বদরুল ইসলাম মাসুদ, বান্দরবান

মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই এবার প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে বান্দরবানে। এই আগাম বৃষ্টিতে স্থবিরতা নেমে এসেছে জেলার পর্যটন খাতে। প্রায় ফাঁকা পর্যটনকেন্দ্রগুলো, পর্যটক না থাকায় অলস সময় পার করছেন স্থানীয় যানবাহন চালকেরা, বুকিং নেই আবাসিক হোটেল-রিসোর্টগুলোতে। ফলে ক্ষতির মুখে বান্দরবানের পর্যটন খাত।
বর্তমানে জ্যৈষ্ঠ মাস চলছে। বান্দরবানে সাধারণত এই সময়ে বৃষ্টিপাত হয় না। তবে এবার গত কয়েক দিন যাবৎ জেলায় প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের ফলে প্রাকৃতিক ঝরনা থাকা পর্যটনকেন্দ্রগুলো থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। জেলার অধিকাংশ পর্যটনকেন্দ্রই পাহাড়ি এলাকায়। জেলা সদরের ছয় কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মেঘলা, নীলাচল ও শৈলপ্রপাত পর্যটনকেন্দ্র।
মেঘলা প্রধান সড়ক থেকে কয়েক শ ফুট নিচে, নীলাচল পর্যটনকেন্দ্রও পাহাড়ি এলাকায়। এ দুটি কেন্দ্র বর্ষা মৌসুমে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়ে। কেননা, এ দুটি পর্যটনকেন্দ্রে উন্মুক্ত স্থান থাকায় পর্যটকেরা বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় বর্ষকালে সেখানে যেতে আগ্রহী নয়। এ ছাড়া পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে যাতায়াতও ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যদিকে বান্দরবান-চিম্বুক সড়কের পাশে অবস্থিত শৈলপ্রাপত পর্যটনকেন্দ্র ঝরনাকে কেন্দ্র গড়ে গড়ে উঠেছে। কিন্তু বর্ষাকালে শৈলপ্রপাতের পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকি থাকায় লোকজন নিচে নামে না। ফলে শৈলপ্রপাতেও এই মৌসুমে পর্যটক নেই বললেই চলে।
এদিকে, প্রবল বৃষ্টির কারণে পর্যটন এলাকাগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে গত মৌসুমে এসব পর্যটন এলাকায় ‘ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা’ সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, আগাম বর্ষায় বান্দরবানে পর্যটক কমে যাওয়ায় হোটেল-রিসোর্টগুলোও প্রায় ফাঁকা, পর্যটকবাহী গাড়িগুলোও যাত্রীর অভাবে অলস বসে আছে, ভাড়া না পাওয়ায় গাড়ির মালিক-শ্রমিকেরা অর্থকষ্টে পড়েছেন।
বান্দরবানের গার্ডেন সিটি হোটেলের মালিক মো. জাফর আজকের পত্রিকাকে শুক্রবার জানান, তাঁর হোটেলে এসি ও ননএসিসহ ২৬টি কক্ষ রয়েছে। বর্তমানে এমনিতেই মন্দা মৌসুম চলছে, তার মধ্যে আগাম বর্ষার কারণে হোটেলের অধিকাংশ কক্ষই খালি।
একই ধরনের কথা জানান গ্রিন হিল হোটেলের ম্যানেজার রূপণ দাস। তিনি জানান, গত কদিন যাবৎ তাঁদের হোটেলের অধিকাংশ কক্ষই খালি। বাইরের জেলার লোকজন বর্তমানে বান্দরবানে বেড়াতে আসছেন না। স্থানীয় বা উপজেলা থেকে যাঁরা জেলা শহরে আসেন, বৃষ্টির কারণে তারাও অনেকে আসছেন না। হোটেল রক্ষণাবেক্ষণ খরচ তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
পর্যটনকেন্দ্রিক পরিবহন মালিক সাফায়েত হোসেন বলেন, ‘বর্তমান মৌসুমে এমনিতেই বান্দরবানে পর্যটকের আগমন কম। তার ওপর গত কয়দিন ধরে বান্দরবানে প্রবল বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। ফলে পর্যটকেরা বান্দরবানে বেড়াতে এলে ঘুরতে পারবেন না, এ জন্য আসছেন না।
ইজিবাইকচালক যিশু দাস বলেন, ‘এ সময় পর্যটক এলে অনেকে আশপাশে টমটম (ইজিবাইক) নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। এর ফলে বাড়তি আয় হতো। কিন্তু বৃষ্টিপাতের কারণে পর্যটকেরা আসছেই না বলা যায়।’
এদিকে শৈলপ্রপাত পর্যটনকেন্দ্রে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বম জনগোষ্ঠীর বসবাস। সেখানে ব্যবসাগুলো বম জনগোষ্ঠীর লোকজনই করেন। কিন্তু বৃষ্টিপাতের কারণে সেখানে পর্যটক কম যাচ্ছেন। তাই দোকান খুললেও বেচাকেনা হচ্ছে না। অলস সময় পার করছে। এতে তাঁরাও আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন।

মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই এবার প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে বান্দরবানে। এই আগাম বৃষ্টিতে স্থবিরতা নেমে এসেছে জেলার পর্যটন খাতে। প্রায় ফাঁকা পর্যটনকেন্দ্রগুলো, পর্যটক না থাকায় অলস সময় পার করছেন স্থানীয় যানবাহন চালকেরা, বুকিং নেই আবাসিক হোটেল-রিসোর্টগুলোতে। ফলে ক্ষতির মুখে বান্দরবানের পর্যটন খাত।
বর্তমানে জ্যৈষ্ঠ মাস চলছে। বান্দরবানে সাধারণত এই সময়ে বৃষ্টিপাত হয় না। তবে এবার গত কয়েক দিন যাবৎ জেলায় প্রবল বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের ফলে প্রাকৃতিক ঝরনা থাকা পর্যটনকেন্দ্রগুলো থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। জেলার অধিকাংশ পর্যটনকেন্দ্রই পাহাড়ি এলাকায়। জেলা সদরের ছয় কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মেঘলা, নীলাচল ও শৈলপ্রপাত পর্যটনকেন্দ্র।
মেঘলা প্রধান সড়ক থেকে কয়েক শ ফুট নিচে, নীলাচল পর্যটনকেন্দ্রও পাহাড়ি এলাকায়। এ দুটি কেন্দ্র বর্ষা মৌসুমে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়ে। কেননা, এ দুটি পর্যটনকেন্দ্রে উন্মুক্ত স্থান থাকায় পর্যটকেরা বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় বর্ষকালে সেখানে যেতে আগ্রহী নয়। এ ছাড়া পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে যাতায়াতও ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যদিকে বান্দরবান-চিম্বুক সড়কের পাশে অবস্থিত শৈলপ্রাপত পর্যটনকেন্দ্র ঝরনাকে কেন্দ্র গড়ে গড়ে উঠেছে। কিন্তু বর্ষাকালে শৈলপ্রপাতের পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকি থাকায় লোকজন নিচে নামে না। ফলে শৈলপ্রপাতেও এই মৌসুমে পর্যটক নেই বললেই চলে।
এদিকে, প্রবল বৃষ্টির কারণে পর্যটন এলাকাগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে গত মৌসুমে এসব পর্যটন এলাকায় ‘ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা’ সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, আগাম বর্ষায় বান্দরবানে পর্যটক কমে যাওয়ায় হোটেল-রিসোর্টগুলোও প্রায় ফাঁকা, পর্যটকবাহী গাড়িগুলোও যাত্রীর অভাবে অলস বসে আছে, ভাড়া না পাওয়ায় গাড়ির মালিক-শ্রমিকেরা অর্থকষ্টে পড়েছেন।
বান্দরবানের গার্ডেন সিটি হোটেলের মালিক মো. জাফর আজকের পত্রিকাকে শুক্রবার জানান, তাঁর হোটেলে এসি ও ননএসিসহ ২৬টি কক্ষ রয়েছে। বর্তমানে এমনিতেই মন্দা মৌসুম চলছে, তার মধ্যে আগাম বর্ষার কারণে হোটেলের অধিকাংশ কক্ষই খালি।
একই ধরনের কথা জানান গ্রিন হিল হোটেলের ম্যানেজার রূপণ দাস। তিনি জানান, গত কদিন যাবৎ তাঁদের হোটেলের অধিকাংশ কক্ষই খালি। বাইরের জেলার লোকজন বর্তমানে বান্দরবানে বেড়াতে আসছেন না। স্থানীয় বা উপজেলা থেকে যাঁরা জেলা শহরে আসেন, বৃষ্টির কারণে তারাও অনেকে আসছেন না। হোটেল রক্ষণাবেক্ষণ খরচ তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
পর্যটনকেন্দ্রিক পরিবহন মালিক সাফায়েত হোসেন বলেন, ‘বর্তমান মৌসুমে এমনিতেই বান্দরবানে পর্যটকের আগমন কম। তার ওপর গত কয়দিন ধরে বান্দরবানে প্রবল বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। ফলে পর্যটকেরা বান্দরবানে বেড়াতে এলে ঘুরতে পারবেন না, এ জন্য আসছেন না।
ইজিবাইকচালক যিশু দাস বলেন, ‘এ সময় পর্যটক এলে অনেকে আশপাশে টমটম (ইজিবাইক) নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। এর ফলে বাড়তি আয় হতো। কিন্তু বৃষ্টিপাতের কারণে পর্যটকেরা আসছেই না বলা যায়।’
এদিকে শৈলপ্রপাত পর্যটনকেন্দ্রে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বম জনগোষ্ঠীর বসবাস। সেখানে ব্যবসাগুলো বম জনগোষ্ঠীর লোকজনই করেন। কিন্তু বৃষ্টিপাতের কারণে সেখানে পর্যটক কম যাচ্ছেন। তাই দোকান খুললেও বেচাকেনা হচ্ছে না। অলস সময় পার করছে। এতে তাঁরাও আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে