রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বিআইডব্লিউটিএর লোকবল আর জ্বালানি সংকটের কারণ দেখিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় বাগেরহাটের রামপালের একমাত্র ফেরি সার্ভিসটি। ফেরিটি বন্ধ করে দেওয়ার পর দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে সেটি মাটির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতিও হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রামপাল-পেড়িখালী খেয়াঘাটটি এই এলাকার একটি ব্যস্ততম ঘাট। একসময় রামপাল নদী ছিল প্রমত্তা। প্রবল স্রোত ও ঢেউ উপেক্ষা করে মানুষ এই ঘাট দিয়ে নৌকায় পারাপার হতো। এর আগে এই নদী পার হতে গিয়ে ঘাটে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। ডুবেছে পণ্যবাহী বড় বড় নৌযানও। এই নদীতে দীর্ঘদিনের পারাপারের দুর্ভোগ লাঘবে ১৯৯৬ সালে সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বর্তমান খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এই ঘাটে পরীক্ষামূলকভাবে বিআইডব্লিউটিএর ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধন করেন।
ফেরি সার্ভিস চালুর পর সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পারাপারের দুর্ভোগ লাঘব হয়। কিন্তু এর প্রায় দুই বছর পর লোকবল আর আর্থিক সংকটের দোহাই দিয়ে বিআইডব্লিউটিএ ফেরিটি বন্ধ করে দেয়। এতে দেখা দেয় আবারও পারাপারে সংকট। বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ফেরিটি রামপাল সদর পুরোনো ডাকবাংলোর সামনে নদীর চরে ফেলে রাখা হয়। পরে ফেরিটি রামপাল উপজেলা এলজিআরডির তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএ ও উপজেলা এলজিআরডি কর্তৃপক্ষ ফেরির আর কোনো খোঁজ রাখেনি। আর এর ফাঁকে স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্র ফেরির দুটি ইঞ্জিনের প্রায় সব মূল্যবান যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন নদীর চরে পড়ে থাকতে থাকতে একসময় ফেরিটি অধিকাংশ জিনিস মাটির নিচে চলে যায়। এখন রামপাল থানার সামনে ফেরির ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে।
এদিকে ফেরি সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রামপাল-পেড়িখালী খেয়াঘাটে ফেরির পন্টুন ও গ্যাংওয়ে পড়ে ছিল অনেক দিন। মোংলার একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি সিন্ডিকেট ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ফেরির পন্টুন ও গ্যাংওয়ে কেটে নিয়ে যায়। এ নিয়ে রামপাল উপজেলা এলজিআরডি আইনের আশ্রয় নিলেও চোরাকারবারিরা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।
স্থানীয়রা বলেন, বিআইডব্লিউটিএ ও রামপাল এলজিআরডি সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এভাবে লাখ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ ধ্বংস হতো না। যাদের গাফিলতির জন্য ফেরিটি ধ্বংস হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আ. মতিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিআইডব্লিউটিএ সাধারণত নদীর বিষয়টি নিয়ে কাজ করে। আর ফেরি চলাচলের বিষয়টিতে বিআইডব্লিউটিসি কাজ করে। ফেরির বিষয়টি বিআইডব্লিউটিসির লোকজন ভালো বলতে পারবেন।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
বাগেরহাট সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হেলাল উদ্দীন বলেন, 'বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এটি সম্ভবত বিআইডব্লিউটিএর হবে। এরপরও আমি খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। কর্তৃপক্ষ সার্ভে করে টেন্ডারের মাধ্যমে ফেরি উত্তোলনের ব্যবস্থা নেবে।'

বিআইডব্লিউটিএর লোকবল আর জ্বালানি সংকটের কারণ দেখিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় বাগেরহাটের রামপালের একমাত্র ফেরি সার্ভিসটি। ফেরিটি বন্ধ করে দেওয়ার পর দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে সেটি মাটির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতিও হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রামপাল-পেড়িখালী খেয়াঘাটটি এই এলাকার একটি ব্যস্ততম ঘাট। একসময় রামপাল নদী ছিল প্রমত্তা। প্রবল স্রোত ও ঢেউ উপেক্ষা করে মানুষ এই ঘাট দিয়ে নৌকায় পারাপার হতো। এর আগে এই নদী পার হতে গিয়ে ঘাটে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। ডুবেছে পণ্যবাহী বড় বড় নৌযানও। এই নদীতে দীর্ঘদিনের পারাপারের দুর্ভোগ লাঘবে ১৯৯৬ সালে সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বর্তমান খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এই ঘাটে পরীক্ষামূলকভাবে বিআইডব্লিউটিএর ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধন করেন।
ফেরি সার্ভিস চালুর পর সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পারাপারের দুর্ভোগ লাঘব হয়। কিন্তু এর প্রায় দুই বছর পর লোকবল আর আর্থিক সংকটের দোহাই দিয়ে বিআইডব্লিউটিএ ফেরিটি বন্ধ করে দেয়। এতে দেখা দেয় আবারও পারাপারে সংকট। বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ফেরিটি রামপাল সদর পুরোনো ডাকবাংলোর সামনে নদীর চরে ফেলে রাখা হয়। পরে ফেরিটি রামপাল উপজেলা এলজিআরডির তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএ ও উপজেলা এলজিআরডি কর্তৃপক্ষ ফেরির আর কোনো খোঁজ রাখেনি। আর এর ফাঁকে স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্র ফেরির দুটি ইঞ্জিনের প্রায় সব মূল্যবান যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন নদীর চরে পড়ে থাকতে থাকতে একসময় ফেরিটি অধিকাংশ জিনিস মাটির নিচে চলে যায়। এখন রামপাল থানার সামনে ফেরির ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে।
এদিকে ফেরি সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রামপাল-পেড়িখালী খেয়াঘাটে ফেরির পন্টুন ও গ্যাংওয়ে পড়ে ছিল অনেক দিন। মোংলার একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি সিন্ডিকেট ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ফেরির পন্টুন ও গ্যাংওয়ে কেটে নিয়ে যায়। এ নিয়ে রামপাল উপজেলা এলজিআরডি আইনের আশ্রয় নিলেও চোরাকারবারিরা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।
স্থানীয়রা বলেন, বিআইডব্লিউটিএ ও রামপাল এলজিআরডি সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এভাবে লাখ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ ধ্বংস হতো না। যাদের গাফিলতির জন্য ফেরিটি ধ্বংস হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আ. মতিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিআইডব্লিউটিএ সাধারণত নদীর বিষয়টি নিয়ে কাজ করে। আর ফেরি চলাচলের বিষয়টিতে বিআইডব্লিউটিসি কাজ করে। ফেরির বিষয়টি বিআইডব্লিউটিসির লোকজন ভালো বলতে পারবেন।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
বাগেরহাট সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হেলাল উদ্দীন বলেন, 'বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এটি সম্ভবত বিআইডব্লিউটিএর হবে। এরপরও আমি খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। কর্তৃপক্ষ সার্ভে করে টেন্ডারের মাধ্যমে ফেরি উত্তোলনের ব্যবস্থা নেবে।'

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে