বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানে কয়েক দিনের টানা প্রবল বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে।
আজ বুধবার জেলা তথ্য অফিস থেকে করা মাইকিংয়ে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে আজ সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের ফলে বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই যাঁরা পাহাড়ের পাদদেশ, চূড়া, নদীর তীরসহ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করছেন, তাঁদের সতর্ক থাকাসহ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতি বৃষ্টির কারণে জেলা সদরের কালাঘাটা, বালাঘাটা, বনরুপাপাড়া, সিদ্দিকনগর, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। সেই সঙ্গে কয়েকটি জায়গায় পাহাড় থেকে মাটি ভেঙে সড়কে পড়ে পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বান্দরবান কার্যালয়ের তথ্যমতে, আজ বেলা ৩টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বলেন, ‘বান্দরবানে সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং আমরা প্রতিনিয়ত সবকিছু মনিটরিং করছি। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং শুরু করেছি, যাতে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের শঙ্কা থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীরা নিরাপদে সরে যেতে পারেন। জেলার সাতটি উপজেলায় পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রাখা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে কেউ এলে তাঁদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।’
প্রসঙ্গত, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বান্দরবানে কয়েক দিনের টানা প্রবল বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে।
আজ বুধবার জেলা তথ্য অফিস থেকে করা মাইকিংয়ে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে আজ সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের ফলে বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই যাঁরা পাহাড়ের পাদদেশ, চূড়া, নদীর তীরসহ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করছেন, তাঁদের সতর্ক থাকাসহ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতি বৃষ্টির কারণে জেলা সদরের কালাঘাটা, বালাঘাটা, বনরুপাপাড়া, সিদ্দিকনগর, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। সেই সঙ্গে কয়েকটি জায়গায় পাহাড় থেকে মাটি ভেঙে সড়কে পড়ে পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বান্দরবান কার্যালয়ের তথ্যমতে, আজ বেলা ৩টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বলেন, ‘বান্দরবানে সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং আমরা প্রতিনিয়ত সবকিছু মনিটরিং করছি। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং শুরু করেছি, যাতে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের শঙ্কা থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীরা নিরাপদে সরে যেতে পারেন। জেলার সাতটি উপজেলায় পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রাখা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে কেউ এলে তাঁদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।’
প্রসঙ্গত, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) যথাসময়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
১৪ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়া মডেল টাউন এলাকা থেকে এক কিশোরের ৩৮ টুকরা হাড় ও কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নগদ টাকার প্রয়োজনে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই ১৫ বছরের মিলন হোসেনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই। এ ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকার
১৬ মিনিট আগে
রাজধানীর হাতিরঝিল পশ্চিম চৌধুরীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে সোনিয়া নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে হাতিরঝিল পশ্চিম চৌধুরীপাড়ার ৪৮ নম্বর বাসার দোতলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
৪৩ মিনিট আগে
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সচেতন ও বিচক্ষণ। তারাই ইতিহাস গড়েছে। নির্বাচনের কিছু আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে পুরো জাতি এক কাতারে দাঁড়াবে—জুলাই সনদের পক্ষে, পরিবর্তনের পক্ষে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে।’
১ ঘণ্টা আগে