বাগেরহাট প্রতিনিধি

নসিমন-করিমনসহ অবৈধ যানবাহন বন্ধের দাবিতে চলমান দুই দিনের পরিবহন ধর্মঘটের মধ্যেই সারা দেশের মতো বাগেরহাটে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার ভোর থেকে পরিবহন বন্ধ থাকায় পরীক্ষাকেন্দ্রে আসতে পারেননি অনেক চাকরিপ্রার্থী। যানবাহন না পাওয়ায় বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী কেন্দ্রে আসতে পারেননি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদের নিয়োগ পরীক্ষায় ৮ হাজার ৫৮৮ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন, কিন্তু পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন। যানবাহন না পাওয়ায় অনেকে কেন্দ্রে আসতে পারেননি বলে কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
আজ ভোরে শরণখোলা থেকে বাগেরহাটের উদ্দেশে রওনা দিয়েও সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি এক চাকরিপ্রার্থী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ‘ভোরে ভাড়ার মোটরসাইকেলে রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু বিএনপির লোক ভেবে রায়েন্দা বাসস্ট্যান্ডে আধা ঘণ্টা আটকে রেখে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বারবার অনুরোধ করলেও তারা যেতে দেয়নি।’
বাসাবাটি রহমানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেওয়া শিউলি বলেন, ‘বাসা থেকে কেন্দ্রের দূরত্ব মাত্র চার কিলোমিটার। ধর্মঘটের কারণে এতটুকু পথ যেতে এক ঘণ্টা লেগেছে। কিছু পথ হেঁটে, কিছু পথ ভ্যানে করে যেতে হয়েছে। ভোগান্তির শেষ ছিল না! আমাদের কক্ষে ৪০ জনের সিট থাকলেও উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১১ জন।’
শরিফুল নামের অপর এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, ‘৮০ জনের আসন থাকলেও, আমাদের কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২৫ জন। রাজনীতির এই রেষারেষিতে যাঁরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তাঁদের দায়িত্ব কে নেবে?’
জানতে চাইলে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহিনুজ্জামান বলেন, ‘ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদে বাগেরহাটে ৮ হাজার ৫৮৮ জন নিয়োগপ্রত্যাশীর পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে উপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৯২৯ জন। শতাংশের হিসাবে, যা মাত্র ৩৪ ভাগ।’
অনুপস্থিতি কম হওয়ার কারণ ব্যাখ্যায় শাহিনুজ্জামান বলেন, ‘এই পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি পাঁচ বছর আগের হওয়ায় অনেকের অন্যত্র চাকরি হয়েছে, আবার কেউ কেউ মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করায় মেসেজ পায়নি। এসব কারণে পরীক্ষার্থী কম এসে থাকতে পারে।’

নসিমন-করিমনসহ অবৈধ যানবাহন বন্ধের দাবিতে চলমান দুই দিনের পরিবহন ধর্মঘটের মধ্যেই সারা দেশের মতো বাগেরহাটে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার ভোর থেকে পরিবহন বন্ধ থাকায় পরীক্ষাকেন্দ্রে আসতে পারেননি অনেক চাকরিপ্রার্থী। যানবাহন না পাওয়ায় বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী কেন্দ্রে আসতে পারেননি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদের নিয়োগ পরীক্ষায় ৮ হাজার ৫৮৮ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন, কিন্তু পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন। যানবাহন না পাওয়ায় অনেকে কেন্দ্রে আসতে পারেননি বলে কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
আজ ভোরে শরণখোলা থেকে বাগেরহাটের উদ্দেশে রওনা দিয়েও সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি এক চাকরিপ্রার্থী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ‘ভোরে ভাড়ার মোটরসাইকেলে রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু বিএনপির লোক ভেবে রায়েন্দা বাসস্ট্যান্ডে আধা ঘণ্টা আটকে রেখে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বারবার অনুরোধ করলেও তারা যেতে দেয়নি।’
বাসাবাটি রহমানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেওয়া শিউলি বলেন, ‘বাসা থেকে কেন্দ্রের দূরত্ব মাত্র চার কিলোমিটার। ধর্মঘটের কারণে এতটুকু পথ যেতে এক ঘণ্টা লেগেছে। কিছু পথ হেঁটে, কিছু পথ ভ্যানে করে যেতে হয়েছে। ভোগান্তির শেষ ছিল না! আমাদের কক্ষে ৪০ জনের সিট থাকলেও উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১১ জন।’
শরিফুল নামের অপর এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, ‘৮০ জনের আসন থাকলেও, আমাদের কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২৫ জন। রাজনীতির এই রেষারেষিতে যাঁরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তাঁদের দায়িত্ব কে নেবে?’
জানতে চাইলে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহিনুজ্জামান বলেন, ‘ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদে বাগেরহাটে ৮ হাজার ৫৮৮ জন নিয়োগপ্রত্যাশীর পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে উপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৯২৯ জন। শতাংশের হিসাবে, যা মাত্র ৩৪ ভাগ।’
অনুপস্থিতি কম হওয়ার কারণ ব্যাখ্যায় শাহিনুজ্জামান বলেন, ‘এই পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি পাঁচ বছর আগের হওয়ায় অনেকের অন্যত্র চাকরি হয়েছে, আবার কেউ কেউ মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করায় মেসেজ পায়নি। এসব কারণে পরীক্ষার্থী কম এসে থাকতে পারে।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১ ঘণ্টা আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে