খান রফিক, বরিশাল

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ২২ জন শিক্ষকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন, বৈষম্য করা হচ্ছে; আবার কেউ বলছেন, বিধিবিধানের জটিলতায় পদোন্নতি পিছিয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় দশক পার হলেও এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র একজন পূর্ণ অধ্যাপক রয়েছেন।
২০১১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ১২ শিক্ষক ইতিমধ্যে অধ্যাপক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। আবার এমন ১০ শিক্ষক রয়েছেন, যাঁদের বিভাগে অধ্যাপক পদ সৃষ্টি হয়নি, তবে প্রশাসনিক রেয়াতের (বিশেষ ছাড়) আওতায় তাঁরাও বিধি অনুযায়ী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির যোগ্য। এই দুই পক্ষের টানাপোড়েনে কেউই পদোন্নতি পাচ্ছেন না।
গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শফিউল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিয়ম হলো, আগে যেসব বিভাগে পদ রয়েছে, তাঁরা পদোন্নতি পাবেন। কিন্তু এখানকার নিয়ম উল্টো। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাঁদের বিভাগ খোলা হয়েছে ২০১৩, ২০১৪ সালে এবং ইউজিসি থেকে পদও অনুমোদন হয়নি, তাঁরা কী করে ২০১১ সালে খোলা বিভাগের শিক্ষকদের আগে পদোন্নতি পান? এটা চরম বৈষম্য। আমরা সর্বোচ্চ ধাপে গিয়েও ইনক্রিমেন্ট পাচ্ছি না। অথচ আমাদের চেয়ে এক বছরের জুনিয়ররা এখন পদোন্নতি পাবেন।’
অন্যদিকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, ‘যাঁদের বিভাগে পদ সৃষ্টি আছে, তাঁরা রাজনীতি করেন, সব ক্ষমতা তাঁদের হাতে। অথচ আমরা অনেক আগেই যোগ্যতা অর্জন করেছি। আমাকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হতে প্রায় ছয় বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এখন অধ্যাপক পদে বিলম্ব হলেও কিছু বলার নেই।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যাঁদের বিভাগে অধ্যাপক পদ রয়েছে, তাঁদের মধ্যে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে দুজন, গণিতে চারজন, ম্যানেজমেন্টে চারজন, মৃত্তিকা ও পরিবেশবিজ্ঞানে একজন এবং মার্কেটিংয়ে একজন রয়েছেন। অন্যদিকে যাঁদের বিভাগে পদ নেই, কিন্তু রেয়াতের মাধ্যমে যোগ্য হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট, ইতিহাস ও লোকপ্রশাসন বিভাগের একজন করে এবং রসায়ন বিভাগের চারজন।
বিষয়টি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার কিছু শিক্ষক উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে উপাচার্য সবাইকে একসঙ্গে পদোন্নতি দেওয়ার উপায় খুঁজতে বলেন। এ জন্য ‘ওপেন পোস্ট’ সুবিধায় প্রভাষক নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে নিয়োগ বোর্ডে আওয়ামী সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, এমন সদস্যদের অপসারণ নিয়েও আলোচনা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মুহসীন উদ্দিন বলেন, ‘অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য অনেকগুলো আবেদন আছে। বিধিগত ঝামেলায় জুনিয়র যাতে সিনিয়র না হয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’
এদিকে নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় অনেকের মধ্যে একধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে ৪৮ জন উপাচার্য পদের জন্য আবেদন করেছেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম এই দৌড়ে টিকতে না পারলে, সমস্যা আরও জটিল আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। কেননা সে ক্ষেত্রে বিধিবিধানের জটিলতা কাটিয়ে আগ্রহী শিক্ষকদের অধ্যাপক হওয়া অনিশ্চিত হতে পারে।
এ ব্যাপারে অন্তর্বর্তী উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, তিনি এক দিনও শিক্ষকদের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি আটকে রাখতে চান না। তাঁদের ডেকে বলেছেন, যেসব জটিলতা রয়েছে, তা দূর করতে ব্যবস্থা নেবেন। এ ক্ষেত্রে তিনি বৈষম্য দেখছেন না, বরং বিধিবিধানের জটিলতা দেখছেন।
এই প্রতিবেদকের কাছে পাল্টা প্রশ্ন রেখে তিনি জানতে চান, পদোন্নতির ক্ষেত্রে কেন সংশয় দেখা দেবে? শিক্ষকদের আশঙ্কা অনুযায়ী অতীতের মতো কেউ বাড়তি সুবিধা পাবেন কি না, এ বিষয়ে তিনি কোনো জবাব দেননি। পদোন্নতি কবে নাগাদ হতে পারে, তারও স্পস্ট কোনো জবাব মেলেনি।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ২২ জন শিক্ষকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন, বৈষম্য করা হচ্ছে; আবার কেউ বলছেন, বিধিবিধানের জটিলতায় পদোন্নতি পিছিয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় দশক পার হলেও এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র একজন পূর্ণ অধ্যাপক রয়েছেন।
২০১১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ১২ শিক্ষক ইতিমধ্যে অধ্যাপক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। আবার এমন ১০ শিক্ষক রয়েছেন, যাঁদের বিভাগে অধ্যাপক পদ সৃষ্টি হয়নি, তবে প্রশাসনিক রেয়াতের (বিশেষ ছাড়) আওতায় তাঁরাও বিধি অনুযায়ী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির যোগ্য। এই দুই পক্ষের টানাপোড়েনে কেউই পদোন্নতি পাচ্ছেন না।
গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শফিউল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিয়ম হলো, আগে যেসব বিভাগে পদ রয়েছে, তাঁরা পদোন্নতি পাবেন। কিন্তু এখানকার নিয়ম উল্টো। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাঁদের বিভাগ খোলা হয়েছে ২০১৩, ২০১৪ সালে এবং ইউজিসি থেকে পদও অনুমোদন হয়নি, তাঁরা কী করে ২০১১ সালে খোলা বিভাগের শিক্ষকদের আগে পদোন্নতি পান? এটা চরম বৈষম্য। আমরা সর্বোচ্চ ধাপে গিয়েও ইনক্রিমেন্ট পাচ্ছি না। অথচ আমাদের চেয়ে এক বছরের জুনিয়ররা এখন পদোন্নতি পাবেন।’
অন্যদিকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, ‘যাঁদের বিভাগে পদ সৃষ্টি আছে, তাঁরা রাজনীতি করেন, সব ক্ষমতা তাঁদের হাতে। অথচ আমরা অনেক আগেই যোগ্যতা অর্জন করেছি। আমাকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হতে প্রায় ছয় বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এখন অধ্যাপক পদে বিলম্ব হলেও কিছু বলার নেই।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যাঁদের বিভাগে অধ্যাপক পদ রয়েছে, তাঁদের মধ্যে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে দুজন, গণিতে চারজন, ম্যানেজমেন্টে চারজন, মৃত্তিকা ও পরিবেশবিজ্ঞানে একজন এবং মার্কেটিংয়ে একজন রয়েছেন। অন্যদিকে যাঁদের বিভাগে পদ নেই, কিন্তু রেয়াতের মাধ্যমে যোগ্য হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট, ইতিহাস ও লোকপ্রশাসন বিভাগের একজন করে এবং রসায়ন বিভাগের চারজন।
বিষয়টি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার কিছু শিক্ষক উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে উপাচার্য সবাইকে একসঙ্গে পদোন্নতি দেওয়ার উপায় খুঁজতে বলেন। এ জন্য ‘ওপেন পোস্ট’ সুবিধায় প্রভাষক নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে নিয়োগ বোর্ডে আওয়ামী সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, এমন সদস্যদের অপসারণ নিয়েও আলোচনা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মুহসীন উদ্দিন বলেন, ‘অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য অনেকগুলো আবেদন আছে। বিধিগত ঝামেলায় জুনিয়র যাতে সিনিয়র না হয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’
এদিকে নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় অনেকের মধ্যে একধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে ৪৮ জন উপাচার্য পদের জন্য আবেদন করেছেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম এই দৌড়ে টিকতে না পারলে, সমস্যা আরও জটিল আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। কেননা সে ক্ষেত্রে বিধিবিধানের জটিলতা কাটিয়ে আগ্রহী শিক্ষকদের অধ্যাপক হওয়া অনিশ্চিত হতে পারে।
এ ব্যাপারে অন্তর্বর্তী উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, তিনি এক দিনও শিক্ষকদের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি আটকে রাখতে চান না। তাঁদের ডেকে বলেছেন, যেসব জটিলতা রয়েছে, তা দূর করতে ব্যবস্থা নেবেন। এ ক্ষেত্রে তিনি বৈষম্য দেখছেন না, বরং বিধিবিধানের জটিলতা দেখছেন।
এই প্রতিবেদকের কাছে পাল্টা প্রশ্ন রেখে তিনি জানতে চান, পদোন্নতির ক্ষেত্রে কেন সংশয় দেখা দেবে? শিক্ষকদের আশঙ্কা অনুযায়ী অতীতের মতো কেউ বাড়তি সুবিধা পাবেন কি না, এ বিষয়ে তিনি কোনো জবাব দেননি। পদোন্নতি কবে নাগাদ হতে পারে, তারও স্পস্ট কোনো জবাব মেলেনি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে