকপির কেজি ৬০ টাকা ও মুলার কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েক দিন আগে যে ডিমের হালি ৩০ টাকা ছিল। সেই ডিমের হালি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। এ ছাড়া কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে শহরের যুগিরঘোল বাজারে লাল শাক কিনতে আসেন শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর এলাকার ইয়াসমিন নামের এক গৃহিণী। ৩ মুঠো লাল শাকের দাম ২৫ টাকা শুনেই রাগান্বিত হয়ে লাল শাক না কিনেই শূন্য হাতে বাড়ি চলে যান তিনি।
ওই বাজারে সবজি কিনতে আসা একই ইউনিয়নের নবীপুর এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. সামছুদ্দিন বলেন, 'বাজারে সবজির অতিরিক্ত দামে সবাই অতিষ্ঠ। যদি কামাই করি ৫০০ টাকা, সেখানে খরচ হয় ১০০০ টাকা। পোলাপান কেমনে চালামু হেই চিন্তা করছি।'
তিনি আরও বলেন, 'ছেলে রব স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসএসসিতে পড়ছে। ছেলের ৪ মাসের বেতন বাকি। সামছুদ্দিন প্রশ্ন করে বলেন, 'সংসার চালামু কেমনে, আর পোলাপান পড়ালেখা করামু কেমনে? সরকার বাজারমূল্য কমানের কথা। কিন্তু উল্টো বাড়িয়ে দিচ্ছে।'
শীতকালীন সবজির দাম বৃদ্ধির বিষয়ে এক বিক্রেতা বলেন, 'আমাদের বেচাকেনা ভালো না। শুধু শীতকালীন সবজির দামই নয়, তেল-গ্যাসের দামও বাড়তি। এতে আমাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।'
এ বিষয়ে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মোবাশ্বির উল্ল্যাহ চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'বাজার মূল্য বৃদ্ধিতে অসৎ সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা জড়িত। এদের নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার ব্যর্থ।'
ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান সোমবার সকালে আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'বাজারে ভিজিল্যান্স টিম কাজ করছে। আমি এডিএম স্যারকে জানিয়েছি। উপজেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে বলেও জানান ইউএনও।'

শীতকাল আসতে এখনো মাস দেড়েক সময় বাকি। পুরোপুরি শীত শুরু না হলেও উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার বাজারে এ সময়ে উঠতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। তবে অধিকাংশ বাজারে শীতকালীন সবজির দাম অনেক বেশি। ফলে সবজি কিনতে পারছেন না সাধারণ ক্রেতারা। শীতকালীন সবজির পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় নাভিশ্বাস উঠেছে নিম্ন আয়ের মানুষের।
এ বিষয়ে বিক্রেতারা বলেন, বর্তমানে বাজারে আগাম শীতকালীন সবজি উঠেছে। তাই দামও একটু বেশি। তবে শীত শুরু হয়ে গেলে এ দাম কমবে বলেও জানান তারা।
ভোলা সদর উপজেলার যুগিরঘোল এলাকার সবজি বিক্রেতা মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. রুবেল বলেন, 'বাজারে আগাম শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও তারা বেশি দামে সবজি কিনে আনছেন, তাই বেশি দামে বিক্রি করছেন।'
আজ সোমবার ভোলা সদর উপজেলার কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, আকার ও জাত ভেদে লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পিস, ঝিঙার কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা কেজি, বরবটি ৮০ টাকা কেজি, করলা ৯০ টাকা কেজি, পটল ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা কেজি, বেগুনের আকার ও জাত ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে। ক্যাপসিকাম ২২০ টাকা কেজি, শিম ১০০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি, ফুলকপির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা দরে, বাঁধাকপির কেজি ৬০ টাকা ও মুলার কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েক দিন আগে যে ডিমের হালি ৩০ টাকা ছিল। সেই ডিমের হালি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। এ ছাড়া কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে শহরের যুগিরঘোল বাজারে লাল শাক কিনতে আসেন শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর এলাকার ইয়াসমিন নামের এক গৃহিণী। ৩ মুঠো লাল শাকের দাম ২৫ টাকা শুনেই রাগান্বিত হয়ে লাল শাক না কিনেই শূন্য হাতে বাড়ি চলে যান তিনি।
ওই বাজারে সবজি কিনতে আসা একই ইউনিয়নের নবীপুর এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. সামছুদ্দিন বলেন, 'বাজারে সবজির অতিরিক্ত দামে সবাই অতিষ্ঠ। যদি কামাই করি ৫০০ টাকা, সেখানে খরচ হয় ১০০০ টাকা। পোলাপান কেমনে চালামু হেই চিন্তা করছি।'
তিনি আরও বলেন, 'ছেলে রব স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসএসসিতে পড়ছে। ছেলের ৪ মাসের বেতন বাকি। সামছুদ্দিন প্রশ্ন করে বলেন, 'সংসার চালামু কেমনে, আর পোলাপান পড়ালেখা করামু কেমনে? সরকার বাজারমূল্য কমানের কথা। কিন্তু উল্টো বাড়িয়ে দিচ্ছে।'
শীতকালীন সবজির দাম বৃদ্ধির বিষয়ে এক বিক্রেতা বলেন, 'আমাদের বেচাকেনা ভালো না। শুধু শীতকালীন সবজির দামই নয়, তেল-গ্যাসের দামও বাড়তি। এতে আমাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।'
এ বিষয়ে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মোবাশ্বির উল্ল্যাহ চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'বাজার মূল্য বৃদ্ধিতে অসৎ সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা জড়িত। এদের নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার ব্যর্থ।'
ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান সোমবার সকালে আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'বাজারে ভিজিল্যান্স টিম কাজ করছে। আমি এডিএম স্যারকে জানিয়েছি। উপজেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে বলেও জানান ইউএনও।'

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৫ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৮ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে