তারিকুল ইসলাম কাজী রাকিব পাথরঘাটা (বরগুনা)

ভরা মৌসুমেও সাগরে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ পাচ্ছেন না বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। এত দিন নিষেধাজ্ঞায় প্রায় দুই মাস সাগরে মাছ ধরতে পারেননি তাঁরা। নিষেধাজ্ঞা ওঠার পর কয়েক দফা সাগরে গিয়ে কম মাছ পেয়েছেন তাঁরা। আর এখন সাগর উত্তাল থাকায় নৌকা নিয়ে দূরে যেতে পারছেন না তাঁরা। সব মিলিয়ে আর্থিক চাপে পড়েছেন তাঁরা।
পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, নিষেধাজ্ঞার পর ১২ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ১৪২ টন মাছ অবতরণ হয়েছে। এর মধ্যে ইলিশ ৫৫ টন ও অন্যান্য মাছ ৮৭ টন। এ সময় সরকার অবতরণ চার্জ পেয়েছে ৯ লাখ ১৭ হাজার ৫০ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় অনেক কম।
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের রুহিতা এলাকার জেলে আবদুল্লাহ গাজী জানান, তিনি দীর্ঘ ৫৮ দিন কষ্টে তীরে বসেছিলেন। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর সাগরে গিয়েও খালি হাতে ফিরছেন। তাঁর পরিবারের অবস্থা ভালো নয়। ধারদেনা ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে চলছে তাঁর সংসার। তাঁর আশা, আবহাওয়া ভালো হলে সাগরে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ নিয়ে ফিরতে পারবেন।
স্থানীয় জেলেরা জানান, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো সরকারি সহায়তা পাননি। সাগরে ডাকাতির ভয় আর মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে উত্তাল সমুদ্রে ভাসেন তাঁরা।
স্থানীয় ট্রলারমালিক আলম মিয়া বলেন, সাগরে গিয়েও জেলেরা খালি হাতে ফিরছে। সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে। এবার মৌসুম শুরুতেই এমন পরিস্থিতিতে সবাই হতাশ।
পাথরঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক বলেন, ‘এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ মাছের ওপর নির্ভরশীল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলেরা সাগরে যেতে পারছেন না। আমাদের কাছে খবর আছে, সমুদ্রে পানি বেড়েছে, প্রচুর ইলিশ রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে এলে জেলেরা কাঙ্ক্ষিত ইলিশ নিয়ে ফিরবেন।’
চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত:
এদিকে বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়ে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এতে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলছে আবহাওয়া অফিস। আজ মঙ্গলবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়া বার্তায় জানানো হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ভরা মৌসুমেও সাগরে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ পাচ্ছেন না বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। এত দিন নিষেধাজ্ঞায় প্রায় দুই মাস সাগরে মাছ ধরতে পারেননি তাঁরা। নিষেধাজ্ঞা ওঠার পর কয়েক দফা সাগরে গিয়ে কম মাছ পেয়েছেন তাঁরা। আর এখন সাগর উত্তাল থাকায় নৌকা নিয়ে দূরে যেতে পারছেন না তাঁরা। সব মিলিয়ে আর্থিক চাপে পড়েছেন তাঁরা।
পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, নিষেধাজ্ঞার পর ১২ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ১৪২ টন মাছ অবতরণ হয়েছে। এর মধ্যে ইলিশ ৫৫ টন ও অন্যান্য মাছ ৮৭ টন। এ সময় সরকার অবতরণ চার্জ পেয়েছে ৯ লাখ ১৭ হাজার ৫০ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় অনেক কম।
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের রুহিতা এলাকার জেলে আবদুল্লাহ গাজী জানান, তিনি দীর্ঘ ৫৮ দিন কষ্টে তীরে বসেছিলেন। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর সাগরে গিয়েও খালি হাতে ফিরছেন। তাঁর পরিবারের অবস্থা ভালো নয়। ধারদেনা ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে চলছে তাঁর সংসার। তাঁর আশা, আবহাওয়া ভালো হলে সাগরে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ নিয়ে ফিরতে পারবেন।
স্থানীয় জেলেরা জানান, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো সরকারি সহায়তা পাননি। সাগরে ডাকাতির ভয় আর মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে উত্তাল সমুদ্রে ভাসেন তাঁরা।
স্থানীয় ট্রলারমালিক আলম মিয়া বলেন, সাগরে গিয়েও জেলেরা খালি হাতে ফিরছে। সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে। এবার মৌসুম শুরুতেই এমন পরিস্থিতিতে সবাই হতাশ।
পাথরঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক বলেন, ‘এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ মাছের ওপর নির্ভরশীল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলেরা সাগরে যেতে পারছেন না। আমাদের কাছে খবর আছে, সমুদ্রে পানি বেড়েছে, প্রচুর ইলিশ রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে এলে জেলেরা কাঙ্ক্ষিত ইলিশ নিয়ে ফিরবেন।’
চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত:
এদিকে বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়ে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এতে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলছে আবহাওয়া অফিস। আজ মঙ্গলবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়া বার্তায় জানানো হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাতনামা যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের নারানখালী ব্রিজের নিচে ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে নাঈমের প্রাইভেটকারটির। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা নঈমকে প্রাইভেটকার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পুকুর খননে বাধা দেওয়ায় আহমেদ জুবায়ের (২৩) নামের এক তরুণকে হত্যার ঘটনায় বিপ্লব হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ওয়াপদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
এসআই সুমন চন্দ্র শেখ আরও বলেন, ওই যুবকের মাথাসহ শরীরের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তের পর বলা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে