নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ভোট দিতে আসেননি। তিনি তাঁর চাচা নৌকার মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহর একই কেন্দ্রের ভোটার।
জানা গেছে, খোকন সেরনিয়াবাত ও সাদিক নগরের সরকারি বরিশাল কলেজ কেন্দ্রের ভোটার।
মেয়র সাদিকের ভোটার নম্বর ০৬০৪০৩০০০১৮৪ এবং মেয়র প্রার্থী খায়ের আবদুল্লাহর ভোটার নম্বর ০৬০৪০৩৭৯৯৬৯৯।
আজ সোমবার ভোট প্রয়োগ শেষে নৌকার মেয়র প্রার্থী আবুল খায়েরের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, ভাতিজা সাদিক ভোট দিতে আসবেন কি না। জবাবে আবুল খায়ের বলেন, ‘আমি তা জানি না।’
গত ১৫ এপ্রিল মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন হারিয়ে আর বরিশালে ফেরেননি সাদিক আবদুল্লাহ। চাচা আবুল খায়েরের অনুসারীরা নির্বাচনের শুরু থেকেই মেয়র সাদিককে নগরে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন।

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ভোট দিতে আসেননি। তিনি তাঁর চাচা নৌকার মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহর একই কেন্দ্রের ভোটার।
জানা গেছে, খোকন সেরনিয়াবাত ও সাদিক নগরের সরকারি বরিশাল কলেজ কেন্দ্রের ভোটার।
মেয়র সাদিকের ভোটার নম্বর ০৬০৪০৩০০০১৮৪ এবং মেয়র প্রার্থী খায়ের আবদুল্লাহর ভোটার নম্বর ০৬০৪০৩৭৯৯৬৯৯।
আজ সোমবার ভোট প্রয়োগ শেষে নৌকার মেয়র প্রার্থী আবুল খায়েরের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, ভাতিজা সাদিক ভোট দিতে আসবেন কি না। জবাবে আবুল খায়ের বলেন, ‘আমি তা জানি না।’
গত ১৫ এপ্রিল মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন হারিয়ে আর বরিশালে ফেরেননি সাদিক আবদুল্লাহ। চাচা আবুল খায়েরের অনুসারীরা নির্বাচনের শুরু থেকেই মেয়র সাদিককে নগরে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে