বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে বিষখালী কমিউনিটি ক্লিনিকে তালা দিয়েছেন দীপা বালা দাস (৪০) নামের এক নারী। গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। এতে ক্লিনিকের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারা।
জানা গেছে, ২০১৫ সালে উপজেলার বিষখালী এলাকায় সিএইচসিপি সোমা রানী দাসের বাবা মৃত সুনীল কুমার দাসের জমিতে বিষখালী কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়। তখন সুনীল কুমার দাসের ছোট ছেলে জগবন্ধু দাস ক্লিনিকের অনুকূলে দলিল করে দেন। এত দিন সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু গত জানুয়ারি মাস থেকে জগবন্ধুর মেজ ভাই বাদল দাস ও তাঁর স্ত্রী দীপা বালা দাস ক্লিনিকের জমি দাবি করতে থাকেন। সোমা রানী দাসকে ক্লিনিকে দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করেন।
এদিকে ১১ ফেব্রুয়ারি দীপা বালা দাস কমিউনিটি ক্লিনিকে এসে ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথকেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) সোমা রানী দাসকে গালমন্দ করেন। তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। বিষয়টি নিয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিলেও কোনো সুরাহা হয়নি। এসব কারণে ওই সিএইচসিপি নিয়মিত ক্লিনিকে আসতে পারেন না।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্লিনিকের প্রধান গেটে এবং ভবনের দরজায় তালা লাগানো। ভবন থেকে কয়েক শ গজ দূরে একটি কাঠের বেঞ্চে বসে ক্লিনিক খোলার জন্য অপেক্ষা করছেন সুইটি বেগম নামের এক নারী। তিনি বলেন, প্রায় দেড় কিলোমিটার হেঁটে ১০টার দিকে এসেছি। এখনো ক্লিনিক খোলেনি। অপেক্ষায় আছি ডাক্তারের (সিএইচসিপি)।
জানতে চাইলে সোমা রানী দাস বলেন, ‘আমার ছোট ভাই জগবন্ধু ক্লিনিকের অনুকূলে জমি দলিল করে দিয়েছে। মেজ ভাই বাদল দাস ও তার স্ত্রী যদি জমি পায়, তাহলে আমার বাবার আরও জমি আছে, আমিও বাবার জমি পাব, আমার মা পাবেন, আমার বড় ভাই পাবেন। সেই জমি আমার মেজ ভাইকে দেব। কিন্তু তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাকে হয়রানি করা। আমাকে মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়া। আমার ভাইয়ের স্ত্রী ক্লিনিকে এসে আমাকে মারধর করার চেষ্টা করে। লাঠি নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে আমাকে মারার জন্য। এসব কারণে আমি গত দুই সপ্তাহ নিয়মিত ক্লিনিকে যেতে পারছি না। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী সমাধান করার চেষ্টা করলেও কোনো কাজ হয়নি। আমি শান্তিতে চাকরি করতে চাই।’

স্থানীয়দের নিয়ে গঠিত কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাধন চক্রবর্তী বলেন, ‘দীপা বালা দাস ক্লিনিকে তালা দিয়েছেন। সিএইচসিপি সোমা রানী দাসকে মারধরেরও চেষ্টা করেছেন। বিষয়টি আমরা পুলিশ এবং স্বাস্থ্য ও উপজেলা পরিবারের পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে জানিয়েছি; কিন্তু এখনো কোনো সমাধান হয়নি।
এসব বিষয়ে জানতে দীপা বালা দাস ও তাঁর স্বামী বাদল দাসকে ফোন করা হলেও তাঁরা রিসিভ করেননি। মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষখালী ক্লিনিকের জটিলতার বিষয়ে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। স্থানীয়দের নিয়ে গঠিত কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার যে কমিটি রয়েছে, তাদের দীপা বালা দাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে বলা হয়েছে। পুরো বিষয়টি পারিবারিক। এসব কারণে সিএইচসিপিকে আদালতে মামলা দিতে বলা হয়েছে। তিনি মামলা দিলে আমরা তাঁকে সহযোগিতা করব।’

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে বিষখালী কমিউনিটি ক্লিনিকে তালা দিয়েছেন দীপা বালা দাস (৪০) নামের এক নারী। গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। এতে ক্লিনিকের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারা।
জানা গেছে, ২০১৫ সালে উপজেলার বিষখালী এলাকায় সিএইচসিপি সোমা রানী দাসের বাবা মৃত সুনীল কুমার দাসের জমিতে বিষখালী কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়। তখন সুনীল কুমার দাসের ছোট ছেলে জগবন্ধু দাস ক্লিনিকের অনুকূলে দলিল করে দেন। এত দিন সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু গত জানুয়ারি মাস থেকে জগবন্ধুর মেজ ভাই বাদল দাস ও তাঁর স্ত্রী দীপা বালা দাস ক্লিনিকের জমি দাবি করতে থাকেন। সোমা রানী দাসকে ক্লিনিকে দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করেন।
এদিকে ১১ ফেব্রুয়ারি দীপা বালা দাস কমিউনিটি ক্লিনিকে এসে ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথকেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) সোমা রানী দাসকে গালমন্দ করেন। তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। বিষয়টি নিয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিলেও কোনো সুরাহা হয়নি। এসব কারণে ওই সিএইচসিপি নিয়মিত ক্লিনিকে আসতে পারেন না।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্লিনিকের প্রধান গেটে এবং ভবনের দরজায় তালা লাগানো। ভবন থেকে কয়েক শ গজ দূরে একটি কাঠের বেঞ্চে বসে ক্লিনিক খোলার জন্য অপেক্ষা করছেন সুইটি বেগম নামের এক নারী। তিনি বলেন, প্রায় দেড় কিলোমিটার হেঁটে ১০টার দিকে এসেছি। এখনো ক্লিনিক খোলেনি। অপেক্ষায় আছি ডাক্তারের (সিএইচসিপি)।
জানতে চাইলে সোমা রানী দাস বলেন, ‘আমার ছোট ভাই জগবন্ধু ক্লিনিকের অনুকূলে জমি দলিল করে দিয়েছে। মেজ ভাই বাদল দাস ও তার স্ত্রী যদি জমি পায়, তাহলে আমার বাবার আরও জমি আছে, আমিও বাবার জমি পাব, আমার মা পাবেন, আমার বড় ভাই পাবেন। সেই জমি আমার মেজ ভাইকে দেব। কিন্তু তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাকে হয়রানি করা। আমাকে মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়া। আমার ভাইয়ের স্ত্রী ক্লিনিকে এসে আমাকে মারধর করার চেষ্টা করে। লাঠি নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে আমাকে মারার জন্য। এসব কারণে আমি গত দুই সপ্তাহ নিয়মিত ক্লিনিকে যেতে পারছি না। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী সমাধান করার চেষ্টা করলেও কোনো কাজ হয়নি। আমি শান্তিতে চাকরি করতে চাই।’

স্থানীয়দের নিয়ে গঠিত কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাধন চক্রবর্তী বলেন, ‘দীপা বালা দাস ক্লিনিকে তালা দিয়েছেন। সিএইচসিপি সোমা রানী দাসকে মারধরেরও চেষ্টা করেছেন। বিষয়টি আমরা পুলিশ এবং স্বাস্থ্য ও উপজেলা পরিবারের পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে জানিয়েছি; কিন্তু এখনো কোনো সমাধান হয়নি।
এসব বিষয়ে জানতে দীপা বালা দাস ও তাঁর স্বামী বাদল দাসকে ফোন করা হলেও তাঁরা রিসিভ করেননি। মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে। সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষখালী ক্লিনিকের জটিলতার বিষয়ে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। স্থানীয়দের নিয়ে গঠিত কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার যে কমিটি রয়েছে, তাদের দীপা বালা দাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে বলা হয়েছে। পুরো বিষয়টি পারিবারিক। এসব কারণে সিএইচসিপিকে আদালতে মামলা দিতে বলা হয়েছে। তিনি মামলা দিলে আমরা তাঁকে সহযোগিতা করব।’

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) যথাসময়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
১৭ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়া মডেল টাউন এলাকা থেকে এক কিশোরের ৩৮ টুকরা হাড় ও কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নগদ টাকার প্রয়োজনে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই ১৫ বছরের মিলন হোসেনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই। এ ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকার
২০ মিনিট আগে
রাজধানীর হাতিরঝিল পশ্চিম চৌধুরীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে সোনিয়া নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে হাতিরঝিল পশ্চিম চৌধুরীপাড়ার ৪৮ নম্বর বাসার দোতলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সচেতন ও বিচক্ষণ। তারাই ইতিহাস গড়েছে। নির্বাচনের কিছু আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে পুরো জাতি এক কাতারে দাঁড়াবে—জুলাই সনদের পক্ষে, পরিবর্তনের পক্ষে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে।’
১ ঘণ্টা আগে