বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশির আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার এক প্রবাসীর স্ত্রী বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে ঘুষ গ্রহণ ও অসদাচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট থানার ওই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
অভিযোগকারী বামনা উপজেলার ৪ নম্বর ডৌয়াতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ ডৌয়াতলা গ্রামের প্রবাসী আলী আকবর খানের স্ত্রী আকলীমা বেগম।
অভিযোগে আকলিমা বেগম উল্লেখ করেন, গত শনিবার (১১ মার্চ) বেলা ৪টার দিকে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশির আলম তাঁর (আকলিমা বেগমের) কলেজ পড়ুয়া ছেলে রাফিজ (১৯) খানকে পুলিশ দিয়ে থানায় ধরে নিয়ে যান। খবর পেয়ে ছেলের বিষয়ে জানতে তিনি থানায় গিয়ে ওসি মোহাম্মদ বশিরুল আলমের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় ওসি আকলিমা বেগমকে জানান, রাফিজ রামনা ইউনিয়নে চারটি খড়ের গাদায় আগুন দিয়েছে। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় আনা হয়েছে। রাফিজকে ছাড়িয়ে নিতে তাঁর কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন ওসি বশিরুল আলম। পরে ওই দিন রাত ১১টায় ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে ছেলেকে ছাড়িয়ে নেন আকলিমা বেগম।
আকলিমা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার ছেলে রাফিজ খান খুবই অসুস্থ। কিছুদিন আগে ওর হাঁটুতে অপারেশন হয়েছে। ওর হাঁটতে খুবই সমস্যা হয়। গত শনিবার মিথ্যা অভিযোগে আমাকে ও আমার ছেলেকে থানায় ডেকে নেন ওসি। আমি থানায় গেলে ওসি আমার সঙ্গে অনেক খারাপ আচরণ করেন এবং ছেলেকে মারধর করেন। আমার ছেলেকে কোর্টে চালান দেবে এই ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমার ছেলেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসি।’
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশির আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘুষ নেওয়া কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা। রাফিজকে আমি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে আনি, পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ডিআইজি মহোদয়ের কাছে অভিযোগের বিষয়ে আমি জানি না।’
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার মো. আবদুস ছালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ রকম অভিযোগ উঠলে সেটা দুঃখজনক।’
পুলিশের বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. আকতারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

বরগুনার বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশির আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার এক প্রবাসীর স্ত্রী বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে ঘুষ গ্রহণ ও অসদাচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট থানার ওই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
অভিযোগকারী বামনা উপজেলার ৪ নম্বর ডৌয়াতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ ডৌয়াতলা গ্রামের প্রবাসী আলী আকবর খানের স্ত্রী আকলীমা বেগম।
অভিযোগে আকলিমা বেগম উল্লেখ করেন, গত শনিবার (১১ মার্চ) বেলা ৪টার দিকে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশির আলম তাঁর (আকলিমা বেগমের) কলেজ পড়ুয়া ছেলে রাফিজ (১৯) খানকে পুলিশ দিয়ে থানায় ধরে নিয়ে যান। খবর পেয়ে ছেলের বিষয়ে জানতে তিনি থানায় গিয়ে ওসি মোহাম্মদ বশিরুল আলমের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় ওসি আকলিমা বেগমকে জানান, রাফিজ রামনা ইউনিয়নে চারটি খড়ের গাদায় আগুন দিয়েছে। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় আনা হয়েছে। রাফিজকে ছাড়িয়ে নিতে তাঁর কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন ওসি বশিরুল আলম। পরে ওই দিন রাত ১১টায় ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে ছেলেকে ছাড়িয়ে নেন আকলিমা বেগম।
আকলিমা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার ছেলে রাফিজ খান খুবই অসুস্থ। কিছুদিন আগে ওর হাঁটুতে অপারেশন হয়েছে। ওর হাঁটতে খুবই সমস্যা হয়। গত শনিবার মিথ্যা অভিযোগে আমাকে ও আমার ছেলেকে থানায় ডেকে নেন ওসি। আমি থানায় গেলে ওসি আমার সঙ্গে অনেক খারাপ আচরণ করেন এবং ছেলেকে মারধর করেন। আমার ছেলেকে কোর্টে চালান দেবে এই ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমার ছেলেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসি।’
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বশির আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘুষ নেওয়া কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা। রাফিজকে আমি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে আনি, পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ডিআইজি মহোদয়ের কাছে অভিযোগের বিষয়ে আমি জানি না।’
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার মো. আবদুস ছালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ রকম অভিযোগ উঠলে সেটা দুঃখজনক।’
পুলিশের বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. আকতারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৯ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
২৫ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩৮ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৪৪ মিনিট আগে