জমির উদ্দিন, বান্দরবান রুমা থেকে

র্যাবের মধ্যস্থতায় বান্দরবানের রুমায় সোনালী ব্যাংকের শাখা ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনকে উদ্ধার করেছে র্যাব। নেজাম উদ্দিনকে নিয়ে রুমা উপজেলার তিন নম্বর সদর ইউনিয়ন হয়ে বান্দরবান সদরের পথে আছেন তাঁর ভাই ও পুলিশের উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান।
উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে আমরা রুমা হয়ে একেবারে ভেতরে চলে যাই। গিয়ে একটি ঘর থেকে কেএনএফের সদস্যরা ভাইকে বুঝিয়ে দেয়। কথা বলার সুযোগ দেয়নি। সঙ্গে সঙ্গে ভাইকে গাড়িতে তুলে বান্দরবান সদরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছি।’
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সোনালী ব্যাংক থেকে ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ও আনসার সদস্যদের ১৪টি অস্ত্র লুট করে। এ সময় ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকেও তুলে নিয়ে যায় তারা।
ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে মসজিদ থেকে তুলে নিয়ে যায় কেএনএফ। মসজিদে উপস্থিত থাকা ইমাম নুর ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এশার নামাজ শেষ করে দেখি সেনাবাহিনীর পোশাক পরা কিছু লোক দাঁড়িয়ে আছে। তাঁরা আমাদের বলেন, ‘‘কেউ নড়া-চড়া করবা না। সবার মোবাইল দিয়ে দাও।’’ এক প্রকার আমাদের জিম্মি করে ফেলে তাঁরা। আমাদের মোবাইল কেড়ে নিয়ে গেল।’’’
নুর ইসলাম আরও বলেন, ‘এরপর তাঁরা ব্যাংকের ম্যানেজারকে খুঁজছিল, কিন্তু পাচ্ছিল না, তখন ব্যাংকের যে পুলিশ ছিল মানে ইনচার্জ ছিল তাঁকে নিয়ে এসে মারধর করে ম্যানেজারকে শনাক্ত করে।’
আপনাদের মধ্য ভয় কাজ করছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইমাম বলেন, ‘সবাই কলমা পড়ছিলাম, মউতের কলমা পড়ছিলাম। খালি আমি একা নয়, সবাই।’
অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘আমরা তিন রাকাত নামাজ শেষ করার পর সন্ত্রাসীরা মসজিদে আসে। এরপর আমাদের মোবাইল নিয়ে যায়। ৭ থেকে ৮ জন লোক আমাদের মসজিদে ঢুকছিল সেনাবাহিনীর পোশাক পরা, জুতা পরা। তাঁদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র ছিল।’
তিনি বলেন, ‘এক ঘণ্টা আমাদের জিম্মি করে রাখে। এ সময় আমাদের নামাজ পরতে দেয় নাই। এর একটা শব্দ হইছে তখন তাঁরা বের হয়ে গেছে। কিসের শব্দ সেটা জানি না, তাঁদের সিগনাল হতে পারে।’

র্যাবের মধ্যস্থতায় বান্দরবানের রুমায় সোনালী ব্যাংকের শাখা ম্যানেজার নেজাম উদ্দীনকে উদ্ধার করেছে র্যাব। নেজাম উদ্দিনকে নিয়ে রুমা উপজেলার তিন নম্বর সদর ইউনিয়ন হয়ে বান্দরবান সদরের পথে আছেন তাঁর ভাই ও পুলিশের উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান।
উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে আমরা রুমা হয়ে একেবারে ভেতরে চলে যাই। গিয়ে একটি ঘর থেকে কেএনএফের সদস্যরা ভাইকে বুঝিয়ে দেয়। কথা বলার সুযোগ দেয়নি। সঙ্গে সঙ্গে ভাইকে গাড়িতে তুলে বান্দরবান সদরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছি।’
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সোনালী ব্যাংক থেকে ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ও আনসার সদস্যদের ১৪টি অস্ত্র লুট করে। এ সময় ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকেও তুলে নিয়ে যায় তারা।
ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে মসজিদ থেকে তুলে নিয়ে যায় কেএনএফ। মসজিদে উপস্থিত থাকা ইমাম নুর ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এশার নামাজ শেষ করে দেখি সেনাবাহিনীর পোশাক পরা কিছু লোক দাঁড়িয়ে আছে। তাঁরা আমাদের বলেন, ‘‘কেউ নড়া-চড়া করবা না। সবার মোবাইল দিয়ে দাও।’’ এক প্রকার আমাদের জিম্মি করে ফেলে তাঁরা। আমাদের মোবাইল কেড়ে নিয়ে গেল।’’’
নুর ইসলাম আরও বলেন, ‘এরপর তাঁরা ব্যাংকের ম্যানেজারকে খুঁজছিল, কিন্তু পাচ্ছিল না, তখন ব্যাংকের যে পুলিশ ছিল মানে ইনচার্জ ছিল তাঁকে নিয়ে এসে মারধর করে ম্যানেজারকে শনাক্ত করে।’
আপনাদের মধ্য ভয় কাজ করছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইমাম বলেন, ‘সবাই কলমা পড়ছিলাম, মউতের কলমা পড়ছিলাম। খালি আমি একা নয়, সবাই।’
অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘আমরা তিন রাকাত নামাজ শেষ করার পর সন্ত্রাসীরা মসজিদে আসে। এরপর আমাদের মোবাইল নিয়ে যায়। ৭ থেকে ৮ জন লোক আমাদের মসজিদে ঢুকছিল সেনাবাহিনীর পোশাক পরা, জুতা পরা। তাঁদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র ছিল।’
তিনি বলেন, ‘এক ঘণ্টা আমাদের জিম্মি করে রাখে। এ সময় আমাদের নামাজ পরতে দেয় নাই। এর একটা শব্দ হইছে তখন তাঁরা বের হয়ে গেছে। কিসের শব্দ সেটা জানি না, তাঁদের সিগনাল হতে পারে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে