নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট। সেই সঙ্গে ফ্যাসিস্ট চিহ্নিত করা ও অবহেলায় ক্যানসারে আক্রান্ত ছাত্রী জিমির মৃত্যু ইস্যুতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা মুচলেকা দেবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) তুলে নেওয়া হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ শনিবার ৮৮তম বিশেষ জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সুচিতা শরমিনের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকার গেস্ট হাউসে ২ ঘণ্টাব্যাপী এ সভা হয়।
সভা সূত্রে জানা গেছে, ১১ জন সদস্য সিন্ডিকেট সভায় অংশ নেন। সভায় প্রায় ১ ঘণ্টা রেজিস্ট্রার ইস্যুতে আলোচনা হয়। এ সময় পাল্টাপাল্টি যুক্তি তুলে ধরেন সদস্যরা।
সভার দায়িত্বশীল অন্তত দুজন সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন, সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া বিষয়গুলো হচ্ছে—রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামকে আজকেই অপসারণ করা; অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকবেন উপাচার্য নিজে; আগামী সাত দিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে এবং এক মাসের মধ্যে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মুহসিন উদ্দীনকে সিন্ডিকেট থেকে বাদ দেওয়ার বিষয় আদালতে সুরাহা হবে।
এ ছাড়া ফ্যাসিস্টদের চিহ্নিত করতে এক সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছ। তবে সদস্যসংখ্যা চাইলে আরও যোগ করে নিতে পারবেন। যেসব শিক্ষার্থী মুচলেকা দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা উঠিয়ে নেওয়া হবে এবং যাঁরা মুচলেকা দেননি, তাঁদের মামলা বহাল থাকবে। জিডির ক্ষেত্রেও তাই। এ ছাড়া ক্যানসারে আক্রান্ত শিক্ষার্থী জিমির সহায়তার আবেদন কেন পাঁচ মাসেও আমলে নেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখতে এক সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সিন্ডিকেটের একজন সদস্য জানান।
এ ব্যপারে জানতে উপাচার্য ড. সুচিতা শরমিনকে ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। উপ–উপাচার্য ড. গোলাম রব্বানীও কিছু বলতে চাননি।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট। সেই সঙ্গে ফ্যাসিস্ট চিহ্নিত করা ও অবহেলায় ক্যানসারে আক্রান্ত ছাত্রী জিমির মৃত্যু ইস্যুতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা মুচলেকা দেবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) তুলে নেওয়া হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ শনিবার ৮৮তম বিশেষ জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সুচিতা শরমিনের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকার গেস্ট হাউসে ২ ঘণ্টাব্যাপী এ সভা হয়।
সভা সূত্রে জানা গেছে, ১১ জন সদস্য সিন্ডিকেট সভায় অংশ নেন। সভায় প্রায় ১ ঘণ্টা রেজিস্ট্রার ইস্যুতে আলোচনা হয়। এ সময় পাল্টাপাল্টি যুক্তি তুলে ধরেন সদস্যরা।
সভার দায়িত্বশীল অন্তত দুজন সিন্ডিকেট সদস্য জানিয়েছেন, সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া বিষয়গুলো হচ্ছে—রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামকে আজকেই অপসারণ করা; অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকবেন উপাচার্য নিজে; আগামী সাত দিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে এবং এক মাসের মধ্যে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মুহসিন উদ্দীনকে সিন্ডিকেট থেকে বাদ দেওয়ার বিষয় আদালতে সুরাহা হবে।
এ ছাড়া ফ্যাসিস্টদের চিহ্নিত করতে এক সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছ। তবে সদস্যসংখ্যা চাইলে আরও যোগ করে নিতে পারবেন। যেসব শিক্ষার্থী মুচলেকা দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা উঠিয়ে নেওয়া হবে এবং যাঁরা মুচলেকা দেননি, তাঁদের মামলা বহাল থাকবে। জিডির ক্ষেত্রেও তাই। এ ছাড়া ক্যানসারে আক্রান্ত শিক্ষার্থী জিমির সহায়তার আবেদন কেন পাঁচ মাসেও আমলে নেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখতে এক সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সিন্ডিকেটের একজন সদস্য জানান।
এ ব্যপারে জানতে উপাচার্য ড. সুচিতা শরমিনকে ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। উপ–উপাচার্য ড. গোলাম রব্বানীও কিছু বলতে চাননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে