বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো. নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ রোববার এ ঘটনার বিচার চেয়ে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।
জানা যায়, ভুক্তভোগীর স্বামী আমতলী উপজেলা পরিষদে মজুরিভিত্তিক নিয়োগ পেয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর ২০১৬ সালে তাঁর স্ত্রীকে (ভুক্তভোগী) ইউএনওর কার্যালয়ের দৈনিক মজুরিভিত্তিক মালি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, এ বছর মার্চ মাসে মো. নাজমুল ইসলাম আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যোগ দেন। একই বছর জুলাই মাসে ইউএনও আসাদুজ্জামান বদলি হওয়ার পর তিন মাস নাজমুল ইসলাম আমতলী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনওর দায়িত্ব পালন করছেন। ওই নারীর অভিযোগ, নাজমুল ইসলাম কারণে-অকারণে তাঁকে অফিসকক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানি ও খারাপ প্রস্তাব দেন। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় মাঝেমধ্যে তাঁর শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিতেন। ওই নারীর ব্যবহৃত ফোননম্বর সংগ্রহ করে দিনে ও রাতে ১০/১৫ বার কল দিয়ে বিরক্ত করতেন। বিষয়টি ওই নারী অফিসের অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জানান।
অভিযোগে আরও জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে অফিসে আসেন মো. নাজমুল ইসলাম। তখন ওই ভুক্তভোগী নারী উপজেলা পরিষদের সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর (সিএ) আবদুস সালামের কক্ষে বসে ছিলেন। এ সময় সেখানে গিয়ে আবদুস সালামকে তাঁর কক্ষ থেকে বের হতে বলেন। সালাম কক্ষ থেকে বের হয়ে সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় এসি (ল্যান্ড) ওই নারীকে সরকারি জমি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রকাশ্যে যৌন হয়রানি করেন। একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তিনি চিৎকার করে হাত ছাড়িয়ে নিয়ে কক্ষ থেকে বের হন। এ সময় অফিসে থাকা অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে এসে ঘটনা দেখেন। এ সময় ওই নারীর চাকরি বাতিল ও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা পরিষদের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, মজুরিভিত্তিক (মাস্টাররোল) নিয়োগ পাওয়া ওই নারী কর্মকর্তার সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত ইউএনওর দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রকাশ্যে ওই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন। অনেক স্টাফ ও পরিষদে সেবা নিতে আসা অনেকেই দেখেন।
ভুক্তভোগী ওই নারী কর্মকর্তা বলেন, আমি এ ঘটনার বিচার চেয়ে ইউএনও স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি। তিনি আমাকে এখন বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাজমুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র। আমাকে হেয় করতে এ ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
ইউএনও একেএম আবদুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, আমি ছুটিতে ঢাকায় অবস্থান করছি। তবে ওই নারীর লিখিত অভিযোগের বিষয়টি আমি জেনেছি। অফিসে ফিরে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তিনিও বিষয়টি শুনেছেন। প্রকৃত ঘটনা জেনে তদন্ত করে সত্যতা পেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বরগুনার আমতলী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো. নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ রোববার এ ঘটনার বিচার চেয়ে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।
জানা যায়, ভুক্তভোগীর স্বামী আমতলী উপজেলা পরিষদে মজুরিভিত্তিক নিয়োগ পেয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর ২০১৬ সালে তাঁর স্ত্রীকে (ভুক্তভোগী) ইউএনওর কার্যালয়ের দৈনিক মজুরিভিত্তিক মালি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, এ বছর মার্চ মাসে মো. নাজমুল ইসলাম আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যোগ দেন। একই বছর জুলাই মাসে ইউএনও আসাদুজ্জামান বদলি হওয়ার পর তিন মাস নাজমুল ইসলাম আমতলী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনওর দায়িত্ব পালন করছেন। ওই নারীর অভিযোগ, নাজমুল ইসলাম কারণে-অকারণে তাঁকে অফিসকক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানি ও খারাপ প্রস্তাব দেন। এতে তিনি রাজি না হওয়ায় মাঝেমধ্যে তাঁর শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিতেন। ওই নারীর ব্যবহৃত ফোননম্বর সংগ্রহ করে দিনে ও রাতে ১০/১৫ বার কল দিয়ে বিরক্ত করতেন। বিষয়টি ওই নারী অফিসের অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জানান।
অভিযোগে আরও জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে অফিসে আসেন মো. নাজমুল ইসলাম। তখন ওই ভুক্তভোগী নারী উপজেলা পরিষদের সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর (সিএ) আবদুস সালামের কক্ষে বসে ছিলেন। এ সময় সেখানে গিয়ে আবদুস সালামকে তাঁর কক্ষ থেকে বের হতে বলেন। সালাম কক্ষ থেকে বের হয়ে সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় এসি (ল্যান্ড) ওই নারীকে সরকারি জমি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রকাশ্যে যৌন হয়রানি করেন। একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তিনি চিৎকার করে হাত ছাড়িয়ে নিয়ে কক্ষ থেকে বের হন। এ সময় অফিসে থাকা অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে এসে ঘটনা দেখেন। এ সময় ওই নারীর চাকরি বাতিল ও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা পরিষদের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, মজুরিভিত্তিক (মাস্টাররোল) নিয়োগ পাওয়া ওই নারী কর্মকর্তার সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত ইউএনওর দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রকাশ্যে ওই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন। অনেক স্টাফ ও পরিষদে সেবা নিতে আসা অনেকেই দেখেন।
ভুক্তভোগী ওই নারী কর্মকর্তা বলেন, আমি এ ঘটনার বিচার চেয়ে ইউএনও স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি। তিনি আমাকে এখন বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাজমুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র। আমাকে হেয় করতে এ ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
ইউএনও একেএম আবদুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, আমি ছুটিতে ঢাকায় অবস্থান করছি। তবে ওই নারীর লিখিত অভিযোগের বিষয়টি আমি জেনেছি। অফিসে ফিরে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তিনিও বিষয়টি শুনেছেন। প্রকৃত ঘটনা জেনে তদন্ত করে সত্যতা পেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
৩৯ মিনিট আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে