
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে চাকরি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সরোয়ার তুহিন। গতকাল রোববার বিকেলে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে এই স্ট্যাটাস দেন। তবে এরপর থেকে তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। তাঁর অফিশিয়াল মোবাইল ফোনটি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ এম শাহীনের কাছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকে দেওয়া তাঁর স্ট্যাটাস আমরা দেখতে পেয়েছি। তবে এখনো তাঁর কোনো রিজাইন লেটার (অব্যাহতিপত্র) আমার হাতে আসেনি। তিনি হয়তো হতাশা থেকে এই স্ট্যাটাস দিয়েছেন।’
ওসির অফিশিয়াল নম্বরে ফোন করা হলে এইচ এম শাহীন বলেন, ‘আমিও ফেসবুকে তাঁর দেওয়া স্ট্যাটাসের খবর পেয়েছি। তবে তিনি এখনো চাকরি ছাড়েননি। তিনি বর্তমানে ছুটিতে আছেন। তাঁর ব্যক্তিগত ফোন নম্বরটি বন্ধ রয়েছে।’
ওসি গোলাম সরোয়ার তুহিন তাঁর দীর্ঘ স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আমি নতুন প্রজন্মের কাছে আমার মুক্তিযোদ্ধার কোটায় থাকা চাকরিটি ছেড়ে দিলাম। তারা নতুন উদ্যমে জায়গা পূরণ করে নেবেন এবং প্রত্যাশিতভাবে দেশকে সাজাবেন, এ অনুরোধ রাখলাম।’
ওসি আরও লিখেন, ‘আমি আমার বাবার দেখানো নীতিতেই বাকিটা পথ হাঁটব। বাবা বলেছিলেন, “যেখানে সম্মান নেই সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নিও।” সাধারণ জনগণের কাছে পুলিশ যেভাবে অসম্মানিত হলেন, সে ইমেজ নিয়ে কীভাবে জনগণের সেবা করব। আমি আমার বাবার সম্মান রক্ষা করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে বিদায় জানালাম। আমি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের জন্য আবেদনপত্র পাঠিয়ে দিলাম। তবে আইন পেশার সঙ্গেই যুক্ত থাকব। সবার জন্য শুভকামনা রইল। আমিন, জয় বাংলা, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের জামায়াতের সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর বিরোধ চলছিল। বিরোধ মীমাংসার জন্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বৈঠক বসার কথা ছিল।
১৯ মিনিট আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় সোমবার রাতে রাজাহার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মইনুল ইসলাম আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় অবৈধভাবে অতিরিক্ত বালু বোঝাই করে চলাচলের অভিযোগে ৯টি ড্রাম ট্রাকের চালককে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ট্রাকগুলো জব্দ করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকের টাকা জোগাড় করতেই চার বন্ধু মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। গত শনিবার (৭ মার্চ) অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সিয়ামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। হত্যার পর সিয়ামের ব্যবহৃত দামি আইফোন ও নগদ টাকা নিয়ে নেন তাঁরা।
২ ঘণ্টা আগে