বরগুনার আমতলী উপজেলায় দুই চাচাতো ভাইয়ের ঝগড়া থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে জহিরুল সিকদার (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ ছুরিকাঘাতের অভিযোগে মুনসুর সিকদার (৪৫) নামে নিহতের এক চাচাতো ভাইকে আটক করেছে।
নিহত জহিরুল উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত মুনসুরও একই গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের চাচাতো ভাই ফরিদ সিকদারের সঙ্গে মুনসুরের ১০ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে ফরিদ ওই জমি চাষাবাদ করতে যান। খবর পেয়ে মুনসুর একটি ছুরি নিয়ে তাঁকে ধাওয়া করেন। এ সময় ফরিদের পায়ে ছুরি মারেন মুনসুর। ফরিদের চিৎকারে তাঁদের আরেক চাচাতো ভাই জহিরুল ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি দুই চাচাতো ভাইয়ের ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু উত্তেজিত মুনসুর তাঁকে পেটে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় জহিরুলকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান বলেন, জহিরুল সিকদার হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান। তাঁর পেটে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম মাসুম বলেন, ঘাতক মুনসুর সিকদারকে আটক এবং ছুরিটি জব্দ করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে