ভোলা প্রতিনিধি

ভোলাবাসীর ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের দাবিতে আন্দোলনকারীরা জেলার গ্যাস বোতলজাত করে বাইরে নিয়ে যাওয়ার কাজে ব্যবহৃত ২২টি লরি আটকে দিয়েছেন।
বেসরকারি ইন্ট্রাকো কোম্পানির লরিগুলো গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আটক করে ভোলা সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে রাখা হয়। পরে অবশ্য নিরাপত্তার কারণে বিকেলে লরিগুলো কোম্পানির ভোলা ডিপোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভোলায় উত্তোলিত গ্যাস বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে সিলিন্ডারে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর বিপরীতে এখানে প্রাপ্ত গ্যাস স্থানীয়দের ঘরে ঘরে দেওয়াসহ ছয় দফা দাবিতে ‘আমরা ভোলাবাসী’ নামের একটি সংগঠন আন্দোলন করে আসছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, ভোলার গ্যাসের সংযোগ ঘরে ঘরে দিতে হবে। জেলায় গ্যাসভিত্তিক শিল্পকলকারখানা নির্মাণ করতে হবে।
এই দাবিতে গত শনিবার ভোলায় ইন্ট্রাকো কোম্পানির রিফুয়েলিং স্টেশনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু পরদিন রোববার ফটকের তালা ভেঙে লরি ঢোকান এবং সিলিন্ডার ঢাকা পাঠানোর চেষ্টা করেন ইন্ট্রাকোর লোকজন। পরে খবর পেয়ে আন্দোলনকারীরা ২২টি লরি আটকে দেন।
‘আমরা ভোলাবাসী’র সদস্যসচিব মীর মোশারেফ অমি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন উপেক্ষা করে ইন্ট্রাকো কোম্পানির লোকজন রাতের বেলায় গ্যাস নিয়ে ভোলার বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন আন্দোলনকারীরা গ্যাস সিলিন্ডার বহনকারী ২২টি ট্রাক আটক করে। সেগুলো ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়। পরে অবশ্য নিরাপত্তার কারণে ইন্ট্রাকো কোম্পানির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আটক ট্রাকগুলো মঙ্গলবার বিকেলে তাঁদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়। আটক ট্রাকগুলো ভোলায় অবস্থিত তাঁদের ডিপোতে ফেরত নেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বিকেলে আজকের পত্রিকাকে জানান, আন্দোলনকারীরা ২০টি লরি আটক করে সরকারি স্কুলমাঠে রেখেছিলেন। পরে অবশ্য ইন্ট্রাকো কোম্পানির লোকজন এগুলো তাঁদের ডিপোতে নিয়ে যান।

ভোলাবাসীর ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের দাবিতে আন্দোলনকারীরা জেলার গ্যাস বোতলজাত করে বাইরে নিয়ে যাওয়ার কাজে ব্যবহৃত ২২টি লরি আটকে দিয়েছেন।
বেসরকারি ইন্ট্রাকো কোম্পানির লরিগুলো গতকাল সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আটক করে ভোলা সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে রাখা হয়। পরে অবশ্য নিরাপত্তার কারণে বিকেলে লরিগুলো কোম্পানির ভোলা ডিপোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভোলায় উত্তোলিত গ্যাস বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে সিলিন্ডারে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর বিপরীতে এখানে প্রাপ্ত গ্যাস স্থানীয়দের ঘরে ঘরে দেওয়াসহ ছয় দফা দাবিতে ‘আমরা ভোলাবাসী’ নামের একটি সংগঠন আন্দোলন করে আসছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, ভোলার গ্যাসের সংযোগ ঘরে ঘরে দিতে হবে। জেলায় গ্যাসভিত্তিক শিল্পকলকারখানা নির্মাণ করতে হবে।
এই দাবিতে গত শনিবার ভোলায় ইন্ট্রাকো কোম্পানির রিফুয়েলিং স্টেশনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু পরদিন রোববার ফটকের তালা ভেঙে লরি ঢোকান এবং সিলিন্ডার ঢাকা পাঠানোর চেষ্টা করেন ইন্ট্রাকোর লোকজন। পরে খবর পেয়ে আন্দোলনকারীরা ২২টি লরি আটকে দেন।
‘আমরা ভোলাবাসী’র সদস্যসচিব মীর মোশারেফ অমি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন উপেক্ষা করে ইন্ট্রাকো কোম্পানির লোকজন রাতের বেলায় গ্যাস নিয়ে ভোলার বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন আন্দোলনকারীরা গ্যাস সিলিন্ডার বহনকারী ২২টি ট্রাক আটক করে। সেগুলো ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়। পরে অবশ্য নিরাপত্তার কারণে ইন্ট্রাকো কোম্পানির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আটক ট্রাকগুলো মঙ্গলবার বিকেলে তাঁদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়। আটক ট্রাকগুলো ভোলায় অবস্থিত তাঁদের ডিপোতে ফেরত নেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বিকেলে আজকের পত্রিকাকে জানান, আন্দোলনকারীরা ২০টি লরি আটক করে সরকারি স্কুলমাঠে রেখেছিলেন। পরে অবশ্য ইন্ট্রাকো কোম্পানির লোকজন এগুলো তাঁদের ডিপোতে নিয়ে যান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে