বিশেষ প্রতিনিধি, বরিশাল থেকে

নৌকার সরকার থাকার পরও নিজেদের প্রার্থীকে (সাদিক আবদুল্লাহ) কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তাই এই প্রতীক নিয়ে বরিশালে ভোট চাওয়ার অধিকার তাদের নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। আজ শুক্রবার নগরীর চকবাজার এলাকায় জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে জুমার নামাজের পর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় নির্বাচনী পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালো উল্লেখ করে হাতপাখার প্রার্থী বলেন, ‘তবে জানি না ভবিষ্যতে কী হবে।’ সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘জানি না ভিন্ন পদ্ধতিতে নির্বাচন হয় কি না। তাই ফলের আগপর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নই। ফল যখন হবে, দেখব কারচুপি হয়নি; তখন বলতে পারব সুষ্ঠু হয়েছে। এই সরকারের আমলে কোনো কিছুই আশঙ্কামুক্ত নয়।’
বরিশালে গত পাঁচ বছরে কোনো উন্নয়ন হয়নি। এর দায় সরকারের ওপরে বর্তায় বলে অভিযোগ করেন সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘তাদের (আওয়ামী লীগ) যদি এখানকার যিনি মেয়র ছিলেন (সাদিক আবদুল্লাহ) তাঁকে পছন্দ না হয়, সরকারের তরফ থেকে কাউকে নিয়োগ দিয়ে তাঁর মাধ্যমে উন্নয়ন করাতে পারত। কিন্তু এখানে সরকার ব্যর্থ, মেয়রও ব্যর্থ। আজকে সরকারের মেয়রের কারণে আমাদের কষ্ট দেবে কেন?’
হাতপাখা বিজয়ী হলে বরিশালের সাবেক মেয়র এবং বরিশাল বিভাগে যত ভালো, জ্ঞানী লোক আছেন তাঁদের পরামর্শ নিয়ে মহানগরী চালানোর চেষ্টা করবেন বলে জানান ফয়জুল করীম।
কেন মানুষ তাঁকে ভোট দেবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি বুঝি না। যারা বরিশালে শান্তি চায়, মুক্তি চায়, নিরাপত্তা চায়—সে যেই দলেরই হোক না কেন, আমাকে ভোট দেবে।’
ইসলামী আন্দোলনের এই প্রার্থী হুঁশিয়ারি দেন, ‘ভোটের ফল পাল্টানোর চেষ্টা করলে আন্দোলন হবে, নতুন রূপ সৃষ্টি হবে আন্দোলনের। যেভাবে জাতীয় সরকারের জন্য আন্দোলন চলছে, সেই মাত্রা আরও বাড়বে।’

নৌকার সরকার থাকার পরও নিজেদের প্রার্থীকে (সাদিক আবদুল্লাহ) কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তাই এই প্রতীক নিয়ে বরিশালে ভোট চাওয়ার অধিকার তাদের নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। আজ শুক্রবার নগরীর চকবাজার এলাকায় জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে জুমার নামাজের পর গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় নির্বাচনী পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালো উল্লেখ করে হাতপাখার প্রার্থী বলেন, ‘তবে জানি না ভবিষ্যতে কী হবে।’ সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘জানি না ভিন্ন পদ্ধতিতে নির্বাচন হয় কি না। তাই ফলের আগপর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নই। ফল যখন হবে, দেখব কারচুপি হয়নি; তখন বলতে পারব সুষ্ঠু হয়েছে। এই সরকারের আমলে কোনো কিছুই আশঙ্কামুক্ত নয়।’
বরিশালে গত পাঁচ বছরে কোনো উন্নয়ন হয়নি। এর দায় সরকারের ওপরে বর্তায় বলে অভিযোগ করেন সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘তাদের (আওয়ামী লীগ) যদি এখানকার যিনি মেয়র ছিলেন (সাদিক আবদুল্লাহ) তাঁকে পছন্দ না হয়, সরকারের তরফ থেকে কাউকে নিয়োগ দিয়ে তাঁর মাধ্যমে উন্নয়ন করাতে পারত। কিন্তু এখানে সরকার ব্যর্থ, মেয়রও ব্যর্থ। আজকে সরকারের মেয়রের কারণে আমাদের কষ্ট দেবে কেন?’
হাতপাখা বিজয়ী হলে বরিশালের সাবেক মেয়র এবং বরিশাল বিভাগে যত ভালো, জ্ঞানী লোক আছেন তাঁদের পরামর্শ নিয়ে মহানগরী চালানোর চেষ্টা করবেন বলে জানান ফয়জুল করীম।
কেন মানুষ তাঁকে ভোট দেবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি বুঝি না। যারা বরিশালে শান্তি চায়, মুক্তি চায়, নিরাপত্তা চায়—সে যেই দলেরই হোক না কেন, আমাকে ভোট দেবে।’
ইসলামী আন্দোলনের এই প্রার্থী হুঁশিয়ারি দেন, ‘ভোটের ফল পাল্টানোর চেষ্টা করলে আন্দোলন হবে, নতুন রূপ সৃষ্টি হবে আন্দোলনের। যেভাবে জাতীয় সরকারের জন্য আন্দোলন চলছে, সেই মাত্রা আরও বাড়বে।’

অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
১৫ মিনিট আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও চারটি গুলিসহ মো. জহির মোল্লা (৪২) নামের এক ভুয়া সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের বসুনরসিংহদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
১ ঘণ্টা আগে