নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

এবার মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে বরিশাল ক্লাবের সভাপতি পদ অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের এমন অভিযোগ করে মফিজুর রহমান চৌধুরী নামে ক্লাবের এক সদস্য নালিশি মামলা দায়ের করেছেন। আদালতে বিচারক হাসিবুল হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে রোববার আদেশের জন্য রেখেছেন।
মামলায় ক্লাবের সম্পাদক (সেক্রেটারি) আমিনুল ইসলাম তালুকদারকে দ্বিতীয় বিবাদী করা হয়েছে।
মামলায় বলা হয়েছে, গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে মেয়র সাদিক সভাপতি পদ দখল করায় বরিশাল ক্লাব লিমিটেডের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। ১ নম্বর বিবাদী মেয়র বেআইনিভাবে সভাপতি হওয়ার পর বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও হিসাবরক্ষণ অফিসারকে ক্লাবের দুটি রুমে থাকার ব্যবস্থা করে দেন। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে রুম ভাড়া এবং ক্যাফেটেরিয়ার বিল পরিশোধ না করায় কোটি কোটি টাকা ক্লাব পাওনা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, তাঁর মক্কেল দাবি করেছেন, বরিশাল ক্লাবের সভাপতি পদ অবৈধভাবে দখল করেছেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, একজন স্থায়ী সদস্যকে সভাপতি হতে হলে তাঁকে কমপক্ষে ১০ বছরের পুরোনো হতে হবে।
কিন্তু ১ নম্বর বিবাদী মেয়র ২০১৬ সালের ২০ আগস্ট সদস্য হন। গঠনতন্ত্রের আর্টিকেল ৩২ (খ) ধারা অনুযায়ী ১ নম্বর বিবাদী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সদস্যভুক্তির ১০ বছর অতিক্রান্ত না হওয়ার আগে ২০১৯ সালের ৮ মার্চ বেআইনি ও অবৈধভাবে সভাপতি পদ দখল করেন।
এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
বরিশাল ক্লাব লিমিটেডের সম্পাদক (সেক্রেটারি) আমিনুল ইসলাম তালুকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ক্লাবের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয় আমার জানা নেই। সভাপতি পদ অবৈধ দাবি করে যিনি মামলা করেছেন, তিনি কিংবা কেউ এ ধরনের কোনো মামলার কপিও আমাদের কাছে পৌঁছাননি।’

এবার মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে বরিশাল ক্লাবের সভাপতি পদ অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের এমন অভিযোগ করে মফিজুর রহমান চৌধুরী নামে ক্লাবের এক সদস্য নালিশি মামলা দায়ের করেছেন। আদালতে বিচারক হাসিবুল হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে রোববার আদেশের জন্য রেখেছেন।
মামলায় ক্লাবের সম্পাদক (সেক্রেটারি) আমিনুল ইসলাম তালুকদারকে দ্বিতীয় বিবাদী করা হয়েছে।
মামলায় বলা হয়েছে, গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে মেয়র সাদিক সভাপতি পদ দখল করায় বরিশাল ক্লাব লিমিটেডের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। ১ নম্বর বিবাদী মেয়র বেআইনিভাবে সভাপতি হওয়ার পর বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও হিসাবরক্ষণ অফিসারকে ক্লাবের দুটি রুমে থাকার ব্যবস্থা করে দেন। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে রুম ভাড়া এবং ক্যাফেটেরিয়ার বিল পরিশোধ না করায় কোটি কোটি টাকা ক্লাব পাওনা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, তাঁর মক্কেল দাবি করেছেন, বরিশাল ক্লাবের সভাপতি পদ অবৈধভাবে দখল করেছেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, একজন স্থায়ী সদস্যকে সভাপতি হতে হলে তাঁকে কমপক্ষে ১০ বছরের পুরোনো হতে হবে।
কিন্তু ১ নম্বর বিবাদী মেয়র ২০১৬ সালের ২০ আগস্ট সদস্য হন। গঠনতন্ত্রের আর্টিকেল ৩২ (খ) ধারা অনুযায়ী ১ নম্বর বিবাদী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সদস্যভুক্তির ১০ বছর অতিক্রান্ত না হওয়ার আগে ২০১৯ সালের ৮ মার্চ বেআইনি ও অবৈধভাবে সভাপতি পদ দখল করেন।
এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
বরিশাল ক্লাব লিমিটেডের সম্পাদক (সেক্রেটারি) আমিনুল ইসলাম তালুকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ক্লাবের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয় আমার জানা নেই। সভাপতি পদ অবৈধ দাবি করে যিনি মামলা করেছেন, তিনি কিংবা কেউ এ ধরনের কোনো মামলার কপিও আমাদের কাছে পৌঁছাননি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে