নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে যোগদানপত্রে সই করেন। অনেকটা সাদামাটাভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে প্রথম দিন ছাত্র-শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন নতুন উপাচার্য।
উপাচার্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে কার্যালয়ে বসেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। পরে ছাত্র-শিক্ষকেরা নতুন উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে সাক্ষাৎকালে ফুলের শুভেচ্ছা কিংবা কোনো আয়োজন ছিল না।
সাক্ষাতে ছাত্ররা বারবার কেন আন্দোলন করতে হয় তাঁর ব্যাখ্যা দেন। পরে উপাচার্য ড. তৌফিক আলম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনিক, একাডেমিক ভবন ও তাঁর বাসভবনের তালা খোলেন। বাসভবনের তালা খুলে নতুন উপাচার্য তা ছাত্রদের হাতে তুলে দেন। এ সময় তিনি ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, ‘এটা তোমাদের হাতে দিয়ে গেলাম, আমার মাধ্যমে যদি কোনো অন্যায় পাও, তাহলে আবার আটকায় দিও।’
তৌফিক আলম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগ থেকে ১৯৮৬ ও ১৯৮৭ সালে যথাক্রমে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৭ সালে জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজিতে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ২০০২ সালে জাপানের টোকিও ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ১৯৯২ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগে যোগ দেন এবং ২০০৭ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের টানা ২৯ দিনের আন্দোলনের পর গত মঙ্গলবার অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনকে উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ওই দিনই রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে যোগদানপত্রে সই করেন। অনেকটা সাদামাটাভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে প্রথম দিন ছাত্র-শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন নতুন উপাচার্য।
উপাচার্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে কার্যালয়ে বসেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। পরে ছাত্র-শিক্ষকেরা নতুন উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে সাক্ষাৎকালে ফুলের শুভেচ্ছা কিংবা কোনো আয়োজন ছিল না।
সাক্ষাতে ছাত্ররা বারবার কেন আন্দোলন করতে হয় তাঁর ব্যাখ্যা দেন। পরে উপাচার্য ড. তৌফিক আলম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনিক, একাডেমিক ভবন ও তাঁর বাসভবনের তালা খোলেন। বাসভবনের তালা খুলে নতুন উপাচার্য তা ছাত্রদের হাতে তুলে দেন। এ সময় তিনি ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, ‘এটা তোমাদের হাতে দিয়ে গেলাম, আমার মাধ্যমে যদি কোনো অন্যায় পাও, তাহলে আবার আটকায় দিও।’
তৌফিক আলম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগ থেকে ১৯৮৬ ও ১৯৮৭ সালে যথাক্রমে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৭ সালে জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজিতে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ২০০২ সালে জাপানের টোকিও ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ১৯৯২ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগে যোগ দেন এবং ২০০৭ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের টানা ২৯ দিনের আন্দোলনের পর গত মঙ্গলবার অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনকে উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ওই দিনই রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৯ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪১ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে