নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল ক্লাবের সভাপতি পদ দখলের অভিযোগে করা মামলায় মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে আদালত। ওই ক্লাবে সভাপতি পদে তার কার্যক্রমে কেন স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে না তা জানাতে চেয়ে এটি দেওয়া হয়। আজ সোমবার বরিশাল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বিচারক হাসিবুল হাসান এই নোটিশ জারির আদেশ দেন।
একই সঙ্গে নোটিশ প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ক্লাবের সভাপতি ও মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। মামলার অপর বিবাদী ক্লাবের সম্পাদককেও (সেক্রেটারি) একই আদেশ দেওয়া হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার মফিজুর রহমান চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি সিটি মেয়র ও বরিশাল ক্লাবের সম্পাদককে বিবাদী করে বরিশাল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে নালিশি মামলাটি দায়ের করেন।
বাদীর আইনজীবী আজাদ রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, ‘বিচারক হাসিবুল হাসান বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করেছিলেন। রোববার বরিশাল ক্লাবের সভাপতি পদে মেয়র সাদিকের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আরেকটি আবেদন করা হয়। আজ সোমবার বিচারক নালিশি মামলা গ্রহণ করে মেয়র সাদিক ও ক্লাব সেক্রেটারিকে শোকজ নোটিশ দেন।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কার্যকরী কমিটির সদস্য পদে যেতে সাধারণ সদস্য পদ ১০ বছর পূর্ণ হতে হবে। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ২০১৬ সালের ২০ আগস্ট ক্লাবের সদস্য হন। তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ২০১৯ সালের ৮ মার্চ জোর করে নিজেকে ক্লাবের সভাপতি ঘোষণা করেন। এতে তিনি ক্লাবের গঠনতন্ত্রের বিধি (আর্টিকেল) ৩২ (খ) ধারা লঙ্ঘন করেছেন।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত হয়ে সাদিক আবদুল্লাহ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহীসহ দুই কর্মকর্তাকে ক্লাবের গেস্ট রুমে স্থায়ীভাবে থাকতে দেন এবং তারা ক্যাফেটেরিয়ার খাবার গ্রহণ করেন। এতে তাদের কাছে ক্লাবের কোটি টাকার বেশি বকেয়া পড়ে।
উল্লেখ্য, বরিশাল ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি ছিলেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর আপন মামা মফিজুর রহমান কামাল। ২০১৯ সালের ৮ মার্চ সাধারণ সভা চলাকালে মেয়র দলবলসহ উপস্থিত হয়ে সভার নিয়ন্ত্রণ নেন। পরে তিনি ক্লাবের সভাপতি হন।

বরিশাল ক্লাবের সভাপতি পদ দখলের অভিযোগে করা মামলায় মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে আদালত। ওই ক্লাবে সভাপতি পদে তার কার্যক্রমে কেন স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে না তা জানাতে চেয়ে এটি দেওয়া হয়। আজ সোমবার বরিশাল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বিচারক হাসিবুল হাসান এই নোটিশ জারির আদেশ দেন।
একই সঙ্গে নোটিশ প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ক্লাবের সভাপতি ও মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। মামলার অপর বিবাদী ক্লাবের সম্পাদককেও (সেক্রেটারি) একই আদেশ দেওয়া হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার মফিজুর রহমান চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি সিটি মেয়র ও বরিশাল ক্লাবের সম্পাদককে বিবাদী করে বরিশাল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে নালিশি মামলাটি দায়ের করেন।
বাদীর আইনজীবী আজাদ রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, ‘বিচারক হাসিবুল হাসান বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করেছিলেন। রোববার বরিশাল ক্লাবের সভাপতি পদে মেয়র সাদিকের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আরেকটি আবেদন করা হয়। আজ সোমবার বিচারক নালিশি মামলা গ্রহণ করে মেয়র সাদিক ও ক্লাব সেক্রেটারিকে শোকজ নোটিশ দেন।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কার্যকরী কমিটির সদস্য পদে যেতে সাধারণ সদস্য পদ ১০ বছর পূর্ণ হতে হবে। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ২০১৬ সালের ২০ আগস্ট ক্লাবের সদস্য হন। তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ২০১৯ সালের ৮ মার্চ জোর করে নিজেকে ক্লাবের সভাপতি ঘোষণা করেন। এতে তিনি ক্লাবের গঠনতন্ত্রের বিধি (আর্টিকেল) ৩২ (খ) ধারা লঙ্ঘন করেছেন।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত হয়ে সাদিক আবদুল্লাহ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহীসহ দুই কর্মকর্তাকে ক্লাবের গেস্ট রুমে স্থায়ীভাবে থাকতে দেন এবং তারা ক্যাফেটেরিয়ার খাবার গ্রহণ করেন। এতে তাদের কাছে ক্লাবের কোটি টাকার বেশি বকেয়া পড়ে।
উল্লেখ্য, বরিশাল ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি ছিলেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর আপন মামা মফিজুর রহমান কামাল। ২০১৯ সালের ৮ মার্চ সাধারণ সভা চলাকালে মেয়র দলবলসহ উপস্থিত হয়ে সভার নিয়ন্ত্রণ নেন। পরে তিনি ক্লাবের সভাপতি হন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে