নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশালের হিজলায় প্রায় দেড় কোটি টাকার হাট-বাজার ইজারা কার্যক্রম প্রস্তুত করতে গিয়ে শিডিউল জমাই দিতে পারেনি ঠিকাদারেরা। স্থানীয় বিএনপির একটি পক্ষ উপজেলার ২০টি হাট-বাজারের শিডিউল প্রস্তুত প্রক্রিয়ায় নামে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি তারা।
এদিকে শিডিউল জমাদানের শেষ সময় ছিল গতকাল সোমবার বেলা ১টা পর্যন্ত। এতে বিপাকে পড়েছে ইজারা বাগিয়ে নেওয়া চক্রটি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বিএনপির নেতারা চাপ দিলেও বিলম্ব হওয়ায় শিডিউল গ্রহণ না করে ১৩ মার্চ শিডিউল জমাদানের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে ইউএনওর কার্যালয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা জড়ো হলে উত্তেজনা দেখা দেয়।
জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ছিল শিডিউল বিক্রির শেষ তারিখ। দরপত্র দাখিলের তারিখ ছিল গতকাল বেলা ১টা পর্যন্ত। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০টি হাট-বাজার ইজারার বিপরীতে প্রায় ৭০-৮০টি শিডিউল কেনা হয়। কিন্তু গতকাল সকাল থেকেই বিএনপির একটি চক্র সাধারণ ঠিকাদারদের শিডিউল জমাদানে বাধা দেয়। অনেককে ফোন দিয়ে শিডিউল জমা না দিতে চাপ দেওয়া হয়। সবচেয়ে ঝামেলা হয় দুর্গাপুর বাজারের ইজারা নিয়ে। ওই বাজারে একক শিডিউল জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় হিজলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি গফফার তালুকদারের ছেলে শিতল তালুকদারের নামে। প্রতিটি বাজারের বিপরীতে প্রস্তুত প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অন্যদের শিডিউল নিয়ে নেয়। এভাবে অন্যের শিডিউল সংগ্রহ করতে গিয়ে বেলা ১টা পেরিয়ে গেলে চক্রের শিডিউলগুলো আর জমা দেওয়া হয়নি। যে কারণে শিডিউল জমাদান প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হলে বিপাকে পড়েন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
এ অবস্থায় সময় শেষ হলেও শিডিউল জমা নেওয়ার জন্য ইউএনও কার্যালয়ে জড়ো হয়ে তাঁকে চাপ দেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনির দেওয়ান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন, যুবদলের সদস্যসচিব আমির হোসেন বাঘা, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান সজল, সদস্যসচিব দুলাল সরদার, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মহসীন সিকদার প্রমুখ।
জানতে চাইলে শিডিউল সংগ্রহ করা স্থানীয় ঠিকাদার আরিফ হোসেন বলেন, ‘আমি কিছু জানি না, সাইডে ছিলাম। সিদ্ধান্ত কী হয়েছে জানি না।’ হিজলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গাফফার তালুকদার বলেন, ‘আমার জানা নেই। আমি এলাকাতেই নেই।’
বিএনপির নেতা গাফফারের ছেলে শিতল তালুকদার বলেন, ‘আমি তো চর থেকে আসলাম।’ এ বিষয়ে জানতে হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনির দেওয়ানকে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি।
তবে যুবদলের সদস্যসচিব আমির হোসেন বাঘা বলেন, ‘সময়মতো জমা দিতে পারিনি। ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া নিয়ে ঝামেলা হয়। তিনিও তাঁর বাজারের ইজারা পেতে গিয়েছিলেন। তবে হাট-বাজারের ইজারা প্রস্তুত করার চেষ্টা হয়েছে, এমনটি সঠিক নয়।’
এ বিষয়ে হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘বেলা ১টা পর্যন্ত ১ থেকে ২টি শিডিউল জমা পড়ে। পরে আর জমা নেওয়া হয়নি। আমরা আইনের বাইরে যাব না। মঙ্গলবার (আজ) ওপেন করে দেখা হবে কয়টি জমা পড়েছে। পর্যাপ্ত জমা না পড়লে ১৩ মার্চ আরেকটি তারিখে শিডিউল গ্রহণ করা হবে।’

বরিশালের হিজলায় প্রায় দেড় কোটি টাকার হাট-বাজার ইজারা কার্যক্রম প্রস্তুত করতে গিয়ে শিডিউল জমাই দিতে পারেনি ঠিকাদারেরা। স্থানীয় বিএনপির একটি পক্ষ উপজেলার ২০টি হাট-বাজারের শিডিউল প্রস্তুত প্রক্রিয়ায় নামে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি তারা।
এদিকে শিডিউল জমাদানের শেষ সময় ছিল গতকাল সোমবার বেলা ১টা পর্যন্ত। এতে বিপাকে পড়েছে ইজারা বাগিয়ে নেওয়া চক্রটি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বিএনপির নেতারা চাপ দিলেও বিলম্ব হওয়ায় শিডিউল গ্রহণ না করে ১৩ মার্চ শিডিউল জমাদানের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে ইউএনওর কার্যালয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা জড়ো হলে উত্তেজনা দেখা দেয়।
জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ছিল শিডিউল বিক্রির শেষ তারিখ। দরপত্র দাখিলের তারিখ ছিল গতকাল বেলা ১টা পর্যন্ত। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০টি হাট-বাজার ইজারার বিপরীতে প্রায় ৭০-৮০টি শিডিউল কেনা হয়। কিন্তু গতকাল সকাল থেকেই বিএনপির একটি চক্র সাধারণ ঠিকাদারদের শিডিউল জমাদানে বাধা দেয়। অনেককে ফোন দিয়ে শিডিউল জমা না দিতে চাপ দেওয়া হয়। সবচেয়ে ঝামেলা হয় দুর্গাপুর বাজারের ইজারা নিয়ে। ওই বাজারে একক শিডিউল জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় হিজলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি গফফার তালুকদারের ছেলে শিতল তালুকদারের নামে। প্রতিটি বাজারের বিপরীতে প্রস্তুত প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অন্যদের শিডিউল নিয়ে নেয়। এভাবে অন্যের শিডিউল সংগ্রহ করতে গিয়ে বেলা ১টা পেরিয়ে গেলে চক্রের শিডিউলগুলো আর জমা দেওয়া হয়নি। যে কারণে শিডিউল জমাদান প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হলে বিপাকে পড়েন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
এ অবস্থায় সময় শেষ হলেও শিডিউল জমা নেওয়ার জন্য ইউএনও কার্যালয়ে জড়ো হয়ে তাঁকে চাপ দেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনির দেওয়ান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন, যুবদলের সদস্যসচিব আমির হোসেন বাঘা, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান সজল, সদস্যসচিব দুলাল সরদার, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মহসীন সিকদার প্রমুখ।
জানতে চাইলে শিডিউল সংগ্রহ করা স্থানীয় ঠিকাদার আরিফ হোসেন বলেন, ‘আমি কিছু জানি না, সাইডে ছিলাম। সিদ্ধান্ত কী হয়েছে জানি না।’ হিজলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গাফফার তালুকদার বলেন, ‘আমার জানা নেই। আমি এলাকাতেই নেই।’
বিএনপির নেতা গাফফারের ছেলে শিতল তালুকদার বলেন, ‘আমি তো চর থেকে আসলাম।’ এ বিষয়ে জানতে হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনির দেওয়ানকে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি।
তবে যুবদলের সদস্যসচিব আমির হোসেন বাঘা বলেন, ‘সময়মতো জমা দিতে পারিনি। ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া নিয়ে ঝামেলা হয়। তিনিও তাঁর বাজারের ইজারা পেতে গিয়েছিলেন। তবে হাট-বাজারের ইজারা প্রস্তুত করার চেষ্টা হয়েছে, এমনটি সঠিক নয়।’
এ বিষয়ে হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘বেলা ১টা পর্যন্ত ১ থেকে ২টি শিডিউল জমা পড়ে। পরে আর জমা নেওয়া হয়নি। আমরা আইনের বাইরে যাব না। মঙ্গলবার (আজ) ওপেন করে দেখা হবে কয়টি জমা পড়েছে। পর্যাপ্ত জমা না পড়লে ১৩ মার্চ আরেকটি তারিখে শিডিউল গ্রহণ করা হবে।’

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
৫ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
৫ ঘণ্টা আগে